সরকারি ক্রয়ে কি প্রযুক্তির মানদণ্ড নাকি ‘ডাকাতি’?

সবুজ বিপ্লব আর আধুনিকায়নের চমকপ্রদ স্লোগান দিয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পগুলোর ভেতরের খবর উন্মোচিত হলে জনমনে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। বিআরটিসির ৮০০ বৈদ্যুতিক বাস (ই-বাস) কেনার ৪,৫৮৪ কোটি টাকার প্রস্তাবনায় যে অসংগতি ও অতিরিক্ত ব্যয়ের চিত্র ফুটে উঠেছে, তা শুধু অনিয়ম নয়—জনগণের পকেট কাটার এক নজিরবিহীন উদাহরণ বিএনপির!

একই বাসের দামে আকাশ-পাতাল ফারাক: চীন থেকে প্রতিটি ই-বাস যেখানে ২.৪৬ কোটি টাকায় কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে, সেখানে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আনা প্রতিটি বাসের দাম ধরা হয়েছে ৪.৬১ কোটি টাকা! সরকারি আমদানিতে যেখানে কোনো ট্যাক্স দিতে হয় না, সেখানে একটি সাধারণ সিঙ্গেল ডেকার সিটি বাসের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা ছাড়ায় কীভাবে? যেখানে ট্যাক্সসহ একটি বিলাসবহুল আন্তর্জাতিক মানের কোচ বাসের দামও দেড় কোটি টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়!

প্রযুক্তিতেও গোলমাল ও নিম্নমান: দক্ষিণ কোরিয়ার প্রস্তাবিত বাসগুলোতে ব্যাটারি ব্যাকআপ মাত্র ৩০০ কিলোওয়াটেরও (kWh) কম। যে প্রযুক্তি ও ব্যাটারি সক্ষমতা স্বয়ং দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবহনেই অচল বা অপছন্দনীয় এবং তারা নিজেরাও চীনের ই-বাস ব্যবহারে ঝুঁকছে, সেই অনুন্নত প্রযুক্তি চড়া দামে ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে কেন?

উন্নয়নের তকমায় অপচয়ের ইতিহাস: অতীতেও সুইডেনের ভলভো কিংবা কোরিয়ার দেইউ বাসের মতো বিশ্বমানের বাহন কেনা হয়েছিল। এবারও চার্জিং অবকাঠামো ও মেরামত কেন্দ্রের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ছাড়া স্রেফ বাস কেনার নামে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ নেওয়া হচ্ছে।

ঋণের ফাঁদ ও ঋণের বোঝা: মেগা প্রকল্পের ‘উন্নয়ন’ দেখিয়ে বিদেশি ঋণে যে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে, দিনশেষে সেই ঋণের বোঝা ও সুদ গুনতে হবে সাধারণ জনগণকেই।

পরিবেশ সুরক্ষার নামে জনগণের ট্যাক্সের টাকার এমন অপরিকল্পিত খরচ ও অতিরিক্ত দরপ্রস্তাব কেবল অনিয়ম নয়, গণপরিবহন খাতে এক অদৃশ্য ‘ডাকাতি’ বিএনপি সরকারের।

সবুজ বিপ্লব আর আধুনিকায়নের চমকপ্রদ স্লোগান দিয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পগুলোর ভেতরের খবর উন্মোচিত হলে জনমনে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। বিআরটিসির ৮০০ বৈদ্যুতিক বাস (ই-বাস) কেনার ৪,৫৮৪ কোটি টাকার প্রস্তাবনায় যে অসংগতি ও অতিরিক্ত ব্যয়ের চিত্র ফুটে উঠেছে, তা শুধু অনিয়ম নয়—জনগণের পকেট কাটার এক নজিরবিহীন উদাহরণ বিএনপির!

একই বাসের দামে আকাশ-পাতাল ফারাক: চীন থেকে প্রতিটি ই-বাস যেখানে ২.৪৬ কোটি টাকায় কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে, সেখানে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আনা প্রতিটি বাসের দাম ধরা হয়েছে ৪.৬১ কোটি টাকা! সরকারি আমদানিতে যেখানে কোনো ট্যাক্স দিতে হয় না, সেখানে একটি সাধারণ সিঙ্গেল ডেকার সিটি বাসের দাম সাড়ে ৪ কোটি টাকা ছাড়ায় কীভাবে? যেখানে ট্যাক্সসহ একটি বিলাসবহুল আন্তর্জাতিক মানের কোচ বাসের দামও দেড় কোটি টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়!

প্রযুক্তিতেও গোলমাল ও নিম্নমান: দক্ষিণ কোরিয়ার প্রস্তাবিত বাসগুলোতে ব্যাটারি ব্যাকআপ মাত্র ৩০০ কিলোওয়াটেরও (kWh) কম। যে প্রযুক্তি ও ব্যাটারি সক্ষমতা স্বয়ং দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবহনেই অচল বা অপছন্দনীয় এবং তারা নিজেরাও চীনের ই-বাস ব্যবহারে ঝুঁকছে, সেই অনুন্নত প্রযুক্তি চড়া দামে ঘাড়ে চাপানো হচ্ছে কেন?

উন্নয়নের তকমায় অপচয়ের ইতিহাস: অতীতেও সুইডেনের ভলভো কিংবা কোরিয়ার দেইউ বাসের মতো বিশ্বমানের বাহন কেনা হয়েছিল। এবারও চার্জিং অবকাঠামো ও মেরামত কেন্দ্রের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ছাড়া স্রেফ বাস কেনার নামে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ নেওয়া হচ্ছে।

ঋণের ফাঁদ ও ঋণের বোঝা: মেগা প্রকল্পের ‘উন্নয়ন’ দেখিয়ে বিদেশি ঋণে যে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে, দিনশেষে সেই ঋণের বোঝা ও সুদ গুনতে হবে সাধারণ জনগণকেই।

পরিবেশ সুরক্ষার নামে জনগণের ট্যাক্সের টাকার এমন অপরিকল্পিত খরচ ও অতিরিক্ত দরপ্রস্তাব কেবল অনিয়ম নয়, গণপরিবহন খাতে এক অদৃশ্য ‘ডাকাতি’ বিএনপি সরকারের।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ