স্মৃতির পাতা থেকে বাস্তবে: বিএনপি-জামাতের এক বিষাক্ত প্রত্যাবর্তন

তাহিরপুরবাসী এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে তথাকথিত “বিম্পির উন্নয়ন” নামের প্রতারণাটা। ২০২৬ সালের জুন মাস চলছে, অথচ উপজেলার ঘরে ঘরে ফিরে এসেছে ২০০১-০৬ সালের বিএনপি-জামাত জোট সরকারের বিভীষিকাময় সেই অন্ধকার রাত। ২৪ ঘণ্টায় গড়ে মাত্র ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে! বাকি ২০ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে ডুবিয়ে রাখা হয় গোটা জনপদকে। এটাই কি সেই সুশাসন, যার বুলি এতদিন শুনিয়ে এসেছিল জিয়াউর রহমানের সেনানিবাসে জন্ম নেওয়া দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর এই রাজনৈতিক দল?

পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর এদের আসল চেহারা বুঝতে বাকি নেই আর। জামায়াতের সঙ্গে সখ্য গড়ে দেশ চালানোর সুযোগ পেয়েই অক্সিজেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষের। হাসপাতালের জেনারেটর বিকল, শিশু-বৃদ্ধ হাঁসফাঁস করছে গরমে, ব্যাংক চলছে তেল পুড়িয়ে, ব্যবসায় ধস, ফ্রিজের খাবার পচে দুর্গন্ধ, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বন্ধ, বিশ্বকাপ ফুটবলের আনন্দটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছে আর নিরব দর্শকের ভূমিকায় আছে যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গি পোষক জামায়াতের দোসররা।

মাত্র ৯ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৩ মেগাওয়াট সরবরাহ নিয়েও লজ্জা নেই, জবাবদিহিতা নেই। বিল পুরোটা আদায় করছে, সেবা দিচ্ছে শূন্য। এক ঘণ্টা দিয়ে দুই ঘণ্টা কেটে দেওয়ার নিষ্ঠুর এই ফর্মুলাই প্রমাণ করে জনগণের ভোগান্তিকে এরা বিনোদন হিসেবে নিচ্ছে। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ যেন ফিরে গেছে অন্ধকার যুগে। লজ্জা, ধিক্কার আর ঘৃণা সেই শক্তিকে, যারা ক্ষমতা দখল করে দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তাহিরপুরবাসী এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে তথাকথিত “বিম্পির উন্নয়ন” নামের প্রতারণাটা। ২০২৬ সালের জুন মাস চলছে, অথচ উপজেলার ঘরে ঘরে ফিরে এসেছে ২০০১-০৬ সালের বিএনপি-জামাত জোট সরকারের বিভীষিকাময় সেই অন্ধকার রাত। ২৪ ঘণ্টায় গড়ে মাত্র ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে! বাকি ২০ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে ডুবিয়ে রাখা হয় গোটা জনপদকে। এটাই কি সেই সুশাসন, যার বুলি এতদিন শুনিয়ে এসেছিল জিয়াউর রহমানের সেনানিবাসে জন্ম নেওয়া দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর এই রাজনৈতিক দল?

পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর এদের আসল চেহারা বুঝতে বাকি নেই আর। জামায়াতের সঙ্গে সখ্য গড়ে দেশ চালানোর সুযোগ পেয়েই অক্সিজেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সাধারণ মানুষের। হাসপাতালের জেনারেটর বিকল, শিশু-বৃদ্ধ হাঁসফাঁস করছে গরমে, ব্যাংক চলছে তেল পুড়িয়ে, ব্যবসায় ধস, ফ্রিজের খাবার পচে দুর্গন্ধ, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বন্ধ, বিশ্বকাপ ফুটবলের আনন্দটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছে আর নিরব দর্শকের ভূমিকায় আছে যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গি পোষক জামায়াতের দোসররা।

মাত্র ৯ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৩ মেগাওয়াট সরবরাহ নিয়েও লজ্জা নেই, জবাবদিহিতা নেই। বিল পুরোটা আদায় করছে, সেবা দিচ্ছে শূন্য। এক ঘণ্টা দিয়ে দুই ঘণ্টা কেটে দেওয়ার নিষ্ঠুর এই ফর্মুলাই প্রমাণ করে জনগণের ভোগান্তিকে এরা বিনোদন হিসেবে নিচ্ছে। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ যেন ফিরে গেছে অন্ধকার যুগে। লজ্জা, ধিক্কার আর ঘৃণা সেই শক্তিকে, যারা ক্ষমতা দখল করে দেশকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ