বাংলাদেশ জুড়ে একটা প্রশ্নই ঘুরছে এখন, বিএনপি জামাতের এই সরকার এত ভয় পায় কেন একটা কণ্ঠস্বরকে? এত ভয় পায় কেন এক নারীর সাহসী উচ্চারণকে? ট্রাইব্যুনালের নামে যে নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে তার আড়ালে যে কাপুরুষতা লুকিয়ে আছে সেটা এখন পানির মতো স্বচ্ছ।
শেখ হাসিনা মোটেও পলাতক নন। শেখ হাসিনা জনগণের হৃদয়ে অধিষ্ঠিত এক অবিনাশী সত্য। আপনারা বক্তব্য আটকাবেন, বিবৃতি বন্ধ করবেন, গণমাধ্যমকে রুদ্ধ করবেন, অথচ ইতিহাসকে আটকাবেন কী করে? যে ইতিহাস বলে, ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত এই দেশ অন্ধকারে ডুবে ছিল জামাতের বোমায় আর বিএনপির দুঃশাসনে। সেই অধ্যায়ের দায়ের ভয় কি এখনও তাড়া করে বেড়ায় ক্ষমতাসীনদেরকে?
সত্য বলার অপরাধে বিচার করতে বসেছে সেই চক্রান্তকারীরা, যাদের হাত দেশের মাটি আর মানুষের রক্তে রঞ্জিত। দেশের বিচারব্যবস্থাকে নিলামে তুলে শেখ হাসিনাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর এই খেলা কতদিন চলবে। আদালতের নির্দেশনার দোহাই দিয়ে যে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে এটা ফ্যাসিবাদ, এই ঢাকঢোল পিটিয়ে কি আপনারা ইতিহাসের রায় থেকে বাঁচতে পারবেন?
গণতন্ত্রের জন্য যিনি কারাভোগ করেছেন, প্রিয়জন হারিয়েছেন, আত্মগোপনে কাটিয়েছেন জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়, তাঁকে নিশ্চুপ করে রাতের আঁধারে পাকিস্তানি দর্শনের চোরাগোপ্তা হামলার দিন ফিরিয়ে আনতে চায় একাত্তরের পরাজিত শক্তি। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না, শেখ হাসিনার বক্তব্য চুপ করিয়ে দেয়া মানে এই মাটির কোটি কোটি মানুষের কণ্ঠ কেড়ে নেওয়া। সেই চেষ্টা আগেও ব্যর্থ হয়েছে, এবারও হবে।

