৪৮ মেগাওয়াট চাহিদা, ৩৪ সরবরাহ, বাকিটা বিএনপির ‘ঐতিহাসিক’ অজুহাত!

ময়মনসিংহে গত শনিবার রাতে একই রাতে চারবার বিদ্যুৎ গেছে। রাত ১টা ১০ মিনিটে গেল, ফিরল আড়াইটায়, দেড় ঘণ্টা পর। এরপর ভোর সাড়ে ৪টায় আবার, সকাল সাড়ে ৬টায় আরেকবার। একটা রাতে চারবার অন্ধকার, এ কেমন ফাত্রামি জনগণের সাথে?

পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী নিজেই স্বীকার করেছেন, দক্ষিণ বিতরণ কেন্দ্রে চাহিদা ছিল ৪৮ মেগাওয়াট, সরবরাহ ছিল মাত্র ৩৪। ঘাটতি ১৪ মেগাওয়াট, মানে চাহিদার প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ। এটা কোনো আকস্মিক বিপর্যয় না। বাংলাদেশে জুলাই মাসে গরম পড়বে, এটা জানতে আবহাওয়াবিদ লাগে না, এটা প্রতি বছরের বাস্তবতা। ছয় মাস ক্ষমতায় থেকেও এই পূর্বানুমেয় চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা তৈরি করতে না পারা মানে পরিকল্পনার ঘাটতি, দুর্যোগ না।

আর উত্তর কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায় তো জবাবই দিলেন না, বললেন পরে জানাবেন, তারপর ফোন কেটে দিলেন। জনগণের করের টাকায় বেতন পাওয়া একজন কর্মকর্তার কাছে এলাকাবাসীর প্রশ্নের উত্তর নেই, এই জবাবদিহিহীনতাই আসল রোগ।

ময়মনসিংহে গত শনিবার রাতে একই রাতে চারবার বিদ্যুৎ গেছে। রাত ১টা ১০ মিনিটে গেল, ফিরল আড়াইটায়, দেড় ঘণ্টা পর। এরপর ভোর সাড়ে ৪টায় আবার, সকাল সাড়ে ৬টায় আরেকবার। একটা রাতে চারবার অন্ধকার, এ কেমন ফাত্রামি জনগণের সাথে?

পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী নিজেই স্বীকার করেছেন, দক্ষিণ বিতরণ কেন্দ্রে চাহিদা ছিল ৪৮ মেগাওয়াট, সরবরাহ ছিল মাত্র ৩৪। ঘাটতি ১৪ মেগাওয়াট, মানে চাহিদার প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ। এটা কোনো আকস্মিক বিপর্যয় না। বাংলাদেশে জুলাই মাসে গরম পড়বে, এটা জানতে আবহাওয়াবিদ লাগে না, এটা প্রতি বছরের বাস্তবতা। ছয় মাস ক্ষমতায় থেকেও এই পূর্বানুমেয় চাহিদা মেটানোর সক্ষমতা তৈরি করতে না পারা মানে পরিকল্পনার ঘাটতি, দুর্যোগ না।

আর উত্তর কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সুব্রত রায় তো জবাবই দিলেন না, বললেন পরে জানাবেন, তারপর ফোন কেটে দিলেন। জনগণের করের টাকায় বেতন পাওয়া একজন কর্মকর্তার কাছে এলাকাবাসীর প্রশ্নের উত্তর নেই, এই জবাবদিহিহীনতাই আসল রোগ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ