সায়েন্টিফিক আমেরিকার অনুসন্ধানে উন্মোদিত ইউনুস সরকারের কালো অধ্যায়ে বিএনপি-জামাতের অংশীদারত্ব

২০২৪ সালে বিদেশী রাষ্ট্রের টাকায়, ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় আর সামরিক বাহিনীর সমর্থনে দেশব্যাপী জুলাই দাঙ্গা বাঁধিয়ে দেশের নির্বাচিত সরকারকে ক্যু করে ফেলে দিয়ে সুদী মহাজন ইউনুস ও তার অ-সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে। সেই ক্ষমতার লোভে তারা বাংলাদেশের শিশুদের জীবনকে বাজি রেখে হামের টিকাদান কার্যক্রম ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যাহত করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের তথ্যে স্পষ্ট, ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে হাম শনাক্তের সংখ্যা ছিল বছরে ১০০ থেকে ৩০০-এর মধ্যে। তখন মনে হয়েছিল, বাংলাদেশ হাম নির্মূলের প্রায় দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু ইউনুস সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই অর্জন মুহূর্তেই ধসে পড়ে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট নাগাদ হামের টিকাদানের হার নেমে আসে ৮৬ শতাংশে। ইউনিসেফের হিসাবে, প্রায় চার লাখ শিশু হামের প্রয়োজনীয় সব ডোজ থেকে বঞ্চিত হয়। অন্তত ৭০ হাজার শিশু কোনো টিকাই পায়নি।

ফলাফল? সায়েন্টিফিক আমেরিকানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৫ সালের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামের প্রাদুর্ভাব। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক লাখ ৭৫ হাজার ১৯৮ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত এবং এক হাজার ৪৪ জনের মৃত্যু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ৫৩। এর মধ্যে হাম শনাক্ত হয়ে মৃত্যু ১০১ জনের, বাকি ৯৫২ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৭৮ হাজার ৬৬৬। হাসপাতালে ভর্তি এক লাখ ৫৭ হাজার ৫৫৬। এসব সংখ্যা আসল চিত্র নয়। হাসপাতালের বাইরে থাকা বহু রোগীর পরীক্ষাই হয় না। প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা ও টিকাদানের সুযোগ সীমিত। তাই প্রকৃত মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবের চেয়ে অনেক বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউনুস সরকার ইচ্ছা করেই টিকাদান বাদ দিয়ে শিশুদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। শাকিল ফয়েজউল্লাহ বলেছেন, হামের মতো ভাইরাস কোনো দয়া দেখায় না। নিয়মিত টিকাদান প্রক্রিয়ায় সামান্যতম বিচ্যুতি বা ফাঁক তৈরি হলেই এটি দ্রুত থাবা বসায়। বাংলাদেশে ঠিক সেটাই ঘটেছে। ড. উইলিয়াম মস সতর্ক করেছেন, জাতীয় পর্যায়ের টিকাদানের গড় হার অনেক সময় আসল চিত্র ঢেকে রাখে। কোনো নির্দিষ্ট এলাকা বা গোষ্ঠীর মধ্যে যদি টিকা না নেওয়া শিশু বেশি থাকে, তবে সেই ছোট পকেটগুলো থেকেই আবারও বড় মহামারির দাবানল ছড়িয়ে পড়তে পারে। শাকিল ফয়েজউল্লাহ আরও জানান, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সমস্যাটি মূলত সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ইচ্ছাকৃত ব্যাঘাত।

মজার বিষয় হলো, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরও হাম পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বরং মৃত্যুর হার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ইউনুস ক্ষমতায় নেই ঠিকই, কিন্তু তার সরকারের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ থেকে শিশুরা এখনও প্রাণ হারাচ্ছে। অথচ এই সরকারের দেশের মানুষের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই। ‘২৪ এর ৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ঘটনাতেই যেন কোনো বিকার নেই। লুকানো হচ্ছে মহামারি। শিশুরা মরছে, আর যেনো দায় নেই কারোরই।

২০২৪ সালে বিদেশী রাষ্ট্রের টাকায়, ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় আর সামরিক বাহিনীর সমর্থনে দেশব্যাপী জুলাই দাঙ্গা বাঁধিয়ে দেশের নির্বাচিত সরকারকে ক্যু করে ফেলে দিয়ে সুদী মহাজন ইউনুস ও তার অ-সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে। সেই ক্ষমতার লোভে তারা বাংলাদেশের শিশুদের জীবনকে বাজি রেখে হামের টিকাদান কার্যক্রম ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যাহত করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের তথ্যে স্পষ্ট, ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে হাম শনাক্তের সংখ্যা ছিল বছরে ১০০ থেকে ৩০০-এর মধ্যে। তখন মনে হয়েছিল, বাংলাদেশ হাম নির্মূলের প্রায় দ্বারপ্রান্তে। কিন্তু ইউনুস সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই অর্জন মুহূর্তেই ধসে পড়ে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট নাগাদ হামের টিকাদানের হার নেমে আসে ৮৬ শতাংশে। ইউনিসেফের হিসাবে, প্রায় চার লাখ শিশু হামের প্রয়োজনীয় সব ডোজ থেকে বঞ্চিত হয়। অন্তত ৭০ হাজার শিশু কোনো টিকাই পায়নি।

ফলাফল? সায়েন্টিফিক আমেরিকানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৫ সালের পর সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামের প্রাদুর্ভাব। গত ১৫ মার্চ থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক লাখ ৭৫ হাজার ১৯৮ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত এবং এক হাজার ৪৪ জনের মৃত্যু। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে মৃতের সংখ্যা এক হাজার ৫৩। এর মধ্যে হাম শনাক্ত হয়ে মৃত্যু ১০১ জনের, বাকি ৯৫২ জন হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৭৮ হাজার ৬৬৬। হাসপাতালে ভর্তি এক লাখ ৫৭ হাজার ৫৫৬। এসব সংখ্যা আসল চিত্র নয়। হাসপাতালের বাইরে থাকা বহু রোগীর পরীক্ষাই হয় না। প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা ও টিকাদানের সুযোগ সীমিত। তাই প্রকৃত মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসেবের চেয়ে অনেক বেশি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউনুস সরকার ইচ্ছা করেই টিকাদান বাদ দিয়ে শিশুদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। শাকিল ফয়েজউল্লাহ বলেছেন, হামের মতো ভাইরাস কোনো দয়া দেখায় না। নিয়মিত টিকাদান প্রক্রিয়ায় সামান্যতম বিচ্যুতি বা ফাঁক তৈরি হলেই এটি দ্রুত থাবা বসায়। বাংলাদেশে ঠিক সেটাই ঘটেছে। ড. উইলিয়াম মস সতর্ক করেছেন, জাতীয় পর্যায়ের টিকাদানের গড় হার অনেক সময় আসল চিত্র ঢেকে রাখে। কোনো নির্দিষ্ট এলাকা বা গোষ্ঠীর মধ্যে যদি টিকা না নেওয়া শিশু বেশি থাকে, তবে সেই ছোট পকেটগুলো থেকেই আবারও বড় মহামারির দাবানল ছড়িয়ে পড়তে পারে। শাকিল ফয়েজউল্লাহ আরও জানান, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সমস্যাটি মূলত সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়া এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ইচ্ছাকৃত ব্যাঘাত।

মজার বিষয় হলো, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরও হাম পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বরং মৃত্যুর হার লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ইউনুস ক্ষমতায় নেই ঠিকই, কিন্তু তার সরকারের রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ থেকে শিশুরা এখনও প্রাণ হারাচ্ছে। অথচ এই সরকারের দেশের মানুষের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই। ‘২৪ এর ৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ঘটনাতেই যেন কোনো বিকার নেই। লুকানো হচ্ছে মহামারি। শিশুরা মরছে, আর যেনো দায় নেই কারোরই।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ