গ্রামে গ্রামে বোমার গর্জন, ফের জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্য হতে চলেছে বাংলাদেশ?

মাদারীপুর সদরের ঘটমাঝি ইউনিয়নে বুধবার সন্ধ্যায় একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে শক্তিশালী হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। যে ঘরটিতে সাত বছর ধরে কোনো মানুষ ঢোকেনি, সেখানেই মজুত ছিল প্রাণঘাতী বিস্ফোরক। ঘরের চাল আর বেড়ার বড় অংশ উড়ে গেলেও অলৌকিকভাবে প্রাণহানি ঘটেনি। তবে এই ঘটনা যেন এক নিভৃত গ্রামীণ জনপদকেও মনে করিয়ে দিল, জনগণের চারপাশের রাষ্ট্রের বর্তমান ক্ষমতাসীনদের তথাকথিত নিরাপত্তার বয়ান কতটা ফাঁপা!

পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত করেছে, বিস্ফোরণটি ঘটেছে হাতবোমা থেকে। সন্ধ্যায় বিকট শব্দে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে দেখেন ধোঁয়া উঠছে, টিনের চাল ভেঙে মাটিতে ছিটকে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘুম কেড়ে নেওয়ার মতো এই ঘটনার পর থেকেই এলাকাজুড়ে বইছে চরম আতঙ্ক। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে মাদারীপুর সদর মডেল থানার পুলিশ, বাড়ানো হয়েছে টহল। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, কারা এবং কেন একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে বিস্ফোরক মজুত করেছিল?

এই বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। জাতিসংঘ ইতোমধ্যে বাংলাদেশে আল-কায়দার মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীর উত্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে মাদারীপুরের নির্জন গ্রামে হাতবোমা বিস্ফোরণ নিছক দুর্ঘটনা হতে পারে না। এ এক স্পষ্ট বার্তা, আবারও দেশজুড়ে অস্থিতিশীলতার নীলনকশা তৈরি হচ্ছে। অথচ দায়িত্বে থাকা মানুষেরা গা বাঁচিয়ে চলছেন, নিরাপত্তা নিয়ে শুধু মিথ্যে আশ্বাস দিচ্ছেন।

যে বিএনপি-জামাত জোট একবার ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দেশকে জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছিল, সেই চেনা ছক আবারো মিলতে শুরু করেছে। ২০২৬ সালের আগস্টে দাঁড়িয়ে মানুষ টের পাচ্ছে, ফিরে আসছে সেই বিভীষিকাময় দিন। সিরিজ বোমা হামলা আর অগ্নিসন্ত্রাসের স্মৃতি এখনো তাজা, তার ওপর নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে গোপন সশস্ত্র তৎপরতা।

মাদারীপুর সদরের ঘটমাঝি ইউনিয়নে বুধবার সন্ধ্যায় একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে শক্তিশালী হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। যে ঘরটিতে সাত বছর ধরে কোনো মানুষ ঢোকেনি, সেখানেই মজুত ছিল প্রাণঘাতী বিস্ফোরক। ঘরের চাল আর বেড়ার বড় অংশ উড়ে গেলেও অলৌকিকভাবে প্রাণহানি ঘটেনি। তবে এই ঘটনা যেন এক নিভৃত গ্রামীণ জনপদকেও মনে করিয়ে দিল, জনগণের চারপাশের রাষ্ট্রের বর্তমান ক্ষমতাসীনদের তথাকথিত নিরাপত্তার বয়ান কতটা ফাঁপা!

পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত করেছে, বিস্ফোরণটি ঘটেছে হাতবোমা থেকে। সন্ধ্যায় বিকট শব্দে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে দেখেন ধোঁয়া উঠছে, টিনের চাল ভেঙে মাটিতে ছিটকে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘুম কেড়ে নেওয়ার মতো এই ঘটনার পর থেকেই এলাকাজুড়ে বইছে চরম আতঙ্ক। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে মাদারীপুর সদর মডেল থানার পুলিশ, বাড়ানো হয়েছে টহল। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, কারা এবং কেন একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে বিস্ফোরক মজুত করেছিল?

এই বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। জাতিসংঘ ইতোমধ্যে বাংলাদেশে আল-কায়দার মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীর উত্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে। ঠিক সেই প্রেক্ষাপটে মাদারীপুরের নির্জন গ্রামে হাতবোমা বিস্ফোরণ নিছক দুর্ঘটনা হতে পারে না। এ এক স্পষ্ট বার্তা, আবারও দেশজুড়ে অস্থিতিশীলতার নীলনকশা তৈরি হচ্ছে। অথচ দায়িত্বে থাকা মানুষেরা গা বাঁচিয়ে চলছেন, নিরাপত্তা নিয়ে শুধু মিথ্যে আশ্বাস দিচ্ছেন।

যে বিএনপি-জামাত জোট একবার ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দেশকে জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত করেছিল, সেই চেনা ছক আবারো মিলতে শুরু করেছে। ২০২৬ সালের আগস্টে দাঁড়িয়ে মানুষ টের পাচ্ছে, ফিরে আসছে সেই বিভীষিকাময় দিন। সিরিজ বোমা হামলা আর অগ্নিসন্ত্রাসের স্মৃতি এখনো তাজা, তার ওপর নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে গোপন সশস্ত্র তৎপরতা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ