ডাক্তার নিজেই বললেন মিথ্যা লিখেছেন, তবু মামলা আছে তিন সাংবাদিকের নামে!

আশিকুর রহমান জুলাই দাঙ্গায় ছিলেন না। ছিলেন হাসপাতালের বিছানায়, ব্রেন ইনফেকশন নিয়ে। তবু তাঁকে বানানো হয়েছে “জুলাই শহীদ”, পরিবার পেয়েছে ৩০ লাখ টাকা, আর তাঁর নামে হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে তিনজন সাংবাদিককে!

রংপুর মেডিক্যালের ছাড়পত্রে স্পষ্ট লেখা ছিল সেপসিস আর ব্রেন ইনফেকশন। মাথায় আঘাতের কোনো উল্লেখ নেই। কিন্তু বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেথ সার্টিফিকেটে হঠাৎ যোগ হলো “অ্যালেজড হেড ইনজুরি ডিউরিং স্টুডেন্ট প্রোটেস্ট”। এমআরআইতেও আঘাতের চিহ্ন নেই, মেডিক্যাল বোর্ডও পায়নি কিছু। তবু লেখা হলো।

সেই ডেথ সার্টিফিকেটে সই করা ডা. মন্তোষ কুমার মণ্ডল দুই দিন লুকোচুরির পর শেষে নিজেই স্বীকার করলেন, “এই ছেলে মূলত সেপটিক শকে মারা গেছে। আমরা কোনো হেড ইনজুরি পাইনি।” তাহলে লিখলেন কেন? বললেন, “তখনকার পরিস্থিতি আপনারা বোঝেন।”

স্থানীয় সমন্বয়করা বলছেন আশিক সেদিন কুড়িগ্রামে ছিলেনই না, সিসিটিভি ফুটেজেও নেই। প্রতিবেশী জানাচ্ছেন, আশিকের ব্রেন টিউমার ছিল চার বছর ধরে। মামা ফেসবুকে লিখেছিলেন “দীর্ঘদিন ব্রেইন স্ট্রোকে অসুস্থ থাকা ভাগ্নে” মারা গেছে।

এই মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে যে হত্যা মামলা হলো, তাতে আসামি হলেন কুড়িগ্রামের তিন সাংবাদিক। চল্লিশ বছরের সাংবাদিক আব্দুল খালেক ফারুক বললেন, “এমন লজ্জার পরিস্থিতিতে জীবনে পড়িনি।”

একটা ভুয়া মৃত্যুসনদ, একটা বানোয়াট মামলা, আর পুরো একটা পরিবারের সুযোগসন্ধানী নীরবতা। এই তিনটা মিলিয়ে যা তৈরি হয়েছে, সেটা শুধু আশিকুরের ঘটনা না। বিএমইউর সাবেক এক কর্মকর্তার কথায়, “এমন ঘটনা আরো ঘটে থাকতে পারে।”

আশিকুর রহমান জুলাই দাঙ্গায় ছিলেন না। ছিলেন হাসপাতালের বিছানায়, ব্রেন ইনফেকশন নিয়ে। তবু তাঁকে বানানো হয়েছে “জুলাই শহীদ”, পরিবার পেয়েছে ৩০ লাখ টাকা, আর তাঁর নামে হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে তিনজন সাংবাদিককে!

রংপুর মেডিক্যালের ছাড়পত্রে স্পষ্ট লেখা ছিল সেপসিস আর ব্রেন ইনফেকশন। মাথায় আঘাতের কোনো উল্লেখ নেই। কিন্তু বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেথ সার্টিফিকেটে হঠাৎ যোগ হলো “অ্যালেজড হেড ইনজুরি ডিউরিং স্টুডেন্ট প্রোটেস্ট”। এমআরআইতেও আঘাতের চিহ্ন নেই, মেডিক্যাল বোর্ডও পায়নি কিছু। তবু লেখা হলো।

সেই ডেথ সার্টিফিকেটে সই করা ডা. মন্তোষ কুমার মণ্ডল দুই দিন লুকোচুরির পর শেষে নিজেই স্বীকার করলেন, “এই ছেলে মূলত সেপটিক শকে মারা গেছে। আমরা কোনো হেড ইনজুরি পাইনি।” তাহলে লিখলেন কেন? বললেন, “তখনকার পরিস্থিতি আপনারা বোঝেন।”

স্থানীয় সমন্বয়করা বলছেন আশিক সেদিন কুড়িগ্রামে ছিলেনই না, সিসিটিভি ফুটেজেও নেই। প্রতিবেশী জানাচ্ছেন, আশিকের ব্রেন টিউমার ছিল চার বছর ধরে। মামা ফেসবুকে লিখেছিলেন “দীর্ঘদিন ব্রেইন স্ট্রোকে অসুস্থ থাকা ভাগ্নে” মারা গেছে।

এই মিথ্যার উপর দাঁড়িয়ে যে হত্যা মামলা হলো, তাতে আসামি হলেন কুড়িগ্রামের তিন সাংবাদিক। চল্লিশ বছরের সাংবাদিক আব্দুল খালেক ফারুক বললেন, “এমন লজ্জার পরিস্থিতিতে জীবনে পড়িনি।”

একটা ভুয়া মৃত্যুসনদ, একটা বানোয়াট মামলা, আর পুরো একটা পরিবারের সুযোগসন্ধানী নীরবতা। এই তিনটা মিলিয়ে যা তৈরি হয়েছে, সেটা শুধু আশিকুরের ঘটনা না। বিএমইউর সাবেক এক কর্মকর্তার কথায়, “এমন ঘটনা আরো ঘটে থাকতে পারে।”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ