৪৪ লাশ, ৪০ মামলা, ০ সাজা: এটাই বিএনপি-জামাতের ‘নতুন’ বাংলাদেশ

সংখ্যা দিয়েই শুরু করা যাক, কারণ সংখ্যাগুলো নিজেই কথা বলে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন, অর্থাৎ যে ছয় মাস ধরে বিএনপি ক্ষমতায় আর জামাত সংসদে সমান অংশীদার, সেই ছয় মাসেই সংখ্যালঘু হত্যার মাসিক গড় ৩৩ শতাংশ বেড়ে গেছে। ৪০টি ঘটনায় ৪৪ জন মানুষ খুন হয়েছেন। এই সময়টা কোনো বিরোধী দলের শাসনামল না, এটা খোদ তাদের নিজেদের শাসনামল, যাদের মুখে এখনো “আইনের শাসন” আর “সবার জন্য ন্যায়বিচার” শব্দগুচ্ছ লেগে আছে।

এখন প্রশ্ন হলো, এই ৪০টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে কয়টার বিচার শেষ হয়েছে? কয়জন আসামি সাজা পেয়েছে? উত্তরটা সবার জানা, প্রায় শূন্য। ঐক্য পরিষদ নিজেই বলছে, ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পান না, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেই। একটা রাষ্ট্র যখন হত্যাকারীকে ধরতে ব্যর্থ হয় বারবার, তখন সেটা আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা থাকে না, সেটা হয়ে যায় নীতি, রাষ্ট্রের নীরব সম্মতি।

আরেকটা পরিসংখ্যান খেয়াল করার মতো। যেখানে উপাসনালয়ে হামলা বা নারী নির্যাতনের সংখ্যা কমেছে, সেখানে জমি দখলের ঘটনা বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। এই বৈপরীত্য বোঝা কঠিন না। প্রাণঘাতী সহিংসতা কমলেই সেটাকে “উন্নতি” বলে চালানো যায় না, যখন সম্পত্তি দখলের হার বাড়ছে সমান্তরালে। এটা বরং বলে দেয়, আক্রমণের ধরন বদলেছে, ভীতি প্রদর্শনের পদ্ধতি বদলেছে, কিন্তু সংখ্যালঘুর জমি-বাড়ির ওপর লোভ আর দখলদারিত্বের রাজনীতি বদলায়নি এতটুকুও।

জামাতের ইতিহাস নতুন করে মনে করিয়ে দেওয়ার দরকার নেই, একাত্তরে যাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ, তারাই আজ সংসদে বসে সংখ্যালঘু অধিকারের কথা শোনে চুপচাপ। আর বিএনপি, যাদের ২০০১-০৬ শাসনামল সংখ্যালঘু নির্যাতনের ইতিহাসে একটা কালো অধ্যায় হিসেবে নথিভুক্ত, তারা ২০২৬ সালে এসেও প্রমাণ করছে, ক্ষমতার চরিত্র বদলায়নি, শুধু বছরের সংখ্যাটা বদলেছে।

সংখ্যা দিয়েই শুরু করা যাক, কারণ সংখ্যাগুলো নিজেই কথা বলে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন, অর্থাৎ যে ছয় মাস ধরে বিএনপি ক্ষমতায় আর জামাত সংসদে সমান অংশীদার, সেই ছয় মাসেই সংখ্যালঘু হত্যার মাসিক গড় ৩৩ শতাংশ বেড়ে গেছে। ৪০টি ঘটনায় ৪৪ জন মানুষ খুন হয়েছেন। এই সময়টা কোনো বিরোধী দলের শাসনামল না, এটা খোদ তাদের নিজেদের শাসনামল, যাদের মুখে এখনো “আইনের শাসন” আর “সবার জন্য ন্যায়বিচার” শব্দগুচ্ছ লেগে আছে।

এখন প্রশ্ন হলো, এই ৪০টি হত্যাকাণ্ডের মধ্যে কয়টার বিচার শেষ হয়েছে? কয়জন আসামি সাজা পেয়েছে? উত্তরটা সবার জানা, প্রায় শূন্য। ঐক্য পরিষদ নিজেই বলছে, ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পান না, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেই। একটা রাষ্ট্র যখন হত্যাকারীকে ধরতে ব্যর্থ হয় বারবার, তখন সেটা আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা থাকে না, সেটা হয়ে যায় নীতি, রাষ্ট্রের নীরব সম্মতি।

আরেকটা পরিসংখ্যান খেয়াল করার মতো। যেখানে উপাসনালয়ে হামলা বা নারী নির্যাতনের সংখ্যা কমেছে, সেখানে জমি দখলের ঘটনা বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। এই বৈপরীত্য বোঝা কঠিন না। প্রাণঘাতী সহিংসতা কমলেই সেটাকে “উন্নতি” বলে চালানো যায় না, যখন সম্পত্তি দখলের হার বাড়ছে সমান্তরালে। এটা বরং বলে দেয়, আক্রমণের ধরন বদলেছে, ভীতি প্রদর্শনের পদ্ধতি বদলেছে, কিন্তু সংখ্যালঘুর জমি-বাড়ির ওপর লোভ আর দখলদারিত্বের রাজনীতি বদলায়নি এতটুকুও।

জামাতের ইতিহাস নতুন করে মনে করিয়ে দেওয়ার দরকার নেই, একাত্তরে যাদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ, তারাই আজ সংসদে বসে সংখ্যালঘু অধিকারের কথা শোনে চুপচাপ। আর বিএনপি, যাদের ২০০১-০৬ শাসনামল সংখ্যালঘু নির্যাতনের ইতিহাসে একটা কালো অধ্যায় হিসেবে নথিভুক্ত, তারা ২০২৬ সালে এসেও প্রমাণ করছে, ক্ষমতার চরিত্র বদলায়নি, শুধু বছরের সংখ্যাটা বদলেছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ