আদ-দ্বীন হাসপাতাল : ধর্মের আবরণে মৃত্যুর ব্যবসা চলছে যেখানে

ঈদের দুই দিন আগে আট মাসের গর্ভবতী এক নারীকে ভর্তি করা হয় আদ-দ্বীন হাসপাতালে। দুই দিন ধরে যন্ত্রণায় ছটফট করার পর জোর করে নরমাল ডেলিভারি করানো হয়। জন্মের পরপরই শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত নবজাতককে পাঠানো হয় এনআইসিইউতে। সেখান থেকে আর ফেরেনি সে।

এনআইসিইউতে দক্ষ নার্স বা চিকিৎসক নেই, আছে আয়া আর পরিচ্ছন্নতাকর্মী। সুস্থ আর অসুস্থ শিশু একই ঘরে। নবজাতকের নাক-মুখের টেপ ছেঁড়া হয় হ্যাঁচকা টানে। রাত ১২টায় ফোন এলো, বাচ্চার অবস্থা আশঙ্কাজনক, লাইফ সাপোর্ট দরকার। বাবা-মা সম্মতি দিলেন, ছুটলেন হাসপাতালে। কিন্তু শুধু একটা কাগজে সই নেওয়ার জন্য দুই ঘণ্টা আটকে রাখা হলো লাইফ সাপোর্ট। রাত ৩টায় শিশুটি মারা গেল।

মৃত শিশুকে জড়ানোর জন্য একটা কাপড় চাইলেন বাবা। হাসপাতাল দিতে অস্বীকার করল। শেষে চিৎকার করে একটা পুরনো নেকড়া কেড়ে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন তারা।

এটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। একই সময়ে এই হাসপাতালের এনআইসিইউতে মোট ছয়টি নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে হাসপাতালের মূল ভবনের ভেতরেই চলছে একটি বাণিজ্যিক বেকারি, সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই আর এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেমের পাশেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এতদিন ধরে এই অবস্থা চলল কীভাবে? নিয়মিত তদারকি কোথায় ছিল? লাইসেন্স নবায়নের সময় কেউ ভেতরে খেয়াল করেনি কেন? ছয়টি শিশু মারা যাওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন হয়, এটা স্রেফ লোক দেখানো বাটপারি।

বিএনপি-জামাত গং এখন ক্ষমতায়, দেশের হাসপাতালগুলোর নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা তাদেরই দায়িত্ব, তাই না? সেই দায়িত্ব পালন হয়নি বলেই আজ একটা বাবাকে মৃত সন্তানকে পুরনো নেকড়ায় জড়িয়ে রাতের অন্ধকারে বাড়ি ফিরতে হয়েছে।

ঈদের দুই দিন আগে আট মাসের গর্ভবতী এক নারীকে ভর্তি করা হয় আদ-দ্বীন হাসপাতালে। দুই দিন ধরে যন্ত্রণায় ছটফট করার পর জোর করে নরমাল ডেলিভারি করানো হয়। জন্মের পরপরই শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত নবজাতককে পাঠানো হয় এনআইসিইউতে। সেখান থেকে আর ফেরেনি সে।

এনআইসিইউতে দক্ষ নার্স বা চিকিৎসক নেই, আছে আয়া আর পরিচ্ছন্নতাকর্মী। সুস্থ আর অসুস্থ শিশু একই ঘরে। নবজাতকের নাক-মুখের টেপ ছেঁড়া হয় হ্যাঁচকা টানে। রাত ১২টায় ফোন এলো, বাচ্চার অবস্থা আশঙ্কাজনক, লাইফ সাপোর্ট দরকার। বাবা-মা সম্মতি দিলেন, ছুটলেন হাসপাতালে। কিন্তু শুধু একটা কাগজে সই নেওয়ার জন্য দুই ঘণ্টা আটকে রাখা হলো লাইফ সাপোর্ট। রাত ৩টায় শিশুটি মারা গেল।

মৃত শিশুকে জড়ানোর জন্য একটা কাপড় চাইলেন বাবা। হাসপাতাল দিতে অস্বীকার করল। শেষে চিৎকার করে একটা পুরনো নেকড়া কেড়ে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন তারা।

এটা একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা না। একই সময়ে এই হাসপাতালের এনআইসিইউতে মোট ছয়টি নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে হাসপাতালের মূল ভবনের ভেতরেই চলছে একটি বাণিজ্যিক বেকারি, সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই আর এয়ার কন্ডিশনিং সিস্টেমের পাশেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এতদিন ধরে এই অবস্থা চলল কীভাবে? নিয়মিত তদারকি কোথায় ছিল? লাইসেন্স নবায়নের সময় কেউ ভেতরে খেয়াল করেনি কেন? ছয়টি শিশু মারা যাওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন হয়, এটা স্রেফ লোক দেখানো বাটপারি।

বিএনপি-জামাত গং এখন ক্ষমতায়, দেশের হাসপাতালগুলোর নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা তাদেরই দায়িত্ব, তাই না? সেই দায়িত্ব পালন হয়নি বলেই আজ একটা বাবাকে মৃত সন্তানকে পুরনো নেকড়ায় জড়িয়ে রাতের অন্ধকারে বাড়ি ফিরতে হয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ