বিএনপি-জামাতের সংকেতে হিন্দু সম্প্রদায়ের ৫৩ বছরের পারিবারিক ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান দখল!

নবাবগঞ্জের বাগমারা বাজারে সুভাষ চন্দ্র পালের পরিবার ৫৩ বছর ধরে একটি টিনশেড দোকান চালিয়ে আসছে। বাবা সুধীর চন্দ্র পাল থেকে শুরু করে এখন তার স্ত্রী কেয়া রানী পালের নামে লিজ থাকা এই দোকানের লিজ মানি সরকারি কোষাগারে জমা পড়েছে নিয়মিত। অথচ গত ৪ জুলাই প্রকাশ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে আরিফ খান নামের এক ব্যক্তি তালা ভেঙে মালামাল লুট করে দখল বসায়।

এরপর ভুক্তভোগী থানা, ইউএনও, ডিসি, সংসদ সদস্য সব দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাননি। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে বাধ্য হয়েছেন। এই পুরো ঘটনাই কি প্রমাণ করে না যে ২০২৬ সালের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নাগরিকের সম্পদ রক্ষার কোনো আইনি কাঠামো আর কার্যকর নেই?

সুভাষ চন্দ্র পালের পরিবার বছরে ১৯ হাজার ১১৮ টাকা লিজ মানি দিতেন। অথচ দখলদার আরিফ খানকে দিয়ে নবাবগঞ্জ সহকারী কমিশনার ভূমি কার্যালয় মাত্র ৬ হাজার ৭৯৯ টাকায় ১৪৩১ বাংলা সনের লিজ মানি গ্রহণ করে ফেললেন। ১৪৩২ সনের জন্যও তার নামে লিজ মানি নেওয়া হলো। অথচ ভুক্তভোগী কেয়া রানী পাল ১৪৩৩ সনের লিজ মানি জমা দিতে আবেদন করেও কোনো সাড়া পাচ্ছেন না। প্রশ্নটা এখানেই, যে দোকানের বৈধ ভোগদখলদার এতদিন ধরে লিজ দিয়ে আসছেন, তার আবেদন আটকে রেখে দখলদারকে লিজ দেওয়ার এত তাড়া কেন প্রশাসনের তাতে কার স্বার্থ জড়িত?

এখন ক্ষমতায় বিএনপি আর জামাত। ২০০১-০৬ মেয়াদে সংখ্যালঘুদের ওপর যে সন্ত্রাস নেমে এসেছিল, তার কেন্দ্রীয় চরিত্র ছিল বিএনপি-জামাতের ক্যাডাররাই। সেই বিএনপি-জামাত গংই আজ সরকারের শরিক, আর ক্ষমতার ভাগিদার। ফলে দখল, লুটপাট, উচ্ছেদ, মন্দির ভাঙচুর এসব ঘটনায় প্রশাসন নিশ্চুপ থাকবে, এটাই তো প্রত্যাশিত। কারণ দখলদারদের পেছনে যে শক্তি কাজ করে, তাদের সঙ্গে প্রশাসনের আপস-সমঝোতা এখন প্রকাশ্য দিবালোকের মতো সত্য।

একটা প্রশ্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের থেকে বারবার উঠে আসছে, এই দেশে কি তাদের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নেই ৫৩ বছরের পারিবারিক ব্যবসা, সরকারি লিজ, দলিলপত্র সব থাকার পরও যদি দোকান ফেরত না মেলে, তাহলে সাধারণ নাগরিকের কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট বার্তা আর কী হতে পারে যে এই সরকার আমলে দখলদাররাই নিরাপদ, ভুক্তভোগীরা নয়?

নবাবগঞ্জের বাগমারা বাজারে সুভাষ চন্দ্র পালের পরিবার ৫৩ বছর ধরে একটি টিনশেড দোকান চালিয়ে আসছে। বাবা সুধীর চন্দ্র পাল থেকে শুরু করে এখন তার স্ত্রী কেয়া রানী পালের নামে লিজ থাকা এই দোকানের লিজ মানি সরকারি কোষাগারে জমা পড়েছে নিয়মিত। অথচ গত ৪ জুলাই প্রকাশ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে আরিফ খান নামের এক ব্যক্তি তালা ভেঙে মালামাল লুট করে দখল বসায়।

এরপর ভুক্তভোগী থানা, ইউএনও, ডিসি, সংসদ সদস্য সব দপ্তরে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার পাননি। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে বাধ্য হয়েছেন। এই পুরো ঘটনাই কি প্রমাণ করে না যে ২০২৬ সালের বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নাগরিকের সম্পদ রক্ষার কোনো আইনি কাঠামো আর কার্যকর নেই?

সুভাষ চন্দ্র পালের পরিবার বছরে ১৯ হাজার ১১৮ টাকা লিজ মানি দিতেন। অথচ দখলদার আরিফ খানকে দিয়ে নবাবগঞ্জ সহকারী কমিশনার ভূমি কার্যালয় মাত্র ৬ হাজার ৭৯৯ টাকায় ১৪৩১ বাংলা সনের লিজ মানি গ্রহণ করে ফেললেন। ১৪৩২ সনের জন্যও তার নামে লিজ মানি নেওয়া হলো। অথচ ভুক্তভোগী কেয়া রানী পাল ১৪৩৩ সনের লিজ মানি জমা দিতে আবেদন করেও কোনো সাড়া পাচ্ছেন না। প্রশ্নটা এখানেই, যে দোকানের বৈধ ভোগদখলদার এতদিন ধরে লিজ দিয়ে আসছেন, তার আবেদন আটকে রেখে দখলদারকে লিজ দেওয়ার এত তাড়া কেন প্রশাসনের তাতে কার স্বার্থ জড়িত?

এখন ক্ষমতায় বিএনপি আর জামাত। ২০০১-০৬ মেয়াদে সংখ্যালঘুদের ওপর যে সন্ত্রাস নেমে এসেছিল, তার কেন্দ্রীয় চরিত্র ছিল বিএনপি-জামাতের ক্যাডাররাই। সেই বিএনপি-জামাত গংই আজ সরকারের শরিক, আর ক্ষমতার ভাগিদার। ফলে দখল, লুটপাট, উচ্ছেদ, মন্দির ভাঙচুর এসব ঘটনায় প্রশাসন নিশ্চুপ থাকবে, এটাই তো প্রত্যাশিত। কারণ দখলদারদের পেছনে যে শক্তি কাজ করে, তাদের সঙ্গে প্রশাসনের আপস-সমঝোতা এখন প্রকাশ্য দিবালোকের মতো সত্য।

একটা প্রশ্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের থেকে বারবার উঠে আসছে, এই দেশে কি তাদের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নেই ৫৩ বছরের পারিবারিক ব্যবসা, সরকারি লিজ, দলিলপত্র সব থাকার পরও যদি দোকান ফেরত না মেলে, তাহলে সাধারণ নাগরিকের কাছে এর চেয়ে স্পষ্ট বার্তা আর কী হতে পারে যে এই সরকার আমলে দখলদাররাই নিরাপদ, ভুক্তভোগীরা নয়?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ