ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি মাত্র দুই মাসে কমে গেছে ১৯ শতাংশের বেশি। ৩৫৭ কোটি ইউরো থেকে নেমে এসেছে ২৮৯ কোটিতে। চীন কমেছে মাত্র ৪ শতাংশ, ভিয়েতনাম বরং ধরে রেখেছে বাজার। শুধু বাংলাদেশই পিছিয়ে পড়েছে এভাবে।
কিন্তু কেন?
লজিস্টিক দুর্বলতা, ই-কমার্সে পিছিয়ে থাকা, এলডিসি উত্তরণ নিয়ে ক্রেতাদের অনিশ্চয়তা, এগুলো রাতারাতি তৈরি হয়নি। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর এই খাতকে আধুনিক করার বদলে চাঁদাবাজি আর দলীয় সন্ত্রাসের চারণভূমি বানিয়েছে, সেই বিএনপি-জামাতের কথা মনে আছে তো আপনাদের ?
ফেব্রুয়ারিতে যে দলটি অন্য সবাইকে বাইরে রেখে নিজেরা নিজেরা “ভোটের” নাটক সাজিয়ে ক্ষমতায় বসেছে, সেই বিএনপি আর তাদের জামায়াত অংশীদার এই শিল্পকে কী দিয়েছে? গার্মেন্ট মালিকদের পেছনে রাজনৈতিক ছত্রছায়া, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরির বদলে দমনপীড়ন, আর দেশের ভাবমূর্তির বদলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিব্রত হওয়ার একের পর এক উপলক্ষ।
ভিয়েতনামের সঙ্গে ইউরোপের বাণিজ্য চুক্তি আছে। আমাদের নেই। কারণ চুক্তি করতে হলে রাষ্ট্রকে বিশ্বাসযোগ্য হতে হয়। যুদ্ধাপরাধীদের আশ্রয় দেওয়া, পাতানো নির্বাচনের মাধ্যমে টিকে থাকা সরকারের উপর ইউরোপ ভরসা রাখবে কোন দুঃখে? রপ্তানি কমছে সংখ্যায়। কিন্তু ক্ষতিটা হচ্ছে লাখো গার্মেন্ট শ্রমিকের পেটে।

