সিরাজগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি অবস্থায় রতনকান্দি ইউনিয়ন ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বাবলু মিয়ার (৫২) মৃত্যুর ঘটনা রাষ্ট্রীয় বন্দিশালায় চলা বিএনপির হিংস্র রাজনৈতিক প্রতিশোধের নগ্ন রূপকে আবারও উন্মোচিত করেছে।
আইন ও বিচার ব্যবস্থার তোয়াক্কা না করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার এবং পরবর্তীতে বন্দি অবস্থায় অবহেলা ও নির্যাতনের মাধ্যমে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া—এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় চলা এক পরিকল্পিত নিধনের অংশ।
বাবলু মিয়াকে যখন রাজনৈতিক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়, তখন তিনি শতভাগ শারীরিক সুস্থ ছিলেন। এক মাসের কারাভোগের পরই তিনি হঠাৎ কীভাবে মৃত্যুমুখে পতিত হলেন? পুরাতন ও সাজানো ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি রাজনৈতিক মামলা দিয়ে বিরোধীদের জেলে পুরে মানসিক ও শারীরিকভাবে পঙ্গু করা অথবা হত্যা নিশ্চিত করাই এখন ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
রাজবন্দিদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও কারা কর্তৃপক্ষের আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু কোনো বিচারিক প্রক্রিয়া ছাড়া কারাগারে একের পর এক রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মৃত্যুর ঘটনা প্রমাণ করে—কারাগারগুলোকে এখন বিরোধী দমনের বধ্যভূমিতে পরিণত করেছে তারেক রহমানের বিএনপি সরকার।

