রান্না বন্ধ, সংসার অচলের দম বন্ধ শহরে দম নেই শাসকের

রাজধানীজুড়ে সকাল মানেই এখন হোটেলের লাইনে দাঁড়ানো। বাসার চুলায় আগুন নেই, গ্যাস নেই। বনশ্রী থেকে মিরপুর, ধানমন্ডি থেকে রামপুরা সবখানে এক হাল। মানুষ বাধ্য হয়ে ইলেকট্রিক চুলা কিংবা লাকড়ির চুলায় রান্না করছে, আবার অনেকেই সকালের নাস্তার জন্য ভরসা রাখছে হোটেলের পরোটা-ডিমে।

বনশ্রীর একটি হোটেলে নাস্তা নিতে আসা সেলিম জানালেন, দুই সপ্তাহ ধরে সকালের খাবার হোটেলেই সারছেন। গ্যাস দিয়ে রান্না তো দূর, চুলা জ্বলেই না। আব্দুল্লাহ, আকবর, মঞ্জুর রহমান সবার গল্প এক। সংসার চলে, চাকরি থাকে, কিন্তু সকালের রান্নার জন্য গ্যাস থাকে না। বাধ্য হয়ে হোটেলমুখী মানুষজন খরচ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়ছেন।

গৃহিণীদের অবস্থা আরও করুন। বনশ্রীর আসমা খানম বললেন, এক মাসের বেশি সময় ধরে গ্যাস বলতে কিছুই পাচ্ছেন না। রামপুরার সেলিনা আকতার জানালেন, আগে রাতে অন্তত একটু গ্যাস আসত, এখন রাত-দিন সমান। বাড্ডার আরিফা আক্তারের মতো নিম্ন আয়ের মানুষ ইলেকট্রিক চুলা কিনতে না পেরে লাকড়ি দিয়ে রান্না করছেন।

হোটেল ব্যবসায়ীরা স্বীকার করছেন, গ্যাস সংকটের কারণে সকালে কাস্টমার বেড়েছে। কিন্তু এই বাড়তি ভিড় যে মানুষের দুর্ভোগেরই চিহ্ন।

অথচ এই ভোগান্তির দিনে ক্ষমতা দখল করে থাকা বিএনপি-জামাতের মুখে কোনও কথাই নেই। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালেও এমন নীরবতা, এমন অপশাসন, এমন জনদুর্ভোগই তো মানুষ দেখেছে। এখন ২০২৬ সালে এসে আবার সেই পুরনো চেনা ছবিরই রিপিট টেলিকাস্ট চলছে।

রাজধানীজুড়ে সকাল মানেই এখন হোটেলের লাইনে দাঁড়ানো। বাসার চুলায় আগুন নেই, গ্যাস নেই। বনশ্রী থেকে মিরপুর, ধানমন্ডি থেকে রামপুরা সবখানে এক হাল। মানুষ বাধ্য হয়ে ইলেকট্রিক চুলা কিংবা লাকড়ির চুলায় রান্না করছে, আবার অনেকেই সকালের নাস্তার জন্য ভরসা রাখছে হোটেলের পরোটা-ডিমে।

বনশ্রীর একটি হোটেলে নাস্তা নিতে আসা সেলিম জানালেন, দুই সপ্তাহ ধরে সকালের খাবার হোটেলেই সারছেন। গ্যাস দিয়ে রান্না তো দূর, চুলা জ্বলেই না। আব্দুল্লাহ, আকবর, মঞ্জুর রহমান সবার গল্প এক। সংসার চলে, চাকরি থাকে, কিন্তু সকালের রান্নার জন্য গ্যাস থাকে না। বাধ্য হয়ে হোটেলমুখী মানুষজন খরচ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও পড়ছেন।

গৃহিণীদের অবস্থা আরও করুন। বনশ্রীর আসমা খানম বললেন, এক মাসের বেশি সময় ধরে গ্যাস বলতে কিছুই পাচ্ছেন না। রামপুরার সেলিনা আকতার জানালেন, আগে রাতে অন্তত একটু গ্যাস আসত, এখন রাত-দিন সমান। বাড্ডার আরিফা আক্তারের মতো নিম্ন আয়ের মানুষ ইলেকট্রিক চুলা কিনতে না পেরে লাকড়ি দিয়ে রান্না করছেন।

হোটেল ব্যবসায়ীরা স্বীকার করছেন, গ্যাস সংকটের কারণে সকালে কাস্টমার বেড়েছে। কিন্তু এই বাড়তি ভিড় যে মানুষের দুর্ভোগেরই চিহ্ন।

অথচ এই ভোগান্তির দিনে ক্ষমতা দখল করে থাকা বিএনপি-জামাতের মুখে কোনও কথাই নেই। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালেও এমন নীরবতা, এমন অপশাসন, এমন জনদুর্ভোগই তো মানুষ দেখেছে। এখন ২০২৬ সালে এসে আবার সেই পুরনো চেনা ছবিরই রিপিট টেলিকাস্ট চলছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ