মাদক ট্রানজিটে বাংলাদেশ, বিএনপি-জামাতের এক্সক্লুসিভ ডেলিভারিতে কাণ্ডারী বিহীন এক মাদকতরী!

একটা অন্ধকারাচ্ছন্ন ছায়া আবারও বাংলাদেশের আকাশে ঘনীভূত হচ্ছে। আমরা ভেবেছিলাম, ২০০১-০৬ সালের সেই দুঃস্বপ্নের অধ্যায় চিরতরে শেষ। কে জানত, ২০২৬ সালের জুনে দাঁড়িয়ে আবারও সেই একই আতঙ্কে বুক কাঁপবে? জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল নারকোটিক্স কন্ট্রোল বোর্ডের সর্বশেষ প্রতিবেদন যেন একটা আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে আমাদেরকে। আর সেই আয়নায় আমরা দেখতে পাচ্ছি ২০২৬ সালের বাংলাদেশকে, যে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মাদক সিন্ডিকেট কোকেনের ট্রানজিট রুট বানিয়ে ফেলেছে।

ভাবতেও ঘৃণা হয়, কলম্বিয়া বা পেরুর ল্যাব থেকে বের হওয়া সাদা বিষ প্রথমে আফ্রিকা ঘুরে সোজা ঢুকছে বাংলাদেশে। আর এদেশের আকাশপথ, সমুদ্রপথ যেন এখন ওদের হাতের মুঠোয়। যে আকাশে পতাকা উড়ে স্বাধীনতার, সেই আকাশপথেই নাকি উড়ে আসে কোকেনভর্তি ব্যাগ, অথচ আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী যেন বিবস্ত্র দর্শক!

এটা কোনো গালগল্প নয়, এটা রীতিমতো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মৃত্যুঘণ্টা। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ঘণ্টা শোনার মতো কান কি এখন ক্ষমতায় আছে? ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল আমরা ভুলিনি। সেই পাঁচ বছর যেন এক অন্ধকার সুড়ঙ্গ ছিল, যে সুড়ঙ্গ দিয়ে মাদক, অবৈধ অস্ত্র আর জঙ্গিবাদ এই দেশের শিরা-উপশিরায় মিশে গিয়েছিল। চট্টগ্রামের বন্দর হয়ে সেই সময় অস্ত্র আসার ছবি এখনো চোখে লেগে আছে। অথচ আজ, ২০২৬ সালে, একই চক্রের ছায়া যেন আরও গাঢ় হয়ে ফিরে এসেছে। বিএনপি আর জামায়াতে ইসলামী, আপনারা আসলে কী চান? দেশটাকে কি পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত করবেন?

প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশ এখন আর শুধু ট্রানজিট নয়, এটি কোকেন সেবনের বাজারে রূপ নিচ্ছে। গত কয়েক বছরে রাজধানী ঢাকাতেই বিদেশি নাগরিকরা ধরা পড়েছেন। মালাউ, নাইজেরিয়া, তানজানিয়ার নাগরিকরা যেন রীতিমতো বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে বসেছেন। অথচ এদের গ্রেপ্তার সংবাদটা চাপা পড়ে যায় অন্য আর দশটা খবরের আড়ালে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে একশ তিরিশ কেজি কোকেন ধরা পড়েছে। একশ তিরিশ কেজি কোকেন! এই বিপুল পরিমাণ মাদক কার তত্ত্বাবধানে দেশে ঢুকল, সেই প্রশ্ন কেউ করছে না। যে সরকার আইনশৃঙ্খলার অভিভাবকত্বের কথা বলে, তারা কি ঘুমিয়ে ছিল?

কেবল আকাশপথই নয়, স্থলপথও যেন খোলা ময়দান। জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনেই পরিষ্কার বলা আছে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে তৈরি হওয়া ইয়াবার ভয়ংকর চালান আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম হয়ে সোজা ঢুকছে বাংলাদেশে। এটা কি কোনো সাধারণ চোরাচালান? এটা তো পরিকল্পিত আগ্রাসন। অন্যদিকে, টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ, সেন্ট মার্টিন হয়ে নাফ নদী যেন মৃত্যুর স্রোত বইয়ে আনছে। মনে পড়ে যায়, একসময় জঙ্গিবাদ আর মাদক চোরাচালানের নিরাপদ স্বর্গরাজ্য ছিল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল। আজ সেই অঞ্চল যেন আবারও একই ছন্দে ফিরে গেছে। ক্ষমতার মসনদে বসে বিএনপি-জামাতের এই চিরন্তন বন্ধুত্ব কি আবারও সেই স্বর্গরাজ্য ফিরিয়ে আনছে?

আমরা বিস্মৃত নই। গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল, গোল্ডেন ক্রিসেন্ট আর গোল্ডেন ওয়েজ, এই তিন প্রধান মাদক উৎপাদন অঞ্চলের মাঝখানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান সবসময়ই সংবেদনশীল ছিল। কিন্তু একটা রাষ্ট্রীয় ইচ্ছাশক্তি এই সংবেদনশীলতাকে প্রতিরোধের প্রাচীরেও পরিণত করতে পারে, অথবা মাদক চক্রের অভয়ারণ্যেও পরিণত করতে পারে। ২০২৬ সালের বাংলাদেশ যেন দ্বিতীয় বিকল্পের দিকেই হাঁটছে। যে ভয়ংকর বিস্তারের কথা বলা হচ্ছে, সেটা শুধু নেশার বাজার না, এটা রীতিমতো একটা সমান্তরাল অপরাধজগতের বিস্তার। টাকার পাহাড় জমছে, আর সেই টাকা গিয়ে পড়ছে অন্ধকার হাতে।

সবচেয়ে ভয়ংকর যে তথ্যটা আসছে, তা হলো অপ্রচলিত রাসায়নিক মাদকের ভয়াবহ বিস্তার। ২০১৮ সালের পর থেকে তেরো ধরনের নতুন মাদক দেশে শনাক্ত হয়েছে। এই মাদকগুলো এতটাই ভয়ংকর যে এগুলো সহজেই তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে পারে। এ যেন এক নীরব গণহত্যা। অথচ এইসব অপ্রচলিত মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কোনো জিরো টলারেন্স চোখে পড়ছে না। বরং মাঝে মধ্যেই শোনা যায়, মাদকের বড় বড় চালান আটকের পর পেছনের কারিগররা কীভাবে যেন অলৌকিকভাবে পার পেয়ে যায়। এই দায়মুক্তির সংস্কৃতি কি ক্ষমতার শীর্ষ মহলের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া সম্ভব?

মনে পড়ে, ২০০১-০৬ সালের সেই দুঃসাহসী সময়ের কথা। তখন বিএনপি-জামাতের আমলে দুর্নীতি, সন্ত্রাস আর মাদকের এমন ছড়াছড়ি ছিল যে দেশটাকে রীতিমতো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। আজ বিশ বছর পর, একই দল, একই দোসর, একই চক্র যেন আরও বেশি শাণিত হয়ে ফিরেছে। আজকে এটা কোকেনের ট্রানজিট, কাল হয়তো এর চেয়েও ভয়ংকর কিছুর ট্রানজিট হয়ে উঠবে বাংলাদেশ। যে জাতির তরুণেরা আজ ট্রেন্ডি নেশায় আসক্ত হচ্ছে, তাদের ভবিষ্যৎই তো শেষ। একটা জাতিকে ধ্বংস করতে বোমা বা গুলির দরকার হয় না; কয়েক কেজি কোকেন আর বিএনপি-জামাতের মতো অবৈধ আর অথর্ব সরকারই যথেষ্ট।

একটা অন্ধকারাচ্ছন্ন ছায়া আবারও বাংলাদেশের আকাশে ঘনীভূত হচ্ছে। আমরা ভেবেছিলাম, ২০০১-০৬ সালের সেই দুঃস্বপ্নের অধ্যায় চিরতরে শেষ। কে জানত, ২০২৬ সালের জুনে দাঁড়িয়ে আবারও সেই একই আতঙ্কে বুক কাঁপবে? জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল নারকোটিক্স কন্ট্রোল বোর্ডের সর্বশেষ প্রতিবেদন যেন একটা আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে আমাদেরকে। আর সেই আয়নায় আমরা দেখতে পাচ্ছি ২০২৬ সালের বাংলাদেশকে, যে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মাদক সিন্ডিকেট কোকেনের ট্রানজিট রুট বানিয়ে ফেলেছে।

ভাবতেও ঘৃণা হয়, কলম্বিয়া বা পেরুর ল্যাব থেকে বের হওয়া সাদা বিষ প্রথমে আফ্রিকা ঘুরে সোজা ঢুকছে বাংলাদেশে। আর এদেশের আকাশপথ, সমুদ্রপথ যেন এখন ওদের হাতের মুঠোয়। যে আকাশে পতাকা উড়ে স্বাধীনতার, সেই আকাশপথেই নাকি উড়ে আসে কোকেনভর্তি ব্যাগ, অথচ আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী যেন বিবস্ত্র দর্শক!

এটা কোনো গালগল্প নয়, এটা রীতিমতো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মৃত্যুঘণ্টা। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ঘণ্টা শোনার মতো কান কি এখন ক্ষমতায় আছে? ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল আমরা ভুলিনি। সেই পাঁচ বছর যেন এক অন্ধকার সুড়ঙ্গ ছিল, যে সুড়ঙ্গ দিয়ে মাদক, অবৈধ অস্ত্র আর জঙ্গিবাদ এই দেশের শিরা-উপশিরায় মিশে গিয়েছিল। চট্টগ্রামের বন্দর হয়ে সেই সময় অস্ত্র আসার ছবি এখনো চোখে লেগে আছে। অথচ আজ, ২০২৬ সালে, একই চক্রের ছায়া যেন আরও গাঢ় হয়ে ফিরে এসেছে। বিএনপি আর জামায়াতে ইসলামী, আপনারা আসলে কী চান? দেশটাকে কি পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত করবেন?

প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশ এখন আর শুধু ট্রানজিট নয়, এটি কোকেন সেবনের বাজারে রূপ নিচ্ছে। গত কয়েক বছরে রাজধানী ঢাকাতেই বিদেশি নাগরিকরা ধরা পড়েছেন। মালাউ, নাইজেরিয়া, তানজানিয়ার নাগরিকরা যেন রীতিমতো বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে বসেছেন। অথচ এদের গ্রেপ্তার সংবাদটা চাপা পড়ে যায় অন্য আর দশটা খবরের আড়ালে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালে একশ তিরিশ কেজি কোকেন ধরা পড়েছে। একশ তিরিশ কেজি কোকেন! এই বিপুল পরিমাণ মাদক কার তত্ত্বাবধানে দেশে ঢুকল, সেই প্রশ্ন কেউ করছে না। যে সরকার আইনশৃঙ্খলার অভিভাবকত্বের কথা বলে, তারা কি ঘুমিয়ে ছিল?

কেবল আকাশপথই নয়, স্থলপথও যেন খোলা ময়দান। জাতিসংঘের ওই প্রতিবেদনেই পরিষ্কার বলা আছে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে তৈরি হওয়া ইয়াবার ভয়ংকর চালান আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম হয়ে সোজা ঢুকছে বাংলাদেশে। এটা কি কোনো সাধারণ চোরাচালান? এটা তো পরিকল্পিত আগ্রাসন। অন্যদিকে, টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ, সেন্ট মার্টিন হয়ে নাফ নদী যেন মৃত্যুর স্রোত বইয়ে আনছে। মনে পড়ে যায়, একসময় জঙ্গিবাদ আর মাদক চোরাচালানের নিরাপদ স্বর্গরাজ্য ছিল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল। আজ সেই অঞ্চল যেন আবারও একই ছন্দে ফিরে গেছে। ক্ষমতার মসনদে বসে বিএনপি-জামাতের এই চিরন্তন বন্ধুত্ব কি আবারও সেই স্বর্গরাজ্য ফিরিয়ে আনছে?

আমরা বিস্মৃত নই। গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গল, গোল্ডেন ক্রিসেন্ট আর গোল্ডেন ওয়েজ, এই তিন প্রধান মাদক উৎপাদন অঞ্চলের মাঝখানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান সবসময়ই সংবেদনশীল ছিল। কিন্তু একটা রাষ্ট্রীয় ইচ্ছাশক্তি এই সংবেদনশীলতাকে প্রতিরোধের প্রাচীরেও পরিণত করতে পারে, অথবা মাদক চক্রের অভয়ারণ্যেও পরিণত করতে পারে। ২০২৬ সালের বাংলাদেশ যেন দ্বিতীয় বিকল্পের দিকেই হাঁটছে। যে ভয়ংকর বিস্তারের কথা বলা হচ্ছে, সেটা শুধু নেশার বাজার না, এটা রীতিমতো একটা সমান্তরাল অপরাধজগতের বিস্তার। টাকার পাহাড় জমছে, আর সেই টাকা গিয়ে পড়ছে অন্ধকার হাতে।

সবচেয়ে ভয়ংকর যে তথ্যটা আসছে, তা হলো অপ্রচলিত রাসায়নিক মাদকের ভয়াবহ বিস্তার। ২০১৮ সালের পর থেকে তেরো ধরনের নতুন মাদক দেশে শনাক্ত হয়েছে। এই মাদকগুলো এতটাই ভয়ংকর যে এগুলো সহজেই তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে পারে। এ যেন এক নীরব গণহত্যা। অথচ এইসব অপ্রচলিত মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কোনো জিরো টলারেন্স চোখে পড়ছে না। বরং মাঝে মধ্যেই শোনা যায়, মাদকের বড় বড় চালান আটকের পর পেছনের কারিগররা কীভাবে যেন অলৌকিকভাবে পার পেয়ে যায়। এই দায়মুক্তির সংস্কৃতি কি ক্ষমতার শীর্ষ মহলের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া সম্ভব?

মনে পড়ে, ২০০১-০৬ সালের সেই দুঃসাহসী সময়ের কথা। তখন বিএনপি-জামাতের আমলে দুর্নীতি, সন্ত্রাস আর মাদকের এমন ছড়াছড়ি ছিল যে দেশটাকে রীতিমতো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। আজ বিশ বছর পর, একই দল, একই দোসর, একই চক্র যেন আরও বেশি শাণিত হয়ে ফিরেছে। আজকে এটা কোকেনের ট্রানজিট, কাল হয়তো এর চেয়েও ভয়ংকর কিছুর ট্রানজিট হয়ে উঠবে বাংলাদেশ। যে জাতির তরুণেরা আজ ট্রেন্ডি নেশায় আসক্ত হচ্ছে, তাদের ভবিষ্যৎই তো শেষ। একটা জাতিকে ধ্বংস করতে বোমা বা গুলির দরকার হয় না; কয়েক কেজি কোকেন আর বিএনপি-জামাতের মতো অবৈধ আর অথর্ব সরকারই যথেষ্ট।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ