নদীদখলে লাল নিশান, ২০০১-০৬ আবার মূর্তিমান!

উপজেলা ভূমি অফিসের ঠিক সামনেই প্রকাশ্যে তিতাস নদী ভরাট করা হচ্ছে, আর নির্দেশ দেওয়ার এক সপ্তাহ পরও একমুঠো বালু সরেনি। এটা কেবল এক ব্যক্তির দৌরাত্ম্য নয়, এটা ২০২৬ সালের বিএনপি-জামাত গংয়ের শাসনব্যবস্থার নগ্ন চিত্র।

নির্দেশ অমান্যটা যিনি করছেন তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী, নাম আকবর আলী। স্থানীয়রা জানান, আগে রাস্তার ওপর বালু মজুদ করতেন, এখন সরাসরি নদীর ভেতরেই দুই জায়গায় ৫০-৬০ ফুট করে বালু ফেলে স্রোত রোধ করেছেন। প্রশাসন গত সপ্তাহে সেই নদীর অংশ চিহ্নিত করে লাল নিশান টেনে বালু সরাতে বলেছে। ফলাফল শূন্য।

প্রশ্ন হল, এত দুঃসাহস আসছে কোথা থেকে? এত নির্ভীকতা কেন যে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নাকের ডগায় নদী দখল হয়, অথচ ব্যবস্থা নিতে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বলছেন “কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”? আলোচনার কী আছে এখানে? নদী যে দখলমুক্ত করা যায় না, সেই নজির তো ২০০১-০৬ মেয়াদেই স্পষ্ট হয়েছিল।

তখন বিএনপি-জামাত জোটের ছত্রছায়ায় সারাদেশে নদীদখল, বালু উত্তোলন আর ভরাট ছিল মহামারীর মত। প্রশাসনকে মুখ বুজে সহযোগিতা করতে বাধ্য করা হতো। আকবর আলীদের মত লোকেরা নির্ভয় ছিল, কারণ পৃষ্ঠপোষকতা ছিল সরকারের ভেতরেই।

সেই একই সমীকরণ এখন দেখা যাচ্ছে সরাইলের পাকশিমুলে। তিতাসের পানিপ্রবাহ বন্ধ করে নৌচলাচল অচল করা হচ্ছে, তীরভাঙনের শঙ্কা তৈরি করেও দখলদার নির্ভার। এটা তার একার ক্ষমতা নয়, এটা জোট আমলের সংস্কৃতি। ক্ষমতার পালাবদলে যারা আবার রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছে, প্রশাসনকে তারা বৃদ্ধাঙ্গুলিই দেখাচ্ছে। ভূমি অফিসের চৌহদ্দিতে নির্দেশ অমান্যের এই ঘটনা তাই নিছক ভূমিদস্যুতা নয়, এটা রাষ্ট্রের কর্তৃত্বের ওপর আঘাত।

মাত্র এক সপ্তাহে যে ঘটনা সামলানো গেল না, তাতে স্পষ্ট ২০২৬ সালের বাংলাদেশে বিএনপি-জামাত জোটের শাসনে প্রশাসন কতটা অকার্যকর আর প্রভাবশালীদের কাছে কতটা জিম্মি হয়ে পড়েছে। নির্দেশ দিয়ে থেমে থাকা নয়, এখনই বালু উচ্ছেদ করতে হবে, দখলদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নাহলে তিতাসের এই বুক ভরাটের চিত্রই হয়ে থাকবে জোটের আমলের চিরচেনা স্বরূপ।

উপজেলা ভূমি অফিসের ঠিক সামনেই প্রকাশ্যে তিতাস নদী ভরাট করা হচ্ছে, আর নির্দেশ দেওয়ার এক সপ্তাহ পরও একমুঠো বালু সরেনি। এটা কেবল এক ব্যক্তির দৌরাত্ম্য নয়, এটা ২০২৬ সালের বিএনপি-জামাত গংয়ের শাসনব্যবস্থার নগ্ন চিত্র।

নির্দেশ অমান্যটা যিনি করছেন তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী, নাম আকবর আলী। স্থানীয়রা জানান, আগে রাস্তার ওপর বালু মজুদ করতেন, এখন সরাসরি নদীর ভেতরেই দুই জায়গায় ৫০-৬০ ফুট করে বালু ফেলে স্রোত রোধ করেছেন। প্রশাসন গত সপ্তাহে সেই নদীর অংশ চিহ্নিত করে লাল নিশান টেনে বালু সরাতে বলেছে। ফলাফল শূন্য।

প্রশ্ন হল, এত দুঃসাহস আসছে কোথা থেকে? এত নির্ভীকতা কেন যে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নাকের ডগায় নদী দখল হয়, অথচ ব্যবস্থা নিতে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বলছেন “কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”? আলোচনার কী আছে এখানে? নদী যে দখলমুক্ত করা যায় না, সেই নজির তো ২০০১-০৬ মেয়াদেই স্পষ্ট হয়েছিল।

তখন বিএনপি-জামাত জোটের ছত্রছায়ায় সারাদেশে নদীদখল, বালু উত্তোলন আর ভরাট ছিল মহামারীর মত। প্রশাসনকে মুখ বুজে সহযোগিতা করতে বাধ্য করা হতো। আকবর আলীদের মত লোকেরা নির্ভয় ছিল, কারণ পৃষ্ঠপোষকতা ছিল সরকারের ভেতরেই।

সেই একই সমীকরণ এখন দেখা যাচ্ছে সরাইলের পাকশিমুলে। তিতাসের পানিপ্রবাহ বন্ধ করে নৌচলাচল অচল করা হচ্ছে, তীরভাঙনের শঙ্কা তৈরি করেও দখলদার নির্ভার। এটা তার একার ক্ষমতা নয়, এটা জোট আমলের সংস্কৃতি। ক্ষমতার পালাবদলে যারা আবার রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছে, প্রশাসনকে তারা বৃদ্ধাঙ্গুলিই দেখাচ্ছে। ভূমি অফিসের চৌহদ্দিতে নির্দেশ অমান্যের এই ঘটনা তাই নিছক ভূমিদস্যুতা নয়, এটা রাষ্ট্রের কর্তৃত্বের ওপর আঘাত।

মাত্র এক সপ্তাহে যে ঘটনা সামলানো গেল না, তাতে স্পষ্ট ২০২৬ সালের বাংলাদেশে বিএনপি-জামাত জোটের শাসনে প্রশাসন কতটা অকার্যকর আর প্রভাবশালীদের কাছে কতটা জিম্মি হয়ে পড়েছে। নির্দেশ দিয়ে থেমে থাকা নয়, এখনই বালু উচ্ছেদ করতে হবে, দখলদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নাহলে তিতাসের এই বুক ভরাটের চিত্রই হয়ে থাকবে জোটের আমলের চিরচেনা স্বরূপ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ