মসজিদ গুঁড়িয়ে বিএনপি-জামাত গংয়ের জাহেলিয়াতের নমুনা প্রকাশ

বাংলাদেশের মানুষ ভুলে যায়নি ২০০১-০৬ সালের সেই অন্ধকার সময়টা। সে সময় বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় বসেই প্রথম কাজ করেছিল সংখ্যালঘুদের ওপর সন্ত্রাস নামানো। মন্দির ভাঙা, বাড়িঘর লুট, ধর্ষণ, হত্যা – এই ছিল তাদের ক্ষমতার স্বাক্ষর। তখন অনেকেই বলেছিলেন, আজ ওরা সংখ্যালঘুদের টার্গেট করছে, কাল সংখ্যাগুরুদেরও করবে। কথাটা আক্ষরিক অর্থেই সত্যি প্রমাণিত হলো ২০২৬ সালে এসে।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের বাতিরখাল মাছঘাট জামে মসজিদ। ২০০১ সালে ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে শুরু, ২০২২ সালে স্থায়ী স্থাপনা, সরকারি টাকায় পাকা ভিটি, নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আর জুমার জামাত – একটা পুরোদস্তুর সচল মসজিদ। অথচ সেই মসজিদই গুড়িয়ে দিল বিএনপির এক ইউপি সদস্য আবদুল মজিদ। তার নেতৃত্বেই বুলডোজার উঠেছে মসজিদের গায়ে। ভাঙা পড়েছে আল্লাহর ঘর। ২০২৬ সালে ক্ষমতা দখল করা বিএনপি-জামায়াতের এই অপশাসনে কেউ কি নিরাপদ?

আবদুল মজিদ শুধু একজন ইউপি সদস্য না, সে মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতিও। ক্ষমতার দাপট দেখানোর জন্য মসজিদ ভাঙার মতো নারকীয় কাজ ওরা তখনই করে, যখন ওরা জানে পার পেয়ে যাবে। আর ঠিক এখানেই ২০০১ সালের সাথে ২০২৬ সালের মিলটা সবচেয়ে ভয়ংকর। তখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল নিষ্ক্রিয়, প্রশাসন ছিল অসহায় আর দলীয় প্রভাব ছিল সবকিছুর ঊর্ধ্বে। আজকেও তাই। একজন ইউপি সদস্য প্রকাশ্যে মসজিদ ভেঙে ফেলছে, অথচ কেউ বাধা দিচ্ছে না, প্রশাসন তো দূরের কথা।

আসল সমস্যা হলো দলীয় সংস্কৃতি। বিএনপি কখনোই সংখ্যাগরিষ্ঠের দল ছিল না, ছিল একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর দখলস্বত্বের দল। জিয়াউর রহমানের হাত ধরে সেনানিবাসে জন্ম নেওয়া এই দলটা বরাবরই দেশের মানুষকে বিভক্ত করার রাজনীতি করেছে। ধর্মকে ব্যবহার করেছে, অথচ সেই ধর্মের প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাটুকুও তাদের নেই। তার প্রমাণ এই মসজিদ ভাঙা। যেখানে জামায়াত নামক যুদ্ধাপরাধী সংগঠনটা তাদের নৈতিকতার জায়গা, সেখানে সংখ্যাগুরুর ধর্মীয় অনুভূতি তাদের কাছে এতটাই সস্তা যে ইউপি সদস্যের এক নির্দেশেই বুলডোজার চলে আসে মসজিদের উপর দিয়ে।

মজার ব্যাপার হলো, এই একই মসজিদের উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দের টাকা খরচ হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তিন লাখ টাকা গেছে ভিটি পাকা করতে। সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য আরও তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন উন্নয়নের জন্য। অথচ সেই উন্নয়নের কাজ শুরুর আগেই মসজিদটা গুড়িয়ে দেওয়া হলো। এটা শুধু ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংস না, এটা সরকারি সম্পদ নষ্ট করা, জনগণের করের টাকা জলে ফেলা। আর এই কাজটা করল কারা? যারা নিজেদের দেশপ্রেমিক বলে দাবি করে, সেই বিএনপির নেতৃত্ব।

২০০১-০৬ সালে বিএনপি-জামাত যখন ক্ষমতায় ছিল, সারা দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছিল। জঙ্গি আস্তানা গড়ে উঠেছিল বিনা বাধায়, কারণ মদদগার ছিল জামায়াত আর ছাতা ছিল বিএনপি। এবার ২০২৬ সালে আবার সেই একই চিত্র। কিন্তু এবার টার্গেট পাল্টেছে। এবার শুধু সংখ্যালঘু না, সংখ্যাগুরুও টার্গেট। এবার মন্দিরের পাশাপাশি মসজিদও ভাঙা হচ্ছে।

বাংলাদেশের মানুষ ভুলে যায়নি ২০০১-০৬ সালের সেই অন্ধকার সময়টা। সে সময় বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় বসেই প্রথম কাজ করেছিল সংখ্যালঘুদের ওপর সন্ত্রাস নামানো। মন্দির ভাঙা, বাড়িঘর লুট, ধর্ষণ, হত্যা – এই ছিল তাদের ক্ষমতার স্বাক্ষর। তখন অনেকেই বলেছিলেন, আজ ওরা সংখ্যালঘুদের টার্গেট করছে, কাল সংখ্যাগুরুদেরও করবে। কথাটা আক্ষরিক অর্থেই সত্যি প্রমাণিত হলো ২০২৬ সালে এসে।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের বাতিরখাল মাছঘাট জামে মসজিদ। ২০০১ সালে ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে শুরু, ২০২২ সালে স্থায়ী স্থাপনা, সরকারি টাকায় পাকা ভিটি, নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আর জুমার জামাত – একটা পুরোদস্তুর সচল মসজিদ। অথচ সেই মসজিদই গুড়িয়ে দিল বিএনপির এক ইউপি সদস্য আবদুল মজিদ। তার নেতৃত্বেই বুলডোজার উঠেছে মসজিদের গায়ে। ভাঙা পড়েছে আল্লাহর ঘর। ২০২৬ সালে ক্ষমতা দখল করা বিএনপি-জামায়াতের এই অপশাসনে কেউ কি নিরাপদ?

আবদুল মজিদ শুধু একজন ইউপি সদস্য না, সে মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতিও। ক্ষমতার দাপট দেখানোর জন্য মসজিদ ভাঙার মতো নারকীয় কাজ ওরা তখনই করে, যখন ওরা জানে পার পেয়ে যাবে। আর ঠিক এখানেই ২০০১ সালের সাথে ২০২৬ সালের মিলটা সবচেয়ে ভয়ংকর। তখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল নিষ্ক্রিয়, প্রশাসন ছিল অসহায় আর দলীয় প্রভাব ছিল সবকিছুর ঊর্ধ্বে। আজকেও তাই। একজন ইউপি সদস্য প্রকাশ্যে মসজিদ ভেঙে ফেলছে, অথচ কেউ বাধা দিচ্ছে না, প্রশাসন তো দূরের কথা।

আসল সমস্যা হলো দলীয় সংস্কৃতি। বিএনপি কখনোই সংখ্যাগরিষ্ঠের দল ছিল না, ছিল একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর দখলস্বত্বের দল। জিয়াউর রহমানের হাত ধরে সেনানিবাসে জন্ম নেওয়া এই দলটা বরাবরই দেশের মানুষকে বিভক্ত করার রাজনীতি করেছে। ধর্মকে ব্যবহার করেছে, অথচ সেই ধর্মের প্রতি সামান্যতম শ্রদ্ধাটুকুও তাদের নেই। তার প্রমাণ এই মসজিদ ভাঙা। যেখানে জামায়াত নামক যুদ্ধাপরাধী সংগঠনটা তাদের নৈতিকতার জায়গা, সেখানে সংখ্যাগুরুর ধর্মীয় অনুভূতি তাদের কাছে এতটাই সস্তা যে ইউপি সদস্যের এক নির্দেশেই বুলডোজার চলে আসে মসজিদের উপর দিয়ে।

মজার ব্যাপার হলো, এই একই মসজিদের উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দের টাকা খরচ হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তিন লাখ টাকা গেছে ভিটি পাকা করতে। সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য আরও তিন লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন উন্নয়নের জন্য। অথচ সেই উন্নয়নের কাজ শুরুর আগেই মসজিদটা গুড়িয়ে দেওয়া হলো। এটা শুধু ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংস না, এটা সরকারি সম্পদ নষ্ট করা, জনগণের করের টাকা জলে ফেলা। আর এই কাজটা করল কারা? যারা নিজেদের দেশপ্রেমিক বলে দাবি করে, সেই বিএনপির নেতৃত্ব।

২০০১-০৬ সালে বিএনপি-জামাত যখন ক্ষমতায় ছিল, সারা দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছিল। জঙ্গি আস্তানা গড়ে উঠেছিল বিনা বাধায়, কারণ মদদগার ছিল জামায়াত আর ছাতা ছিল বিএনপি। এবার ২০২৬ সালে আবার সেই একই চিত্র। কিন্তু এবার টার্গেট পাল্টেছে। এবার শুধু সংখ্যালঘু না, সংখ্যাগুরুও টার্গেট। এবার মন্দিরের পাশাপাশি মসজিদও ভাঙা হচ্ছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ