তোফায়েল আহমেদের জানাজা শেষে জয় বাংলা স্লোগান, কাঁপন ধরেছে তারেকের মসনদে

উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম শীর্ষ সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা শেষে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আকস্মিক ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ও মিছিলের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন, এই ঝোড়ো স্লোগান ও আকস্মিক মিছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মসনদে রীতিমতো কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে ইতিমধ্যে সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার মাগরিবের নামাজের পর রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পরপরই সেখানে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি হঠাৎ করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সেখানে একটি ঝটিকা মিছিল বের করার চেষ্টা করা হয়।

রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তোফায়েল আহমেদের মতো একজন কিংবদন্তি আওয়ামী লীগ নেতার বিদায়ের দিনে এই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভিন্ন বার্তা বহন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই আকস্মিক স্লোগান ও সাহসিকতা তারেক রহমানের রাজনৈতিক মসনদ ও ভবিষ্যৎ সমীকরণকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। ধোঁয়াশাচ্ছন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই এক স্লোগানই তারেক শিবিরের আত্মবিশ্বাসে বড় ফাটল ধরাতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

এর আগে, আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

পারিবারিক সূত্র জানায়, তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদ্‌রোগ ও চরম শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে আজ তিনি পাড়ি জমালেন না-ফেরার দেশে। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

তার এই আকস্মিক প্রস্থানে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তেমনি তাঁর জানাজাকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ দেশের রাজনীতিকে নতুন কোনো মোড়ের দিকে নিয়ে যায় কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম শীর্ষ সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা শেষে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আকস্মিক ‘জয় বাংলা’ স্লোগান ও মিছিলের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন, এই ঝোড়ো স্লোগান ও আকস্মিক মিছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মসনদে রীতিমতো কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে ইতিমধ্যে সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ সোমবার মাগরিবের নামাজের পর রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা সম্পন্ন হওয়ার পরপরই সেখানে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি হঠাৎ করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং সেখানে একটি ঝটিকা মিছিল বের করার চেষ্টা করা হয়।

রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তোফায়েল আহমেদের মতো একজন কিংবদন্তি আওয়ামী লীগ নেতার বিদায়ের দিনে এই ‘জয় বাংলা’ স্লোগান বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভিন্ন বার্তা বহন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই আকস্মিক স্লোগান ও সাহসিকতা তারেক রহমানের রাজনৈতিক মসনদ ও ভবিষ্যৎ সমীকরণকে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে। ধোঁয়াশাচ্ছন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই এক স্লোগানই তারেক শিবিরের আত্মবিশ্বাসে বড় ফাটল ধরাতে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

এর আগে, আজ সোমবার বেলা সাড়ে তিনটায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

পারিবারিক সূত্র জানায়, তোফায়েল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদ্‌রোগ ও চরম শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে আজ তিনি পাড়ি জমালেন না-ফেরার দেশে। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

তার এই আকস্মিক প্রস্থানে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তেমনি তাঁর জানাজাকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ দেশের রাজনীতিকে নতুন কোনো মোড়ের দিকে নিয়ে যায় কি না, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ