কৃষকের ধান কেনা বন্ধে বিএনপি-মার্কা রাজনীতির জঘন্য পুনরাবৃত্তি!

গাইবান্ধায় বোরো ধানের সরকারি সংগ্রহ অভিযানের নির্ধারিত সময় ছিল ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। অথচ ৯ আগস্ট থেকেই সরকারি গুদামের দরজা বন্ধ! জেলা খাদ্য বিভাগের অদ্ভূত অজুহাত—লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি কেনা হয়ে গেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, মাঠের যে সাধারণ কৃষক এখনো তার কষ্টের ধান নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, সরকারি গুদামে যার ঠাঁই হচ্ছে না, তার দায়ের দায়িত্ব কে নেবে?

বাজারের বাস্তব চিত্র হলো নির্মম। যেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রতি মণ ১,৪৪০ টাকা, সেখানে বাজারে কৃষক বাধ্য হয়ে মোটা ধান বিক্রি করছে মাত্র ৮৫০ টাকায় এবং চিকন ধান ৯৫০ টাকায়! প্রতি মণে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা সরাসরি গায়েব। অথচ কৃষকের গোলায় এখনো প্রায় ৯৮ হাজার মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত ধান জমে আছে।

বিএনপির দুর্নীতিবাজ ও কৃষক-বিরোধী রাজনীতির মূল চরিত্র:

১. কৃষক মারার সিন্ডিকেট রাজত্ব: ইতিহাস সাক্ষী, ২০০১-২০০৬ মেয়াদের সেই অভিশপ্ত শাসনে বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলনে নামা কানসাটের কৃষকদের বুকে সরকারি বুলেটের লাশ উপহার দিয়েছিল বিএনপি। আজ ২০২৬-এ এসেও সেই একই মানসিকতা—কৃষকের ঘামের ধানের ন্যায্যমূল্য না দিয়ে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে পানির দরে সিন্ডিকেটের কাছে ধান বেচে নিঃস্ব হতে।

২. সরকারি গুদামে লাল ফিতা, বাজারে দালালদের উৎসব: সরকার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই কেনাকাটা বন্ধ করে দিয়ে মূলত স্থানীয় দালাল ও ফড়িয়াদের পকেট ভরার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এটি প্রশাসনিক অদক্ষতা নয়, বরং কৃষকের পেটে লাথি মেরে দলীয় সিন্ডিকেট পোষার এক নজিরবিহীন চক্রান্ত।

৩. সংসার ও দেনার দায়ে দিশেহারা কৃষক: মোজাম্মেল, মঞ্জিল বা আমজাদদের মতো হাজারও কৃষক আজ দেনার দায়ে জর্জরিত। ধান বিক্রি করে যাদের সংসার চলে, সন্তান ও পরিবারের আহার জোটে—তাদের এভাবে দেউলিয়া করে দেওয়ার পর সরকারের নীতি নির্ধারকদের নীতিবাক্য শোনানো কেবল ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়।

কৃষকের রক্ত, ঘাম আর চোখের পানি নিয়ে রাজনীতি করা এই লুটেরা ব্যবস্থার অবসান চাই। যে সরকার কৃষকের উদ্বৃত্ত ধানের নিরাপত্তা দিতে পারে না, নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ন্যায্যমূল্যে কেনাকাটা বজায় রাখতে পারে না—তাদের মুখে প্রশাসনিক দক্ষতার বুলি শোভা পায় না। কানসাটের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি; কৃষকের সাথে এই জঘন্য ছিনিমিনি খেলা বন্ধ না হলে এই কৃষকসমাজই আগামীতে সমুচিত জবাব দেবে!

গাইবান্ধায় বোরো ধানের সরকারি সংগ্রহ অভিযানের নির্ধারিত সময় ছিল ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। অথচ ৯ আগস্ট থেকেই সরকারি গুদামের দরজা বন্ধ! জেলা খাদ্য বিভাগের অদ্ভূত অজুহাত—লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি কেনা হয়ে গেছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, মাঠের যে সাধারণ কৃষক এখনো তার কষ্টের ধান নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, সরকারি গুদামে যার ঠাঁই হচ্ছে না, তার দায়ের দায়িত্ব কে নেবে?

বাজারের বাস্তব চিত্র হলো নির্মম। যেখানে সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রতি মণ ১,৪৪০ টাকা, সেখানে বাজারে কৃষক বাধ্য হয়ে মোটা ধান বিক্রি করছে মাত্র ৮৫০ টাকায় এবং চিকন ধান ৯৫০ টাকায়! প্রতি মণে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা সরাসরি গায়েব। অথচ কৃষকের গোলায় এখনো প্রায় ৯৮ হাজার মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত ধান জমে আছে।

বিএনপির দুর্নীতিবাজ ও কৃষক-বিরোধী রাজনীতির মূল চরিত্র:

১. কৃষক মারার সিন্ডিকেট রাজত্ব: ইতিহাস সাক্ষী, ২০০১-২০০৬ মেয়াদের সেই অভিশপ্ত শাসনে বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলনে নামা কানসাটের কৃষকদের বুকে সরকারি বুলেটের লাশ উপহার দিয়েছিল বিএনপি। আজ ২০২৬-এ এসেও সেই একই মানসিকতা—কৃষকের ঘামের ধানের ন্যায্যমূল্য না দিয়ে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে পানির দরে সিন্ডিকেটের কাছে ধান বেচে নিঃস্ব হতে।

২. সরকারি গুদামে লাল ফিতা, বাজারে দালালদের উৎসব: সরকার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই কেনাকাটা বন্ধ করে দিয়ে মূলত স্থানীয় দালাল ও ফড়িয়াদের পকেট ভরার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এটি প্রশাসনিক অদক্ষতা নয়, বরং কৃষকের পেটে লাথি মেরে দলীয় সিন্ডিকেট পোষার এক নজিরবিহীন চক্রান্ত।

৩. সংসার ও দেনার দায়ে দিশেহারা কৃষক: মোজাম্মেল, মঞ্জিল বা আমজাদদের মতো হাজারও কৃষক আজ দেনার দায়ে জর্জরিত। ধান বিক্রি করে যাদের সংসার চলে, সন্তান ও পরিবারের আহার জোটে—তাদের এভাবে দেউলিয়া করে দেওয়ার পর সরকারের নীতি নির্ধারকদের নীতিবাক্য শোনানো কেবল ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়।

কৃষকের রক্ত, ঘাম আর চোখের পানি নিয়ে রাজনীতি করা এই লুটেরা ব্যবস্থার অবসান চাই। যে সরকার কৃষকের উদ্বৃত্ত ধানের নিরাপত্তা দিতে পারে না, নির্ধারিত সময় পর্যন্ত ন্যায্যমূল্যে কেনাকাটা বজায় রাখতে পারে না—তাদের মুখে প্রশাসনিক দক্ষতার বুলি শোভা পায় না। কানসাটের রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি; কৃষকের সাথে এই জঘন্য ছিনিমিনি খেলা বন্ধ না হলে এই কৃষকসমাজই আগামীতে সমুচিত জবাব দেবে!

আরো পড়ুন

সর্বশেষ