আবারও প্রমাণ হলো—ক্ষমতা সামলানো আর অর্থনীতির চাকা সচল রাখা এক কথা নয়! দেশে এখন জ্বালানি সংকট চরমে, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চাহিদার মাত্র ২৯% গ্যাস পাচ্ছে, আর সার কারখানাগুলো পাচ্ছে মাত্র ৩৮%। ফলে একদিকে সারাদেশে আবার শুরু হয়েছে তীব্র বিদ্যুৎ বিভ্রাট, অন্যদিকে কৃষকের পেটে লাথি মেরে সার উৎপাদনে নেমে এসেছে চরম অনিশ্চয়তা।
ইতিহাসের পাতা উল্টালেই দেখা যায়—বিএনপির শাসনামল মানেই বিদ্যুৎ সংকট, গ্যাস সংকট আর সারের জন্য কৃষকের হাহাকার। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সেই অন্ধকার ও ব্যর্থতার একই চিত্র আজ আবারও স্পষ্ট। মুখে বড় বড় ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির চটকদার কথা আর রাজনৈতিক ভাষণ দিলেও, কাজের বেলায় দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
আমদানিনির্ভরতা বাড়িয়ে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে আজ এলএনজি ভর্তুকির বোঝা তিনগুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬,৬০০ কোটি টাকায়। জ্বালানি ছাড়া শিল্পকারখানা, বাণিজ্য আর গৃহস্থালি রান্না—সব আজ অচলে পরিণত হয়েছে। কেবল কথার ফুলঝুরি দিয়ে জনগণের পেট ভরবে না; ভুল নীতি আর চরম ব্যর্থতা ঢাকতে দেশকে এভাবে সংকটের মুখে ঠেলে দেওয়ার জবাব জনগণ ঠিকই দেবে!

