সংসদে দুই তৃতীয়াংশ আসন, আর বাজারে শূন্য নিয়ন্ত্রণ : বাজারে কে চালাচ্ছে রাজত্ব?

কাঁচা মরিচ গত সপ্তাহে ৬০ টাকা, আজ ১২০ টাকা। এক সপ্তাহে ঠিক শতভাগ বৃদ্ধি। এটা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা আমদানি বন্ধের ঘটনাই নয়, এটা নিয়ন্ত্রণহীনতার গল্প। আর এই নিয়ন্ত্রণহীনতা ঘটছে এমন এক সরকারের আমলে যাদের হাতে ৩০০ আসনের মধ্যে ২০৯টি, মানে দুই তৃতীয়াংশের বেশি সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা। কোনো জোটের বাধ্যবাধকতা নেই, কোনো অজুহাত নেই। ক্ষমতার এমন কেন্দ্রীভবন নিয়েও যদি কাঁচাবাজার নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তাহলে ব্যর্থতাটা প্রশাসনিক দুর্বলতার নয়, বরং সদিচ্ছার অভাবের।

সবজি বিক্রেতা নিজেই বলেছেন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম কে নির্ধারণ করে? সরকার। তাহলে চক্রটা সহজ, সরকারের জ্বালানি নীতি সরাসরি প্রতি কেজি মরিচ ও আলুর দামে গিয়ে ঠেকছে, অথচ সেই দায় নেওয়ার বদলে সাফাই দেওয়া হচ্ছে “আমদানি নির্ভরতা”র নামে। পেঁয়াজ, আলু দুটোতেই ৫ টাকা বাড়তি, তেলাপিয়ার কেজি ১৮০ থেকে ২০০ ছাড়িয়েছে, চাল-ডাল-তেলের দাম তো মাসের পর মাস স্থিরভাবে চড়া হয়েই বসে আছে। এটা এলোমেলো নয়, এটা প্যাটার্ন।

আর এই প্যাটার্নটা নতুন নয়। ২০০১-০৬ সালে বিএনপি-জামাত জোটের আমলে বাজার সিন্ডিকেট, মজুতদারি আর টেন্ডারবাজির অভিযোগ যতটা ঘন ঘন উঠেছিল, ইতিহাস তা ভালোই মনে রাখে। কুড়ি বছর পর ক্ষমতায় ফিরে ৫১ দফা আর “ইনসাফের বাংলাদেশ” এর ইশতেহার দিয়ে যে সরকার শুরু করল, তাদের প্রথম কয়েক মাসেই যদি মানুষের পাতে থাকা মরিচটাও দ্বিগুণ দামে কিনতে হয়, তাহলে সেই ইনসাফের সংজ্ঞাটা আসলে কার জন্য?

কাঁচা মরিচ গত সপ্তাহে ৬০ টাকা, আজ ১২০ টাকা। এক সপ্তাহে ঠিক শতভাগ বৃদ্ধি। এটা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা আমদানি বন্ধের ঘটনাই নয়, এটা নিয়ন্ত্রণহীনতার গল্প। আর এই নিয়ন্ত্রণহীনতা ঘটছে এমন এক সরকারের আমলে যাদের হাতে ৩০০ আসনের মধ্যে ২০৯টি, মানে দুই তৃতীয়াংশের বেশি সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা। কোনো জোটের বাধ্যবাধকতা নেই, কোনো অজুহাত নেই। ক্ষমতার এমন কেন্দ্রীভবন নিয়েও যদি কাঁচাবাজার নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তাহলে ব্যর্থতাটা প্রশাসনিক দুর্বলতার নয়, বরং সদিচ্ছার অভাবের।

সবজি বিক্রেতা নিজেই বলেছেন জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন খরচ বেড়েছে। জ্বালানি তেলের দাম কে নির্ধারণ করে? সরকার। তাহলে চক্রটা সহজ, সরকারের জ্বালানি নীতি সরাসরি প্রতি কেজি মরিচ ও আলুর দামে গিয়ে ঠেকছে, অথচ সেই দায় নেওয়ার বদলে সাফাই দেওয়া হচ্ছে “আমদানি নির্ভরতা”র নামে। পেঁয়াজ, আলু দুটোতেই ৫ টাকা বাড়তি, তেলাপিয়ার কেজি ১৮০ থেকে ২০০ ছাড়িয়েছে, চাল-ডাল-তেলের দাম তো মাসের পর মাস স্থিরভাবে চড়া হয়েই বসে আছে। এটা এলোমেলো নয়, এটা প্যাটার্ন।

আর এই প্যাটার্নটা নতুন নয়। ২০০১-০৬ সালে বিএনপি-জামাত জোটের আমলে বাজার সিন্ডিকেট, মজুতদারি আর টেন্ডারবাজির অভিযোগ যতটা ঘন ঘন উঠেছিল, ইতিহাস তা ভালোই মনে রাখে। কুড়ি বছর পর ক্ষমতায় ফিরে ৫১ দফা আর “ইনসাফের বাংলাদেশ” এর ইশতেহার দিয়ে যে সরকার শুরু করল, তাদের প্রথম কয়েক মাসেই যদি মানুষের পাতে থাকা মরিচটাও দ্বিগুণ দামে কিনতে হয়, তাহলে সেই ইনসাফের সংজ্ঞাটা আসলে কার জন্য?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ