মামলা বাণিজ্য বন্ধ হতেই এসপি হয়ে গেলেন ফ্যাসিস্ট, বিএনপির নতুন রাজনীতি এটাই!

কুমিল্লার এক আলোচনা সভায় পুলিশ সুপারের সামনে দাঁড়িয়ে ছাত্রদলের এক নেতা যেভাবে গলা ফাটিয়ে অভিযোগ ছুড়লেন, তাতে একটা জিনিস পরিষ্কার হয়ে গেল। ক্ষমতায় বসেই বিএনপির নেতাকর্মীরা সেই পুরনো অভ্যাসে ফিরে গেছেন। প্রশাসনকে হুকুম দেওয়া, পছন্দ না হলেই কাউকে ফ্যাসিস্ট বলে দাগিয়ে দেওয়া, এটা তো একসময়ের অতি পরিচিত দৃশ্য। এখন সেই পুরোনো নাটকই আবার মঞ্চস্থ হচ্ছে, শুধু চরিত্র বদলেছে।

এসপি আনিসুজ্জামান নিজেই আসল কথাটা বলে দিয়েছেন, যাকে পছন্দ হয় না তাকেই ফ্যাসিস্ট বানিয়ে দেওয়া হয়। এখনকার বিএনপির রাজনীতির সারমর্ম এটাই। প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ, চাপ দিয়ে গ্রেপ্তার আদায়ের চেষ্টা, প্রশাসনিক অনুষ্ঠানকে দলীয় মঞ্চ বানিয়ে ফেলা, সবকিছুই যেন অবৈধ এই সরকারের ট্রেডমার্ক হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

মজার ব্যাপার হলো, যে নেতা পুলিশকে ফ্যাসিস্ট তোষণের অভিযোগ তুললেন, তার বিরুদ্ধেই আছে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ। জুলাই দাঙ্গার মামলা নিয়ে টাকা তোলার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়াতেই যে এত চিৎকার, সেটা বুঝতে বিশেষ বুদ্ধি লাগে না। ফ্যাসিবাদবিরোধী স্লোগান এখন অনেকের কাছে আসলে ব্যবসার নতুন পুঁজি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০০১-০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির আমলে থানায় থানায় দলীয় দাপট, প্রশাসনকে নিজেদের চাকর ভাবার মানসিকতা যা দেখা গিয়েছিল, তারই পুনরাবৃত্তি এখন দেখা যাচ্ছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মতো সরকারি জায়গাতেও। ক্ষমতায় বসতে না বসতেই পুলিশকে প্রকাশ্যে অপমান করার এই স্পর্ধা বলে দেয়, বিএনপি কীভাবে পুরনো রাজনৈতিক দাদাগিরির অভ্যাস ছাড়তে পারছে না এতো বছর পরেও!

কুমিল্লার এক আলোচনা সভায় পুলিশ সুপারের সামনে দাঁড়িয়ে ছাত্রদলের এক নেতা যেভাবে গলা ফাটিয়ে অভিযোগ ছুড়লেন, তাতে একটা জিনিস পরিষ্কার হয়ে গেল। ক্ষমতায় বসেই বিএনপির নেতাকর্মীরা সেই পুরনো অভ্যাসে ফিরে গেছেন। প্রশাসনকে হুকুম দেওয়া, পছন্দ না হলেই কাউকে ফ্যাসিস্ট বলে দাগিয়ে দেওয়া, এটা তো একসময়ের অতি পরিচিত দৃশ্য। এখন সেই পুরোনো নাটকই আবার মঞ্চস্থ হচ্ছে, শুধু চরিত্র বদলেছে।

এসপি আনিসুজ্জামান নিজেই আসল কথাটা বলে দিয়েছেন, যাকে পছন্দ হয় না তাকেই ফ্যাসিস্ট বানিয়ে দেওয়া হয়। এখনকার বিএনপির রাজনীতির সারমর্ম এটাই। প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ, চাপ দিয়ে গ্রেপ্তার আদায়ের চেষ্টা, প্রশাসনিক অনুষ্ঠানকে দলীয় মঞ্চ বানিয়ে ফেলা, সবকিছুই যেন অবৈধ এই সরকারের ট্রেডমার্ক হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

মজার ব্যাপার হলো, যে নেতা পুলিশকে ফ্যাসিস্ট তোষণের অভিযোগ তুললেন, তার বিরুদ্ধেই আছে মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ। জুলাই দাঙ্গার মামলা নিয়ে টাকা তোলার সুযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়াতেই যে এত চিৎকার, সেটা বুঝতে বিশেষ বুদ্ধি লাগে না। ফ্যাসিবাদবিরোধী স্লোগান এখন অনেকের কাছে আসলে ব্যবসার নতুন পুঁজি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০০১-০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির আমলে থানায় থানায় দলীয় দাপট, প্রশাসনকে নিজেদের চাকর ভাবার মানসিকতা যা দেখা গিয়েছিল, তারই পুনরাবৃত্তি এখন দেখা যাচ্ছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মতো সরকারি জায়গাতেও। ক্ষমতায় বসতে না বসতেই পুলিশকে প্রকাশ্যে অপমান করার এই স্পর্ধা বলে দেয়, বিএনপি কীভাবে পুরনো রাজনৈতিক দাদাগিরির অভ্যাস ছাড়তে পারছে না এতো বছর পরেও!

আরো পড়ুন

সর্বশেষ