বিএনপি-জামাতের অবৈধ দখলদার সরকারের হাতের খেলনা, ব্যবসায়ীরা এখন কোথায় যাবেন?

বিশ মাস। একটা দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন বিশ মাস ধরে চলছে একজন সরকারি আমলার হাতে। মূল্যস্ফীতি নয় শতাংশ, ব্যাংকঋণের সুদ পনেরো শতাংশ, গ্যাস-বিদ্যুৎ নেই, কারখানা বন্ধ হচ্ছে একে একে। আর এই সময়ে ব্যবসায়ীদের কথা সরকারের কানে পৌঁছে দেওয়ার কেউ নেই।

ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা সংশোধন করে এফবিসিসিআইয়ে নির্বাচন দেওয়ার কথা ছিল চার মাসের মধ্যে। ছয় মাস পেরিয়ে গেছে, কোনো হেলদোল নেই। যে প্রশাসককে বসানো হয়েছে, তাঁর পক্ষে লবিং করা সম্ভব না, দরকষাকষি করা সম্ভব না, ব্যবসায়ীদের পক্ষে টেবিলে বসা সম্ভব না।

জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে যে সরকার চলছে, তারা মুখে অর্থনীতির কথা বললেও কাজে আগ্রহ নেই। চারশোরও বেশি বাণিজ্য সংগঠন এবং তিরাশিটি চেম্বার ঝুলে আছে এই অচলাবস্থায়। ক্ষুদ্র থেকে বড়, সব ব্যবসায়ীর প্রতিনিধিত্বের জায়গাটা এখন ফাঁকা।

বিধিমালা সংশোধন কঠিন কিছু না। রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এক মাসেই হয়। সেটাই তো নেই।

বিশ মাস। একটা দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন বিশ মাস ধরে চলছে একজন সরকারি আমলার হাতে। মূল্যস্ফীতি নয় শতাংশ, ব্যাংকঋণের সুদ পনেরো শতাংশ, গ্যাস-বিদ্যুৎ নেই, কারখানা বন্ধ হচ্ছে একে একে। আর এই সময়ে ব্যবসায়ীদের কথা সরকারের কানে পৌঁছে দেওয়ার কেউ নেই।

ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা সংশোধন করে এফবিসিসিআইয়ে নির্বাচন দেওয়ার কথা ছিল চার মাসের মধ্যে। ছয় মাস পেরিয়ে গেছে, কোনো হেলদোল নেই। যে প্রশাসককে বসানো হয়েছে, তাঁর পক্ষে লবিং করা সম্ভব না, দরকষাকষি করা সম্ভব না, ব্যবসায়ীদের পক্ষে টেবিলে বসা সম্ভব না।

জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে যে সরকার চলছে, তারা মুখে অর্থনীতির কথা বললেও কাজে আগ্রহ নেই। চারশোরও বেশি বাণিজ্য সংগঠন এবং তিরাশিটি চেম্বার ঝুলে আছে এই অচলাবস্থায়। ক্ষুদ্র থেকে বড়, সব ব্যবসায়ীর প্রতিনিধিত্বের জায়গাটা এখন ফাঁকা।

বিধিমালা সংশোধন কঠিন কিছু না। রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এক মাসেই হয়। সেটাই তো নেই।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ