ইটের পর ইট ভাঙতে পারো, কোটি হৃদয়ের ধানমন্ডি ৩২ ভাঙবে সাধ্য কার?’

১৫ই আগস্টের শোকাবহ দিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণে বাঙালি জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানাতে আসা সাধারণ মানুষ ও একজন খেটে খাওয়া নিরীহ রিকশাচালকের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে আবারো প্রমাণ করা হলো—দেশে আজ কোনো আইন, বিচার কিংবা মানবিকতার অস্তিত্ব নেই।

‘জুলাই যোদ্ধা’ বা সমন্বয়কের ভুয়া তকমা লাগিয়ে মূলত ছাত্রদল, যুবদল ও জামায়াত-শিবিরের চিহ্নিত ক্যাডাররা আজ দেশজুড়ে গুন্ডামি চালাচ্ছে। যে জাতি নিজের ইতিহাসকে সম্মান জানাতে পারে না, যে গোষ্ঠী স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতিকে স্বীকার করে না—তারা মূলত ১৯৭১ সালের পরাজিত পশিম পাকিস্তানি ভাবধারায় বিশ্বাসী। এই ক্যাডাররা মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনাকে ধ্বংস করতে চায়।

যে বাড়িরে পুড়িয়ে ছাই করা হলো, যে বাড়িরে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো—সেই ধ্বংসস্তূপকে পাহারা দিতেও আজ হাজার হাজার সশস্ত্র পাহাদার বসাতে হয়! এতেই প্রমাণিত হয়, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের প্রতিটি ধূলিকণা আজ স্বৈরাচার আর রাজাকারদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দেয়। 

আজ শ্রদ্ধার ফুল হাতে আসা নিরীহ মানুষকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে পুলিশে দেওয়া হচ্ছে, কারণ বিএনপি ও তাদের সহযোগী অপশক্তি জনস্রোতকে ভয় পায়। কিন্তু তারা ভুলে গেছে—বাঙালির হৃদয়ে যে নাম গাঁথা আছে, তা পুলিশ ও পেটুয়া বাহিনী দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। কয়জন বাঙালিকে জেল-জুলুমের ভয় দেখাবে? ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করেনি, তোমাদেরও করবে না।

১৫ই আগস্টের শোকাবহ দিনে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক প্রাঙ্গণে বাঙালি জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানাতে আসা সাধারণ মানুষ ও একজন খেটে খাওয়া নিরীহ রিকশাচালকের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে আবারো প্রমাণ করা হলো—দেশে আজ কোনো আইন, বিচার কিংবা মানবিকতার অস্তিত্ব নেই।

‘জুলাই যোদ্ধা’ বা সমন্বয়কের ভুয়া তকমা লাগিয়ে মূলত ছাত্রদল, যুবদল ও জামায়াত-শিবিরের চিহ্নিত ক্যাডাররা আজ দেশজুড়ে গুন্ডামি চালাচ্ছে। যে জাতি নিজের ইতিহাসকে সম্মান জানাতে পারে না, যে গোষ্ঠী স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতিকে স্বীকার করে না—তারা মূলত ১৯৭১ সালের পরাজিত পশিম পাকিস্তানি ভাবধারায় বিশ্বাসী। এই ক্যাডাররা মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনাকে ধ্বংস করতে চায়।

যে বাড়িরে পুড়িয়ে ছাই করা হলো, যে বাড়িরে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো—সেই ধ্বংসস্তূপকে পাহারা দিতেও আজ হাজার হাজার সশস্ত্র পাহাদার বসাতে হয়! এতেই প্রমাণিত হয়, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের প্রতিটি ধূলিকণা আজ স্বৈরাচার আর রাজাকারদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দেয়। 

আজ শ্রদ্ধার ফুল হাতে আসা নিরীহ মানুষকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে পুলিশে দেওয়া হচ্ছে, কারণ বিএনপি ও তাদের সহযোগী অপশক্তি জনস্রোতকে ভয় পায়। কিন্তু তারা ভুলে গেছে—বাঙালির হৃদয়ে যে নাম গাঁথা আছে, তা পুলিশ ও পেটুয়া বাহিনী দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়। কয়জন বাঙালিকে জেল-জুলুমের ভয় দেখাবে? ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করেনি, তোমাদেরও করবে না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ