একই মঞ্চে দুমুখো কথা: তারেক রহমান নিজের মিথ্যার কাছে নিজেই ধরা খেলেন যেভাবে!

সতেরো বছরে একটাও গ্যাসকূপ খনন হয়নি, প্রধানমন্ত্রী নিজে খালেদা জিয়ার তথাকথিত জন্মদিনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে এই কথাটা বললেন। অথচ একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনিই বললেন, গ্যাস সংকটের আসল কারণ একটা ভাসমান জাহাজের যান্ত্রিক গোলযোগ। তাহলে কূপ খনন না হওয়ার সাথে সংকটের সম্পর্কটা কোথায়? নিজের মুখেই নিজের দাবি নিজে খণ্ডন করে ফেললেন, অথচ কেউ খেয়ালই করল না।

বাস্তবতা হলো, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশে ১৫৫টা কূপ খনন হয়েছে, ছয়টা নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে, সরবরাহ প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে, পাইপলাইন বেড়েছে দেড় হাজার কিলোমিটারের বেশি, আর যে এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনার কথা প্রধানমন্ত্রী নিজেই বললেন, সেটাও তো এই সময়েই একদম নতুন করে তৈরি। এই হিসাব কারো বানানো গল্প না, খোদ জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নিজের নথিতে লেখা আছে।

আরেকটা মজার তথ্য শুনুন। এই মিথ্যাটা প্রথম যিনি ছড়ালেন, জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, তিনি নিজেই আগে একবার এই মন্ত্রণালয়ে ছিলেন। সেবার নাইকো দুর্নীতিতে দেশের এক বিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতি করে পদত্যাগ করতে হয়েছিল তাকে। এখন সেই একই মানুষের কথাটাই আবার প্রধানমন্ত্রীর মুখে শুনতে হচ্ছে দেশের মানুষকে।

নিজের মন্ত্রণালয়ের কাগজ সামনে থাকতেও এই একই মিথ্যা বারবার বলে যাওয়া, এটা কি নিছক রাজনৈতিক কথার কথা, নাকি জেনেবুঝে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা?

সতেরো বছরে একটাও গ্যাসকূপ খনন হয়নি, প্রধানমন্ত্রী নিজে খালেদা জিয়ার তথাকথিত জন্মদিনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে এই কথাটা বললেন। অথচ একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনিই বললেন, গ্যাস সংকটের আসল কারণ একটা ভাসমান জাহাজের যান্ত্রিক গোলযোগ। তাহলে কূপ খনন না হওয়ার সাথে সংকটের সম্পর্কটা কোথায়? নিজের মুখেই নিজের দাবি নিজে খণ্ডন করে ফেললেন, অথচ কেউ খেয়ালই করল না।

বাস্তবতা হলো, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশে ১৫৫টা কূপ খনন হয়েছে, ছয়টা নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয়েছে, সরবরাহ প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে, পাইপলাইন বেড়েছে দেড় হাজার কিলোমিটারের বেশি, আর যে এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনার কথা প্রধানমন্ত্রী নিজেই বললেন, সেটাও তো এই সময়েই একদম নতুন করে তৈরি। এই হিসাব কারো বানানো গল্প না, খোদ জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নিজের নথিতে লেখা আছে।

আরেকটা মজার তথ্য শুনুন। এই মিথ্যাটা প্রথম যিনি ছড়ালেন, জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, তিনি নিজেই আগে একবার এই মন্ত্রণালয়ে ছিলেন। সেবার নাইকো দুর্নীতিতে দেশের এক বিলিয়ন ডলারের বেশি ক্ষতি করে পদত্যাগ করতে হয়েছিল তাকে। এখন সেই একই মানুষের কথাটাই আবার প্রধানমন্ত্রীর মুখে শুনতে হচ্ছে দেশের মানুষকে।

নিজের মন্ত্রণালয়ের কাগজ সামনে থাকতেও এই একই মিথ্যা বারবার বলে যাওয়া, এটা কি নিছক রাজনৈতিক কথার কথা, নাকি জেনেবুঝে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ