পাওনা বেতনের দেখা নেই, প্রাণ শঙ্কায় আছেন বিদেশী কোচ, বাফুফে বলছে “সমস্যা নেই”!

জেরার্ড জোনসকে বাফুফে দায়িত্ব দেয় এই বছরের মে মাসে। ঠিক সেই সময়েই বাফুফের কর্তারা তথাকথিত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের কাছে গিয়েছিলেন জাতীয় দলের কোচের বেতনের টাকা চাইতে। অবৈধ এই মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, কিন্তু কত টাকা দেবেন তা নিশ্চিত করেননি, আর সাংবাদিকরা ফোন করলে সেই ফোনও ধরেননি।

তিন মাস পর ঠিক সেই ফেডারেশনেরই একজন কোচ ফেসবুকে বাধ্য হয়ে লিখছেন, তিনি নিজের জীবনের জন্য ভীত, স্ত্রী সন্তানের খাবারের টাকাও পাঠাতে পারছেন না। দুইটা তথ্য পাশাপাশি রাখলেই বোঝা যায় সমস্যাটা শুধু বাফুফের একার অব্যবস্থাপনা না, রাষ্ট্রের যে মন্ত্রণালয় থেকে টাকা আসার কথা সেখানেই দায়িত্বহীনতা।

ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা দখলের পর এই অবৈধ দখলদার সরকার ফুটবল নিয়ে প্রতিশ্রুতির অভাব রাখেনি। খেলোয়াড়দের সরকারি বেতন কাঠামো হবে, তিনটা স্টেডিয়াম বাফুফেকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে, নারী পুরুষ সব খেলোয়াড় বেতনভুক্ত হবে, এমন ঘোষণা এসেছে একের পর এক। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে একজন সদ্য নিয়োগ পাওয়া বিদেশি কোচকে টাকার অভাবে না খেয়ে থাকার আশঙ্কায় দিন কাটাতে হচ্ছে।

ঘোষণা আর বাস্তবায়নের মধ্যে এই যে বিশাল ফাঁক, ঠিক এটাই ছিল বিএনপি-জামায়াত জোট শাসনের পুরনো চেনা লক্ষণ, কথা প্রচুর, কাজের বেলায় জবাবদিহি শূন্য। আর মাঝখান থেকে ভুক্তভোগী হচ্ছেন এমন একজন মানুষ যিনি নিজের প্রাপ্য টাকাটুকুও সময়মতো পাচ্ছেন না।

জেরার্ড জোনসকে বাফুফে দায়িত্ব দেয় এই বছরের মে মাসে। ঠিক সেই সময়েই বাফুফের কর্তারা তথাকথিত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের কাছে গিয়েছিলেন জাতীয় দলের কোচের বেতনের টাকা চাইতে। অবৈধ এই মন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, কিন্তু কত টাকা দেবেন তা নিশ্চিত করেননি, আর সাংবাদিকরা ফোন করলে সেই ফোনও ধরেননি।

তিন মাস পর ঠিক সেই ফেডারেশনেরই একজন কোচ ফেসবুকে বাধ্য হয়ে লিখছেন, তিনি নিজের জীবনের জন্য ভীত, স্ত্রী সন্তানের খাবারের টাকাও পাঠাতে পারছেন না। দুইটা তথ্য পাশাপাশি রাখলেই বোঝা যায় সমস্যাটা শুধু বাফুফের একার অব্যবস্থাপনা না, রাষ্ট্রের যে মন্ত্রণালয় থেকে টাকা আসার কথা সেখানেই দায়িত্বহীনতা।

ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা দখলের পর এই অবৈধ দখলদার সরকার ফুটবল নিয়ে প্রতিশ্রুতির অভাব রাখেনি। খেলোয়াড়দের সরকারি বেতন কাঠামো হবে, তিনটা স্টেডিয়াম বাফুফেকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে, নারী পুরুষ সব খেলোয়াড় বেতনভুক্ত হবে, এমন ঘোষণা এসেছে একের পর এক। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে একজন সদ্য নিয়োগ পাওয়া বিদেশি কোচকে টাকার অভাবে না খেয়ে থাকার আশঙ্কায় দিন কাটাতে হচ্ছে।

ঘোষণা আর বাস্তবায়নের মধ্যে এই যে বিশাল ফাঁক, ঠিক এটাই ছিল বিএনপি-জামায়াত জোট শাসনের পুরনো চেনা লক্ষণ, কথা প্রচুর, কাজের বেলায় জবাবদিহি শূন্য। আর মাঝখান থেকে ভুক্তভোগী হচ্ছেন এমন একজন মানুষ যিনি নিজের প্রাপ্য টাকাটুকুও সময়মতো পাচ্ছেন না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ