শাহজালাল বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে প্রথম ও দ্বিতীয়টিতে আর কোনো ফ্লাইট চলবে না। জাপানি কনসোর্টিয়ামের এই শর্ত মেনে নিয়েছে সরকার। অথচ ওই দুই টার্মিনাল দিয়ে বছরে ৮০ লাখ যাত্রী সামলানো যায়। রাষ্ট্রের এমন সম্পদ বসিয়ে রাখার যুক্তি কী, সংসদীয় কমিটির বৈঠকে সেই প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান নিজেই। তাঁর ভাষ্য, সিদ্ধান্ত নাকি তিনি আসার আগেই হয়ে গেছে!
বেবিচকের আপত্তি ছিল, তবু জাপানি পক্ষের চার বিতর্কিত শর্তে সায় দিয়েছে বিএনপি সরকার। তার ওপর আগামী ১৫ বছর শাহজালালের ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে প্রতিযোগী কোনো বিমানবন্দর চালু করা যাবে না। এরপরও মন্ত্রণালয়ের তাড়া, চুক্তিটা দ্রুত চূড়ান্ত করো। দর-কষাকষিতে হেরে এসে ঢাকাকে আঞ্চলিক হাব বানানোর স্বপ্ন দেখানো, এই হলো বিএনপির দেশপ্রেমের নমুনা।

