বিএনপির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই তৎপরতা কি নতুন মাবন পাচার চক্রের জন্ম দিতে যাচ্ছে?

ভুটানের জিডিপি ৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের ৪৫৬ বিলিয়ন। ভুটানের চেয়ে আমাদের অর্থনীতি ১২৭ গুণ বড়। সেই ভুটানে শ্রমিক পাঠাতে চেয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলছেন, গ্যালেফু মাইন্ডফুলনেস সিটির উন্নয়নে দক্ষ ও আধাদক্ষ জনশক্তি সরবরাহ করা হবে।

প্রশ্ন হলো, ভুটানের মোট জনসংখ্যাই আট লাখের কম। গ্যালেফু সিটি প্রকল্পে কতজন শ্রমিক লাগবে, তার কোনও সংখ্যা বলা হয়নি। ভুটানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি শ্রমিকের চাহিদা কত, তার কোনও তথ্যও নেই। শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার একটি বিবৃতি। এটাই কি তবে বিএনপির নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির ভিত্তি?

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকার বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর নামে কী করেছে, তা ইতিহাসের জঘন্যতম অধ্যায়। মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, লিবিয়া, জর্ডান, দুবাই, ইতালি, গ্রিস, দক্ষিণ কোরিয়া। প্রতিটি দেশে শ্রমিক পাঠানোর নামে কোটি কোটি টাকা লুট হয়েছে। প্রতিটি দেশে গেছে পাচার হওয়া মানুষের কান্না। প্রতিটি দেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধ্বংস হয়েছে। মানব পাচার, ভিসা জালিয়াতি, প্রতারণা, শোষণ। বিএনপি আমলের শ্রম রপ্তানির ফাইল খুললে সেখানে লুটপাট আর অমানবিকতার স্তূপ ছাড়া কিছু নেই।

এখন সেই বিএনপিই ফিরে এসেছে ২০২৬ সালে। আবারও শ্রমিক পাঠানোর নামে নতুন প্রকল্প। আবারও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৎপরতা। আবারও সেই পুরনো চক্র সক্রিয়। ভুটানের মতো ছোট দেশে শ্রমিক পাঠানোর নামে নতুন করে কি মানুষ পাচারের ফাঁদ পাতা হচ্ছে? গ্যালেফু সিটির নামে আবারও কি শ্রম রপ্তানির লুটপাটের নতুন অধ্যায় শুরু হবে?

‘২৪ এর জুলাই দাঙ্গার পর থেকে বাংলাদেশের ভেতরে বেকারত্ব আকাশচুম্বী। কোটি কোটি তরুণ কাজের খোঁজে দিন কাটাচ্ছে। দেশের শিল্প কারখানা বন্ধ হচ্ছে। বিনিয়োগ কমছে। শিক্ষিত তরুণরা ঘরে বসে। সেই বাস্তবতায় ভুটানের নামে শ্রমিক পাঠানোর স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে। এটা কি দেশের মানুষের চোখে ধুলো দেওয়া নয়? দেশের ভেতরে কাজ না দিতে পারা সরকার ভুটানে শ্রমিক পাঠানোর কথা বলছে। এটা কোনও অর্জন নয়। এটা রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতারই প্রমাণ।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য বলছে, ভুটানের অর্থনীতি বাংলাদেশের ১২৭ ভাগের এক ভাগ। যে দেশের বার্ষিক বাজেট বাংলাদেশের একটি বড় শহরের বার্ষিক বাজেটের চেয়েও কম, সেখানে শ্রমিক পাঠানোর অর্থ কী? ভুটানের শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য কতটা উন্মুক্ত? ভুটানের অর্থনীতি কতজন বাংলাদেশি শ্রমিককে ধারণ করতে পারবে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে বিএনপিকে।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি আমলে শ্রম রপ্তানির নামে কী হয়েছে, তা ভুলে গেলে চলবে না। মালয়েশিয়ায় হাজারো বাংলাদেশি শ্রমিককে প্রতারণার শিকার করা হয়েছে। সৌদি আরবে গিয়ে অনেকে না খেয়ে দিন কাটিয়েছেন। লিবিয়ায় গিয়ে অনেকে মানব পাচারের শিকার হয়েছেন। কুয়েতে গিয়ে অনেকে নির্যাতিত হয়েছেন। এই ফাইলগুলো বিএনপি কখনও খুলে দেখেনি। এখন আবারও সেই বিএনপি ক্ষমতায়। আবারও শ্রমিক পাঠানোর নামে নতুন প্রকল্প। আবারও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৎপরতা।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির অগ্রাধিকার হওয়া উচিত দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করা। শ্রমিক পাঠানোর আগে সেই দেশের শ্রমবাজার, শ্রম আইন, নিয়োগ প্রক্রিয়া, বেতন কাঠামো, অভিবাসন নীতি সব কিছু যাচাই করা। কিন্তু বিএনপি সরকারের আমলে সেই যাচাইয়ের কোনও রেকর্ড নেই। শুধু লুটপাট আর পাচার। শুধু স্বপ্ন দেখানো আর প্রতারণা।

ভুটানে শ্রমিক পাঠানোর নামে আবারও কি সেই পুরনো চক্র সক্রিয় হচ্ছে? আবারও কি শ্রম রপ্তানির নামে কোটি কোটি টাকা লুট হবে? আবারও কি রাষ্ট্রীয় মদদে পাচারের শিকার হবে হাজার হাজার মানুষ?

ভুটানের জিডিপি ৩ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের ৪৫৬ বিলিয়ন। ভুটানের চেয়ে আমাদের অর্থনীতি ১২৭ গুণ বড়। সেই ভুটানে শ্রমিক পাঠাতে চেয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলছেন, গ্যালেফু মাইন্ডফুলনেস সিটির উন্নয়নে দক্ষ ও আধাদক্ষ জনশক্তি সরবরাহ করা হবে।

প্রশ্ন হলো, ভুটানের মোট জনসংখ্যাই আট লাখের কম। গ্যালেফু সিটি প্রকল্পে কতজন শ্রমিক লাগবে, তার কোনও সংখ্যা বলা হয়নি। ভুটানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি শ্রমিকের চাহিদা কত, তার কোনও তথ্যও নেই। শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার একটি বিবৃতি। এটাই কি তবে বিএনপির নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির ভিত্তি?

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকার বিদেশে শ্রমিক পাঠানোর নামে কী করেছে, তা ইতিহাসের জঘন্যতম অধ্যায়। মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, লিবিয়া, জর্ডান, দুবাই, ইতালি, গ্রিস, দক্ষিণ কোরিয়া। প্রতিটি দেশে শ্রমিক পাঠানোর নামে কোটি কোটি টাকা লুট হয়েছে। প্রতিটি দেশে গেছে পাচার হওয়া মানুষের কান্না। প্রতিটি দেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ধ্বংস হয়েছে। মানব পাচার, ভিসা জালিয়াতি, প্রতারণা, শোষণ। বিএনপি আমলের শ্রম রপ্তানির ফাইল খুললে সেখানে লুটপাট আর অমানবিকতার স্তূপ ছাড়া কিছু নেই।

এখন সেই বিএনপিই ফিরে এসেছে ২০২৬ সালে। আবারও শ্রমিক পাঠানোর নামে নতুন প্রকল্প। আবারও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৎপরতা। আবারও সেই পুরনো চক্র সক্রিয়। ভুটানের মতো ছোট দেশে শ্রমিক পাঠানোর নামে নতুন করে কি মানুষ পাচারের ফাঁদ পাতা হচ্ছে? গ্যালেফু সিটির নামে আবারও কি শ্রম রপ্তানির লুটপাটের নতুন অধ্যায় শুরু হবে?

‘২৪ এর জুলাই দাঙ্গার পর থেকে বাংলাদেশের ভেতরে বেকারত্ব আকাশচুম্বী। কোটি কোটি তরুণ কাজের খোঁজে দিন কাটাচ্ছে। দেশের শিল্প কারখানা বন্ধ হচ্ছে। বিনিয়োগ কমছে। শিক্ষিত তরুণরা ঘরে বসে। সেই বাস্তবতায় ভুটানের নামে শ্রমিক পাঠানোর স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে। এটা কি দেশের মানুষের চোখে ধুলো দেওয়া নয়? দেশের ভেতরে কাজ না দিতে পারা সরকার ভুটানে শ্রমিক পাঠানোর কথা বলছে। এটা কোনও অর্জন নয়। এটা রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতারই প্রমাণ।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য বলছে, ভুটানের অর্থনীতি বাংলাদেশের ১২৭ ভাগের এক ভাগ। যে দেশের বার্ষিক বাজেট বাংলাদেশের একটি বড় শহরের বার্ষিক বাজেটের চেয়েও কম, সেখানে শ্রমিক পাঠানোর অর্থ কী? ভুটানের শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য কতটা উন্মুক্ত? ভুটানের অর্থনীতি কতজন বাংলাদেশি শ্রমিককে ধারণ করতে পারবে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে বিএনপিকে।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি আমলে শ্রম রপ্তানির নামে কী হয়েছে, তা ভুলে গেলে চলবে না। মালয়েশিয়ায় হাজারো বাংলাদেশি শ্রমিককে প্রতারণার শিকার করা হয়েছে। সৌদি আরবে গিয়ে অনেকে না খেয়ে দিন কাটিয়েছেন। লিবিয়ায় গিয়ে অনেকে মানব পাচারের শিকার হয়েছেন। কুয়েতে গিয়ে অনেকে নির্যাতিত হয়েছেন। এই ফাইলগুলো বিএনপি কখনও খুলে দেখেনি। এখন আবারও সেই বিএনপি ক্ষমতায়। আবারও শ্রমিক পাঠানোর নামে নতুন প্রকল্প। আবারও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তৎপরতা।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির অগ্রাধিকার হওয়া উচিত দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করা। শ্রমিক পাঠানোর আগে সেই দেশের শ্রমবাজার, শ্রম আইন, নিয়োগ প্রক্রিয়া, বেতন কাঠামো, অভিবাসন নীতি সব কিছু যাচাই করা। কিন্তু বিএনপি সরকারের আমলে সেই যাচাইয়ের কোনও রেকর্ড নেই। শুধু লুটপাট আর পাচার। শুধু স্বপ্ন দেখানো আর প্রতারণা।

ভুটানে শ্রমিক পাঠানোর নামে আবারও কি সেই পুরনো চক্র সক্রিয় হচ্ছে? আবারও কি শ্রম রপ্তানির নামে কোটি কোটি টাকা লুট হবে? আবারও কি রাষ্ট্রীয় মদদে পাচারের শিকার হবে হাজার হাজার মানুষ?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ