পাকিস্তানের সাদা হাতিকে বুকে আগলে ‘অনুকরণীয়’ বললেন সালাহউদ্দিন

পাকিস্তানের সেফ সিটি প্রকল্পটা একটা মস্ত ধাপ্পাবাজি, আর সেই ধাপ্পাটাকেই কপি-পেস্ট করতে চায় বিএনপি-জামাতের এই অবৈধ সরকার। নিজেদের চোখে দেখুন, ৯০০ কোটি রুপি ঢেলে লাহোরের আনারকলি বাজারে বোমা বিস্ফোরণের সময় আট হাজার ক্যামেরার একটাও কাজ করেনি। বৃষ্টি হলেই সিস্টেম ডাউন, পুলিশের কল সেন্টারের হেডফোন পর্যন্ত ভাঙা। এই ‘সাদা হাতিকে’ সালাহউদ্দিন আহমদের ‘অনুকরণীয়’ মনে হচ্ছে।

বুঝতেই পারছেন, ২০০১-০৬ সালের সেই দুঃস্বপ্ন আবার ফিরে এসেছে। একটা সম্পূর্ণ ব্যর্থ মডেল দেখিয়ে তারা বলছে বাংলাদেশের শহরকে নিরাপদ করবে। কিসের নিরাপত্তা? পাকিস্তানের মতো নজরদারি সত্ত্বেও যেখানে সন্ত্রাস আর সহিংসতা নিত্যদিনের ঘটনা, সেখান থেকে আমরা শিখতে যাবো কোন শিক্ষা? এটা নিরাপত্তা নয়, এটা জনগণের ট্যাক্সের টাকা পাকিস্তানি ঠিকাদারের পকেটে পুরে দেওয়ার সিন্ডিকেট মাত্র।

পাঞ্জাবের অডিট রিপোর্ট বলে দিচ্ছে এই প্রকল্প দুর্নীতির কালো পাহাড়। আর আমরা জানি, বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় মানেই সিন্ডিকেট আর হাওয়া ভবনের কারসাজি। তারা পাকিস্তানের কারিগরি সহযোগিতা চায়, আসলে চায় পাকিস্তানি স্টাইলের বিনিময়হীন দুর্নীতি। নিজেদের দেশের মানুষকে নিরাপত্তা নয়, তারা পাকিস্তানি মন্ত্রীর সাথে রোহিঙ্গা আর মাদকের কারবারের নতুন সমীকরণ বানাতে চায়। সালাহউদ্দিন সাহেবের মুখে এই নিরাপত্তার কথা মানায় না, কারণ যেই দলের অতীত হত্যা আর বোমাবাজিতে ভরা, তারাই এখন আবার পাকিস্তানের ব্যর্থতা আমাদের গলায় পরাতে চাইছে।

পাকিস্তানের সেফ সিটি প্রকল্পটা একটা মস্ত ধাপ্পাবাজি, আর সেই ধাপ্পাটাকেই কপি-পেস্ট করতে চায় বিএনপি-জামাতের এই অবৈধ সরকার। নিজেদের চোখে দেখুন, ৯০০ কোটি রুপি ঢেলে লাহোরের আনারকলি বাজারে বোমা বিস্ফোরণের সময় আট হাজার ক্যামেরার একটাও কাজ করেনি। বৃষ্টি হলেই সিস্টেম ডাউন, পুলিশের কল সেন্টারের হেডফোন পর্যন্ত ভাঙা। এই ‘সাদা হাতিকে’ সালাহউদ্দিন আহমদের ‘অনুকরণীয়’ মনে হচ্ছে।

বুঝতেই পারছেন, ২০০১-০৬ সালের সেই দুঃস্বপ্ন আবার ফিরে এসেছে। একটা সম্পূর্ণ ব্যর্থ মডেল দেখিয়ে তারা বলছে বাংলাদেশের শহরকে নিরাপদ করবে। কিসের নিরাপত্তা? পাকিস্তানের মতো নজরদারি সত্ত্বেও যেখানে সন্ত্রাস আর সহিংসতা নিত্যদিনের ঘটনা, সেখান থেকে আমরা শিখতে যাবো কোন শিক্ষা? এটা নিরাপত্তা নয়, এটা জনগণের ট্যাক্সের টাকা পাকিস্তানি ঠিকাদারের পকেটে পুরে দেওয়ার সিন্ডিকেট মাত্র।

পাঞ্জাবের অডিট রিপোর্ট বলে দিচ্ছে এই প্রকল্প দুর্নীতির কালো পাহাড়। আর আমরা জানি, বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় মানেই সিন্ডিকেট আর হাওয়া ভবনের কারসাজি। তারা পাকিস্তানের কারিগরি সহযোগিতা চায়, আসলে চায় পাকিস্তানি স্টাইলের বিনিময়হীন দুর্নীতি। নিজেদের দেশের মানুষকে নিরাপত্তা নয়, তারা পাকিস্তানি মন্ত্রীর সাথে রোহিঙ্গা আর মাদকের কারবারের নতুন সমীকরণ বানাতে চায়। সালাহউদ্দিন সাহেবের মুখে এই নিরাপত্তার কথা মানায় না, কারণ যেই দলের অতীত হত্যা আর বোমাবাজিতে ভরা, তারাই এখন আবার পাকিস্তানের ব্যর্থতা আমাদের গলায় পরাতে চাইছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ