ডিসেম্বরে দাম ছিল সাড়ে দশ ডলারের নিচে। সেপ্টেম্বরে এসে দাঁড়াল প্রায় ত্রিশ ডলারে। কয়েক মাসেই তিনগুণ। কারও কি প্রশ্ন জাগে না, কীভাবে এভাবে বাড়ে দাম?
মজার ব্যাপার হলো, একই সময়ে সরাসরি ক্রয়ে আমেরিকান কোম্পানির কাছ থেকে এলএনজি মিলছে সতেরো ডলারে, আবার একই তালিকায় অন্য প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সেই দামই প্রায় ত্রিশ ডলার। পার্থক্যটা কোথা থেকে আসে, হিসাব কে দেবে?
অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বসা কমিটি একের পর এক এসব প্রস্তাব অনুমোদন করে যাচ্ছে, প্রশ্ন ছাড়াই। অথচ এই টাকা তো যায় জনগণের পকেট থেকেই, বিদ্যুৎ বিলে, গ্যাসের দামে।
২০০১ থেকে ২০০৬, সেই পুরনো গল্পটাই যেন আবার ফিরে এলো। ক্ষমতায় বসলেই দুর্নীতির পুরনো অভ্যাসগুলো যেন সঙ্গে সঙ্গে জেগে ওঠে বিএনপির বরাবরের মতোই।

