আইনের শাসনের নামে বিএনপি প্রশাসন এখন কারা হেফাজতে মৃত্যু নিশ্চিত করছে

একটি তরুণ প্রাণের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, বিএনপি সরকারের ন্যায়বিচারের ওপর মানুষের বিশ্বাসকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।ফরিদপুরে আইন কলেজের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তের হেফাজতে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসছে।

পরিবারের দাবি, আটক করার সময় প্রকাশ্যে মারধর করা হয়, পরে তাকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয় এবং ভিডিও ফুটেজেও তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। বিএনপি সরকারের পুলিশ প্রশাসন, টাকার অঙ্ক বাড়তে বাড়তে এক লাখ টাকায় পৌঁছায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুক্তি নয়, পরিবারের হাতে ফিরে আসে প্রান্তের নিথর দেহ।

অন্যদিকে বিএনপি সরকারের পুলিশ দাবি করেছে, প্রান্ত অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন এবং তার সঙ্গে কোনো নির্যাতন করা হয়নি কিন্তু সিসিটিভির ফুটেজ দেখে নিশ্চিত যে হেফাজতে থাকা অবস্থাতেই তাঁকে টাকা না পেয়ে অমানবিক ভাবে প্রহারেরমাধ্যমে প্রান্ত কে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেই।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, পরিবারের অভিযোগ, সাক্ষীদের বর্ণনা এবং ঘটনাকে ঘিরে উঠে আসা বিভিন্ন অসংগতি এখন প্রমাণ করছে বিএনপি প্রশাসন এখন বিএনপি দলের মতোই চাঁদাবাজি তে উন্মুক্ত, চাঁদাবাজির টাকা না পেলেই পুলিশ হেফাজতকেই মৃত্যুকূপে রূপান্তরিত করেছে।

এটি শুধু একটি হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা নয়, বরং বিএনপি সরকারের আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং রাষ্ট্রের বাস্তব চিত্র। একটি সভ্য রাষ্ট্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে চাঁদাবাজি করানো এটা বিএনপি সরকারের নতুন প্ল্যানের অংশ।

এখন দেশের সাধারণ মানুষও জানতে চায়, একজন তরুণের হত্যা, নাকি এর পেছনে আছে বিএনপি সরকারের রাজনৈতিক দমন পীড়নের নতুন কোন পরিকল্পনা। বিএনপি সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার, নির্যাতন এবং দুর্নীতির নির্মম বাস্তবতার উদাহরণ হলো ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত ।

একটি তরুণ প্রাণের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, বিএনপি সরকারের ন্যায়বিচারের ওপর মানুষের বিশ্বাসকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।ফরিদপুরে আইন কলেজের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তের হেফাজতে মৃত্যুকে কেন্দ্র করে একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসছে।

পরিবারের দাবি, আটক করার সময় প্রকাশ্যে মারধর করা হয়, পরে তাকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হয় এবং ভিডিও ফুটেজেও তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। বিএনপি সরকারের পুলিশ প্রশাসন, টাকার অঙ্ক বাড়তে বাড়তে এক লাখ টাকায় পৌঁছায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুক্তি নয়, পরিবারের হাতে ফিরে আসে প্রান্তের নিথর দেহ।

অন্যদিকে বিএনপি সরকারের পুলিশ দাবি করেছে, প্রান্ত অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন এবং তার সঙ্গে কোনো নির্যাতন করা হয়নি কিন্তু সিসিটিভির ফুটেজ দেখে নিশ্চিত যে হেফাজতে থাকা অবস্থাতেই তাঁকে টাকা না পেয়ে অমানবিক ভাবে প্রহারেরমাধ্যমে প্রান্ত কে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেই।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, পরিবারের অভিযোগ, সাক্ষীদের বর্ণনা এবং ঘটনাকে ঘিরে উঠে আসা বিভিন্ন অসংগতি এখন প্রমাণ করছে বিএনপি প্রশাসন এখন বিএনপি দলের মতোই চাঁদাবাজি তে উন্মুক্ত, চাঁদাবাজির টাকা না পেলেই পুলিশ হেফাজতকেই মৃত্যুকূপে রূপান্তরিত করেছে।

এটি শুধু একটি হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা নয়, বরং বিএনপি সরকারের আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং রাষ্ট্রের বাস্তব চিত্র। একটি সভ্য রাষ্ট্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে চাঁদাবাজি করানো এটা বিএনপি সরকারের নতুন প্ল্যানের অংশ।

এখন দেশের সাধারণ মানুষও জানতে চায়, একজন তরুণের হত্যা, নাকি এর পেছনে আছে বিএনপি সরকারের রাজনৈতিক দমন পীড়নের নতুন কোন পরিকল্পনা। বিএনপি সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার, নির্যাতন এবং দুর্নীতির নির্মম বাস্তবতার উদাহরণ হলো ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্ত ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ