গ্যাস নেই, গাড়ি বন্ধ, পকেট খালি; তবু জমা দিতে হবে মালিককে

রাজধানীর সিএনজিচালকরা এখন রীতিমতো মহাবিপাকে। গ্যাসের অভাবে অর্ধেকের বেশি স্টেশন বন্ধ, যেগুলো খোলা সেখানেও চাপ এত কম যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়েও মিলছে না জ্বালানি। অথচ গাড়ি চলুক আর না চলুক, মালিকের বরাদ্দ জমা ঠিকই আদায় হচ্ছে।

খিলগাঁও নয়াপাড়ার সিএনজিচালক মোতালেব হোসেন বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় হাজিপাড়া স্টেশনে গ্যাস নিতে সিরিয়াল দেন। রাত ১০টা পর্যন্ত তিনি এগোতে পেরেছেন রামপুরা বাজার পর্যন্ত। এর আগে দুপুরে ডেমরায় ৮০ টাকার গ্যাস নিয়ে ৩৫০ টাকার যাত্রী নিয়ে বসুন্ধরা সিটি, পরে গুলশান-১ যান। কিন্তু বাড্ডা ইউলুপ থেকে নামতেই গ্যাস শেষ। অটো দিয়ে টেনে গাড়ি নিয়ে আবার সিরিয়ালে দাঁড়াতে হয়েছে।

ইনট্রাকো ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষমাণ চালক আলমগীর হোসেনের কথাটাই সবচেয়ে বেদনাদায়ক, “গতকাল ৬০ টাকার গ্যাস পাইছি। ওই গ্যাস দিয়া ১০০০ টাকা ভাড়া মারছি, জমা ১২০০ টাকা। মালিকই খাবে কী, আর আমিই খামু কী।”

রাজধানীর উত্তরার আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, মালিবাগ, মুগদা, বিশ্বরোড, মতিঝিল, মানিকনগর, খিলগাঁও, সবুজবাগ, বনশ্রী, গোড়ান প্রভৃতি এলাকার চিত্র প্রায় একই রকম। কোথাও পাম্প বন্ধ, কোথাও প্রচণ্ড চাপ কম থাকায় ধীরগতিতে সরবরাহ চলছে। ফলে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সড়কে শুধুই অপেক্ষার দৃশ্য।

বাংলাদেশে আবারও ফিরে এসেছে ২০০১-০৬ সালের বিভীষিকাময় পরিস্থিতি। তখনও সিএনজিচালকদের আর্তনাদ ছিল আকাশে বাতাসে, গ্যাস ছিল না, বিদ্যুৎ ছিল না, আর শাসকগোষ্ঠীর চোখে ছিল শুধু ক্ষমতা আর লুটপাটের হিসাব। ২০২৬ সালে এসে সেই দুঃস্বপ্নই যেন আবার বাস্তব হয়ে দেখা দিয়েছে। জামাত-নির্ভর এই সরকারের আমলে জ্বালানি খাতের সুরাহা তো দূরের কথা, জনগণের কষ্টে কারও কোনো মাথাব্যথাই নেই।

সিএনজিচালক কালামের গলায় ক্ষোভ, “গ্যাস সংকট কবে যাবে, কবে ভালোভাবে গাড়ি চালাতে পারবো, কেউ কিছুই বলছে না। গাড়ি চললেও মালিককে জমা দিতে হবে, না চললেও দিতে হবে। সরকারের আমাদের দেখা উচিত।”

কিন্তু এই অবৈধ দখলদার তথাকথিত সরকার কি দেখবে? যে সরকার জামাতের ভরসায় চলছে, তাদের কাছে সাধারণ মানুষের দুর্দিন কখনোই প্রাধান্য পায়নি। শহরের রাস্তায় রাস্তায় চালকদের হাহাকার, পাম্পে পাম্পে লম্বা লাইন আর বাড়ি ফিরতে না পারা হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। যাত্রীরাও ভোগান্তিতে, চালকরাও নিঃস্ব। অথচ দায়িত্বশীলদের কেউ মুখ খুলছেন না।

রাজধানীর সিএনজিচালকরা এখন রীতিমতো মহাবিপাকে। গ্যাসের অভাবে অর্ধেকের বেশি স্টেশন বন্ধ, যেগুলো খোলা সেখানেও চাপ এত কম যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়েও মিলছে না জ্বালানি। অথচ গাড়ি চলুক আর না চলুক, মালিকের বরাদ্দ জমা ঠিকই আদায় হচ্ছে।

খিলগাঁও নয়াপাড়ার সিএনজিচালক মোতালেব হোসেন বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় হাজিপাড়া স্টেশনে গ্যাস নিতে সিরিয়াল দেন। রাত ১০টা পর্যন্ত তিনি এগোতে পেরেছেন রামপুরা বাজার পর্যন্ত। এর আগে দুপুরে ডেমরায় ৮০ টাকার গ্যাস নিয়ে ৩৫০ টাকার যাত্রী নিয়ে বসুন্ধরা সিটি, পরে গুলশান-১ যান। কিন্তু বাড্ডা ইউলুপ থেকে নামতেই গ্যাস শেষ। অটো দিয়ে টেনে গাড়ি নিয়ে আবার সিরিয়ালে দাঁড়াতে হয়েছে।

ইনট্রাকো ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষমাণ চালক আলমগীর হোসেনের কথাটাই সবচেয়ে বেদনাদায়ক, “গতকাল ৬০ টাকার গ্যাস পাইছি। ওই গ্যাস দিয়া ১০০০ টাকা ভাড়া মারছি, জমা ১২০০ টাকা। মালিকই খাবে কী, আর আমিই খামু কী।”

রাজধানীর উত্তরার আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, মালিবাগ, মুগদা, বিশ্বরোড, মতিঝিল, মানিকনগর, খিলগাঁও, সবুজবাগ, বনশ্রী, গোড়ান প্রভৃতি এলাকার চিত্র প্রায় একই রকম। কোথাও পাম্প বন্ধ, কোথাও প্রচণ্ড চাপ কম থাকায় ধীরগতিতে সরবরাহ চলছে। ফলে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সড়কে শুধুই অপেক্ষার দৃশ্য।

বাংলাদেশে আবারও ফিরে এসেছে ২০০১-০৬ সালের বিভীষিকাময় পরিস্থিতি। তখনও সিএনজিচালকদের আর্তনাদ ছিল আকাশে বাতাসে, গ্যাস ছিল না, বিদ্যুৎ ছিল না, আর শাসকগোষ্ঠীর চোখে ছিল শুধু ক্ষমতা আর লুটপাটের হিসাব। ২০২৬ সালে এসে সেই দুঃস্বপ্নই যেন আবার বাস্তব হয়ে দেখা দিয়েছে। জামাত-নির্ভর এই সরকারের আমলে জ্বালানি খাতের সুরাহা তো দূরের কথা, জনগণের কষ্টে কারও কোনো মাথাব্যথাই নেই।

সিএনজিচালক কালামের গলায় ক্ষোভ, “গ্যাস সংকট কবে যাবে, কবে ভালোভাবে গাড়ি চালাতে পারবো, কেউ কিছুই বলছে না। গাড়ি চললেও মালিককে জমা দিতে হবে, না চললেও দিতে হবে। সরকারের আমাদের দেখা উচিত।”

কিন্তু এই অবৈধ দখলদার তথাকথিত সরকার কি দেখবে? যে সরকার জামাতের ভরসায় চলছে, তাদের কাছে সাধারণ মানুষের দুর্দিন কখনোই প্রাধান্য পায়নি। শহরের রাস্তায় রাস্তায় চালকদের হাহাকার, পাম্পে পাম্পে লম্বা লাইন আর বাড়ি ফিরতে না পারা হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। যাত্রীরাও ভোগান্তিতে, চালকরাও নিঃস্ব। অথচ দায়িত্বশীলদের কেউ মুখ খুলছেন না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ