ইলিশ হারাল, গরু হারাল, পালাল স্বাধীনতাও : প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

বিএনপির ২০০১-০৬ শাসনামলে জনগণকে তারা নিপীড়ন করেছে মূলতঃ দুটি উপায়ে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে আর সাধারণ মানুষকে ভরণপোষণের সংকটে ফেলে। দুই দশক পর ২০২৬ সালে এসে দেখা যাচ্ছে, সেই সমস্যার তালিকা বদলায়নি, বরং আরও সংকুচিত হয়েছে।

প্রমাণ হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের আলোচনাই যথেষ্ট। গরুর মাংসের দাম নিয়ে বা ইলিশের প্রাপ্যতা নিয়ে তর্ক আগের মতো চোখে পড়ে না। কারণটা অবশ্য জটিল কিছুও না। ক্রয়ক্ষমতা এমন পর্যায়ে নেমেছে যে এসব বিলাসিতা নিয়ে ভাবার সুযোগই নেই।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, খাদ্য মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, যা সরাসরি সাধারণ পরিবারের বাজেটে চাপ ফেলেছে। ফলে পারিবারিক আলোচনার কেন্দ্রে এখন একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খায়, পরের তিন বেলা খাবার জুটবে কি না!

২০০১-০৬ সালের রাজনৈতিক ইতিহাসও এই তুলনার পক্ষে সাক্ষ্য দেয় নিজেই। ওই সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিরোধী মতের ওপর দমন-পীড়ন, এবং প্রশাসনের রাজনীতিকরণ নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ছিল। ২০২৬ সালে এসে যদি আবার একই অভিযোগ ফিরে আসে, তাহলে সেটা নিছক রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর নয়, বরং একটি পুনরাবৃত্ত ইতিহাসের সংযোগেরই সূচনাপর্ব।

রফিক আজাদের সেই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি “ভাত দে হারামজাদা, না হলে মানচিত্র চিবিয়ে খাবো” একসময় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ছিল। আজ সেটি পরিণত হয়েছে বাস্তবতার বর্ণনায়। মানুষ আর মানচিত্রের জন্য ভাত চায় না, ভাতের জন্য মানচিত্রের হিসাব মেলাতে ব্যস্ত।

এই বাস্তবতা কেবল অর্থনৈতিক সংকটের ফল নয়, এটি বিএনপির রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেরই পরিণতি।

বিএনপির ২০০১-০৬ শাসনামলে জনগণকে তারা নিপীড়ন করেছে মূলতঃ দুটি উপায়ে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে আর সাধারণ মানুষকে ভরণপোষণের সংকটে ফেলে। দুই দশক পর ২০২৬ সালে এসে দেখা যাচ্ছে, সেই সমস্যার তালিকা বদলায়নি, বরং আরও সংকুচিত হয়েছে।

প্রমাণ হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের আলোচনাই যথেষ্ট। গরুর মাংসের দাম নিয়ে বা ইলিশের প্রাপ্যতা নিয়ে তর্ক আগের মতো চোখে পড়ে না। কারণটা অবশ্য জটিল কিছুও না। ক্রয়ক্ষমতা এমন পর্যায়ে নেমেছে যে এসব বিলাসিতা নিয়ে ভাবার সুযোগই নেই।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, খাদ্য মূল্যস্ফীতি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, যা সরাসরি সাধারণ পরিবারের বাজেটে চাপ ফেলেছে। ফলে পারিবারিক আলোচনার কেন্দ্রে এখন একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খায়, পরের তিন বেলা খাবার জুটবে কি না!

২০০১-০৬ সালের রাজনৈতিক ইতিহাসও এই তুলনার পক্ষে সাক্ষ্য দেয় নিজেই। ওই সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিরোধী মতের ওপর দমন-পীড়ন, এবং প্রশাসনের রাজনীতিকরণ নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা ছিল। ২০২৬ সালে এসে যদি আবার একই অভিযোগ ফিরে আসে, তাহলে সেটা নিছক রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর নয়, বরং একটি পুনরাবৃত্ত ইতিহাসের সংযোগেরই সূচনাপর্ব।

রফিক আজাদের সেই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি “ভাত দে হারামজাদা, না হলে মানচিত্র চিবিয়ে খাবো” একসময় ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ছিল। আজ সেটি পরিণত হয়েছে বাস্তবতার বর্ণনায়। মানুষ আর মানচিত্রের জন্য ভাত চায় না, ভাতের জন্য মানচিত্রের হিসাব মেলাতে ব্যস্ত।

এই বাস্তবতা কেবল অর্থনৈতিক সংকটের ফল নয়, এটি বিএনপির রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেরই পরিণতি।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ