কোরবানির হাটে এবার নতুন হিসাব। ট্রাকপ্রতি না, এখন গরুপ্রতি চাঁদা। উত্তরা থেকে তেজগাঁও, কমলাপুর থেকে গাবতলী, সর্বত্র একই দৃশ্য। প্রতিটি গরুর পেছনে গুনতে হচ্ছে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকা। হিসাব করলে দাঁড়ায় প্রায় ১৯৫ কোটি টাকা, সবটাই সিন্ডিকেটের পকেটে।
চুয়াডাঙ্গার যে খামারি ২০ বছর ধরে ঢাকায় গরু আনছেন, তিনিও বলছেন এমন দেখেননি। এটা কি আসলেই তিনি দেখেননি? নাকি ভুলে গেছেন ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই পাঁচটা বছর?
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। বড় দলগুলো বাইরে, ভোট হলো ঘরের মধ্যে, নিজেরা নিজেরা। সেই ভোটে ক্ষমতায় এলো জিয়াউর রহমানের সেনানিবাসে জন্ম নেওয়া দলটা, সাথে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াত। ক্ষমতায় বসতে না বসতেই চেনা ছবি ফিরে এলো।
রাজনীতিবিদ, প্রশাসন আর ক্যাডার মিলে যে সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, সেটা কোনো আকস্মিক ঘটনা না। এটা বিএনপি-জামায়াতের পুরনো মডেল, শুধু প্যাকেজিং একটু বদলেছে। আগে নাম ছিল চাঁদাবাজ, এখন নাম “মার্কেট সদস্য”। চাঁদাবাজি আর বিএনপি, দুটো শব্দ আলাদা করা যায়নি কখনো, আর যাবেও না।

