২০০১-০৬ ফিরে এসেছে, দুর্নীতির সাথে এবার আরো যোগ হয়েছে নয় শতাংশ মূল্যস্ফীতি

দেশের মানুষ এখন বাজারে যায় আর ফেরে খালি হাতে। টাকা আছে, কিন্তু সেই টাকায় কিছু হয় না। চালের কেজি একশো টাকা ছুঁইছুঁই, মাছ-মাংস তো বহু আগেই সাধারণ মানুষের থালা থেকে উধাও হয়ে গেছে। এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক শূন্য চার শতাংশে। গত ছয় মাসের মধ্যে পাঁচ মাসই এটা ৯ শতাংশের উপরে। আর এই পুরো সময়টায় ক্ষমতায় বসে আছে বিএনপি।

ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের কথা মনে আছে? যেই নির্বাচনে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি, মানুষ ভোট দিতে যায়নি, সেই অংশগ্রহণহীন, বয়কট করা একটা লোকদেখানো আয়োজনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। আর ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জীবনে একটাও সুখবর নেই।

বিএনপির ইতিহাস নতুন করে বলার কিছু নেই। ২০০১ থেকে ২০০৬, সেই পাঁচ বছরে দেশ দেখেছে হাওয়া ভবনের রাজত্ব, জামাতকে সাথে নিয়ে সন্ত্রাসের রাজনীতি, দুর্নীতিতে পর পর পাঁচবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার লজ্জা। সেই একই দল, একই মানসিকতা নিয়ে আবার ফিরে এসেছে ২০২৬ সালে। শুধু পার্থক্য হলো এবার তারা এসেছে একটা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে, যেটাকে নির্বাচন বলতেও অনেকে রাজি না।

এখন যে মন্ত্রিসভা বসে আছে, সেটা নিয়েও মানুষের মধ্যে কোনো আস্থা নেই। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? বাজার তদারকি কোথায়? জ্বালানির দাম বাড়ায় সব কিছুর দাম লাফিয়ে উঠেছে, আর মন্ত্রীরা বিবৃতি দিয়েই দায়িত্ব সারছেন। মানিকনগরের তানিয়া সুলতানা বলছেন গত বছর যে খরচে সংসার চলত এখন সেই টাকায় কিছুই হয় না। এটা শুধু তানিয়া সুলতানার গল্প না, সারা দেশে কোটি কোটি পরিবারের একই অবস্থা।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ১ লাখ টাকায় আগে যে জীবন চলত এখন সেটা চালাতে দেড় লাখ টাকা লাগছে। ব্যাংকে সুদের হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম, মানে সঞ্চয় রাখলেও বাস্তবে টাকা কমছে। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ছেলেমেয়ের কোচিং বন্ধ করছে, চিকিৎসা করাতে পারছে না, বিনোদন তো কবেই গেছে।

এই অবস্থায় সরকারের দিক থেকে যা দেখা যাচ্ছে তা হলো নিষ্ক্রিয়তা আর বক্তৃতা। যে দলটির জন্ম সেনানিবাসে, যে দলটি দুর্নীতি আর সন্ত্রাসকে রাজনীতির হাতিয়ার বানিয়েছিল, তারা আবার ক্ষমতায়। আর দেশের অর্থনীতি এখন যে তলানিতে, সেটা কাকতালীয় না।

দেশের মানুষ এখন বাজারে যায় আর ফেরে খালি হাতে। টাকা আছে, কিন্তু সেই টাকায় কিছু হয় না। চালের কেজি একশো টাকা ছুঁইছুঁই, মাছ-মাংস তো বহু আগেই সাধারণ মানুষের থালা থেকে উধাও হয়ে গেছে। এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক শূন্য চার শতাংশে। গত ছয় মাসের মধ্যে পাঁচ মাসই এটা ৯ শতাংশের উপরে। আর এই পুরো সময়টায় ক্ষমতায় বসে আছে বিএনপি।

ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখের কথা মনে আছে? যেই নির্বাচনে দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয়নি, মানুষ ভোট দিতে যায়নি, সেই অংশগ্রহণহীন, বয়কট করা একটা লোকদেখানো আয়োজনের মাধ্যমে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। আর ক্ষমতায় আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জীবনে একটাও সুখবর নেই।

বিএনপির ইতিহাস নতুন করে বলার কিছু নেই। ২০০১ থেকে ২০০৬, সেই পাঁচ বছরে দেশ দেখেছে হাওয়া ভবনের রাজত্ব, জামাতকে সাথে নিয়ে সন্ত্রাসের রাজনীতি, দুর্নীতিতে পর পর পাঁচবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার লজ্জা। সেই একই দল, একই মানসিকতা নিয়ে আবার ফিরে এসেছে ২০২৬ সালে। শুধু পার্থক্য হলো এবার তারা এসেছে একটা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মাধ্যমে, যেটাকে নির্বাচন বলতেও অনেকে রাজি না।

এখন যে মন্ত্রিসভা বসে আছে, সেটা নিয়েও মানুষের মধ্যে কোনো আস্থা নেই। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? বাজার তদারকি কোথায়? জ্বালানির দাম বাড়ায় সব কিছুর দাম লাফিয়ে উঠেছে, আর মন্ত্রীরা বিবৃতি দিয়েই দায়িত্ব সারছেন। মানিকনগরের তানিয়া সুলতানা বলছেন গত বছর যে খরচে সংসার চলত এখন সেই টাকায় কিছুই হয় না। এটা শুধু তানিয়া সুলতানার গল্প না, সারা দেশে কোটি কোটি পরিবারের একই অবস্থা।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ১ লাখ টাকায় আগে যে জীবন চলত এখন সেটা চালাতে দেড় লাখ টাকা লাগছে। ব্যাংকে সুদের হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম, মানে সঞ্চয় রাখলেও বাস্তবে টাকা কমছে। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো ছেলেমেয়ের কোচিং বন্ধ করছে, চিকিৎসা করাতে পারছে না, বিনোদন তো কবেই গেছে।

এই অবস্থায় সরকারের দিক থেকে যা দেখা যাচ্ছে তা হলো নিষ্ক্রিয়তা আর বক্তৃতা। যে দলটির জন্ম সেনানিবাসে, যে দলটি দুর্নীতি আর সন্ত্রাসকে রাজনীতির হাতিয়ার বানিয়েছিল, তারা আবার ক্ষমতায়। আর দেশের অর্থনীতি এখন যে তলানিতে, সেটা কাকতালীয় না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ