প্রতিদিন সন্ধ্যাতে অন্ধকার নামতেই লোডশেডিংয়ের শুরু হতেই সময়টা যেনো পিছিয়ে যায় দুই দশক আগে। ২০০১-০৬ সালের বিএনপি-জামায়াত জোটের বিদ্যুৎ-দুর্ভোগ যেন হুবহু ফিরে এসেছে ২০২৬ সালে, শুধু ক্যালেন্ডারের পাতাটাই বদলেছে, এই যা!
ক্ষমতায় দখলের সাত মাস পার করে ফেলেছে বিএনপি আর তাদের সঙ্গী জামায়াত, অথচ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ নেই এখনও। পটুয়াখালীর পায়রা কেন্দ্র নিয়মিত বসে থাকে রক্ষণাবেক্ষণ আর জ্বালানি সংকটের অজুহাতে, কারিগরি দক্ষতার অভাবে সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ইচ্ছেমতো সরবরাহ বন্ধ রাখে, আর বিএনপি-জামাত গং এখানে যেনো শুধু নীরব দর্শক।
১১৪টি কেন্দ্র সচল থেকেও উৎপাদন হচ্ছে সক্ষমতার মোটে ৫৭ শতাংশ, ৪৫টি কেন্দ্র বসে বসে ভাড়া গুনে যাচ্ছে। চাহিদা যেখানে আঠারো হাজার মেগাওয়াটের মতো, সেখানে কাগজে-কলমে প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা তৈরি করে রাখা হয়েছে। এই বিশাল ধাপ্পাবাজিটাই বলে দেয় কতটা লুটপাট আর অব্যবস্থাপনা চলছে, আর নিজেদের পকেট ভরতে সেই একই ব্যবস্থা কিভাবে অক্ষত রাখছে এই তথাকথিত সরকার।
ক্ষমতায় দখল করার সাত মাস পর তরল জ্বালানি দিয়ে চড়া দামে বিদ্যুৎ কিনে জনগণের করের টাকা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, আর সাধারণ মানুষ গরমে ঘেমে-নেয়ে দিন গুনছে কখন বিদ্যুৎ আসবে!

