অর্ধেক বিদ্যুৎ, শতভাগ অজুহাত: বিএনপি প্রথম পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে যেভাবে ফেল মারলো!

কুড়িগ্রামের চাহিদা ৮৫ মেগাওয়াট, বরাদ্দ মিলছে ৪১ থেকে ৪৯। নেসকোর আওতায় শহরের ৩২ হাজারের বেশি গ্রাহকের চাহিদা ১৩ মেগাওয়াট, সরবরাহ সাড়ে ৬, মানে অর্ধেকেরও কম। শনিবার একদিনেই স্ক্যাডা অপারেশনের নামে ছয়বার বিদ্যুৎ বন্ধ হয়েছে পুরো শহরে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন বরাদ্দ বাড়লে সংকট কমবে। ঠিক আছে, কিন্তু বরাদ্দের সিদ্ধান্ত তো আকাশ থেকে পড়ে না।এনএলডিসি, উৎপাদন-বণ্টনের নীতি, এসব এখন যাদের হাতে, ক্ষমতায় সেই বিএনপি সরকারই। ছয় মাসেও জাতীয় গ্রিড ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান কোনো সংস্কার নেই, শুধু রেশনিং আর অজুহাত।

নতুন কিছু না এটা। ২০০১-০৬ মেয়াদের বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলেও লোডশেডিং ছিল শহুরে থেকে গ্রামীণ জীবনের নিত্যসঙ্গী। তখন অজুহাত ছিল অবকাঠামোর অভাব, এখন অজুহাত জাতীয় গ্রিড আর স্ক্যাডা।

উলিপুরের মিজানুর রহমান আসরের আগে কারেন্ট হারিয়ে রাত আটটায়ও অন্ধকারে বসে থাকেন, ছেলেমেয়ে পড়াশোনা করতে পারে না। এই একটা তথ্যই যথেষ্ট, প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবতার দূরত্বটা ঠিক কতটা।

কুড়িগ্রামের চাহিদা ৮৫ মেগাওয়াট, বরাদ্দ মিলছে ৪১ থেকে ৪৯। নেসকোর আওতায় শহরের ৩২ হাজারের বেশি গ্রাহকের চাহিদা ১৩ মেগাওয়াট, সরবরাহ সাড়ে ৬, মানে অর্ধেকেরও কম। শনিবার একদিনেই স্ক্যাডা অপারেশনের নামে ছয়বার বিদ্যুৎ বন্ধ হয়েছে পুরো শহরে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন বরাদ্দ বাড়লে সংকট কমবে। ঠিক আছে, কিন্তু বরাদ্দের সিদ্ধান্ত তো আকাশ থেকে পড়ে না।এনএলডিসি, উৎপাদন-বণ্টনের নীতি, এসব এখন যাদের হাতে, ক্ষমতায় সেই বিএনপি সরকারই। ছয় মাসেও জাতীয় গ্রিড ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান কোনো সংস্কার নেই, শুধু রেশনিং আর অজুহাত।

নতুন কিছু না এটা। ২০০১-০৬ মেয়াদের বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলেও লোডশেডিং ছিল শহুরে থেকে গ্রামীণ জীবনের নিত্যসঙ্গী। তখন অজুহাত ছিল অবকাঠামোর অভাব, এখন অজুহাত জাতীয় গ্রিড আর স্ক্যাডা।

উলিপুরের মিজানুর রহমান আসরের আগে কারেন্ট হারিয়ে রাত আটটায়ও অন্ধকারে বসে থাকেন, ছেলেমেয়ে পড়াশোনা করতে পারে না। এই একটা তথ্যই যথেষ্ট, প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবতার দূরত্বটা ঠিক কতটা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ