হাতুড়ির নিচে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান, আর বিএনপি-জামাতের প্রশাসনের মুখে শুধু “জানি না”

একজন বীরশ্রেষ্ঠের ভাস্কর্য দিনের আলোয় ভাঙা হচ্ছে, শ্রমিক আছে, হাতুড়ি আছে, শুধু নেই কোনো জবাবদিহি। ঝিনাইদহ পৌরসভা বলছে জানে না, জেলা প্রশাসক বলছেন তার দপ্তর করছে না, সড়ক বিভাগ বলছে খবর নেই, এমপি সাহেব ঢাকায় ব্যস্ত। একজন বীরশ্রেষ্ঠের স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙা পড়ছে অথচ রাষ্ট্রযন্ত্রের কোনো অংশ এর মালিকানা স্বীকার করছে না, এটা অবহেলা না, এটাই এই অবৈধ দখলদার সরকারের রাজনৈতিক বিশ্বাসের ভিত্তিমূল।

যে দুইটি রাজনৈতিক শক্তি আজ ক্ষমতার চেয়ারে বসে আছে বাংলাদেশের, তাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক রক্ষা করা কখনোই অগ্রাধিকার ছিল না। জামাতের ইতিহাস তো নতুন করে বলার কিছু নেই, একাত্তরে যারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, দালালি করেছিল, আজ তারাই রাষ্ট্রক্ষমতার ভাগীদার। আর বিএনপি প্রশ্ন করলে শুধু কাঁধ ঝাঁকায়, দায় এড়িয়ে যায়, যেন এটা তাদের সমস্যাই না।

একটা জেলা শহরের প্রবেশমুখে থাকা স্মৃতিস্তম্ভ কোনো ইটপাথরের কাঠামো না, এটা একটা জাতির স্মৃতি, একটা আত্মত্যাগের সাক্ষী। সেটা নীরবে ভেঙে ফেলা যায়, আর ক্ষমতায় থাকা কেউ টুঁ শব্দ করে না, এই নীরবতাটাই আসল উত্তর।

একজন বীরশ্রেষ্ঠের ভাস্কর্য দিনের আলোয় ভাঙা হচ্ছে, শ্রমিক আছে, হাতুড়ি আছে, শুধু নেই কোনো জবাবদিহি। ঝিনাইদহ পৌরসভা বলছে জানে না, জেলা প্রশাসক বলছেন তার দপ্তর করছে না, সড়ক বিভাগ বলছে খবর নেই, এমপি সাহেব ঢাকায় ব্যস্ত। একজন বীরশ্রেষ্ঠের স্মৃতিস্তম্ভ ভাঙা পড়ছে অথচ রাষ্ট্রযন্ত্রের কোনো অংশ এর মালিকানা স্বীকার করছে না, এটা অবহেলা না, এটাই এই অবৈধ দখলদার সরকারের রাজনৈতিক বিশ্বাসের ভিত্তিমূল।

যে দুইটি রাজনৈতিক শক্তি আজ ক্ষমতার চেয়ারে বসে আছে বাংলাদেশের, তাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক রক্ষা করা কখনোই অগ্রাধিকার ছিল না। জামাতের ইতিহাস তো নতুন করে বলার কিছু নেই, একাত্তরে যারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, দালালি করেছিল, আজ তারাই রাষ্ট্রক্ষমতার ভাগীদার। আর বিএনপি প্রশ্ন করলে শুধু কাঁধ ঝাঁকায়, দায় এড়িয়ে যায়, যেন এটা তাদের সমস্যাই না।

একটা জেলা শহরের প্রবেশমুখে থাকা স্মৃতিস্তম্ভ কোনো ইটপাথরের কাঠামো না, এটা একটা জাতির স্মৃতি, একটা আত্মত্যাগের সাক্ষী। সেটা নীরবে ভেঙে ফেলা যায়, আর ক্ষমতায় থাকা কেউ টুঁ শব্দ করে না, এই নীরবতাটাই আসল উত্তর।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ