নির্বিকার ছিল সুদখোর-শিশুহত্যাকারী ইউনুস, চুপ করে আছে দুর্নীতির বরপুত্র তারেক

জুলাই আন্দোলনের পর ভেবেছিলেন সব সাধু-সন্তরা দেশ চালাচ্ছে ? ভুল ভাবছেন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কোনো অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও রাতারাতি কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির (CPGCBL) স্বতন্ত্র পরিচালক বনে যায় সাবেক শিবির ক্যাডার ও বর্তমানে জামায়াতের বি-টিম এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব রাফে সালমান রিফাত। আর সেখানে বসেই সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এবং বিদ্যুৎ সচিব ফারজানা মমতাজকে সাথে নিয়ে সে গড়ে তোলে এক ভয়ংকর ‘টেন্ডার সিন্ডিকেট’।

সিন্ডিকেটের খেলা: রিফাত ও তার চক্রের সাথে ‘সমঝোতা’ না করলে যোগ্য প্রতিষ্ঠানও কাজ পেত না। আর সমঝোতা হলে আদালতের আদেশ অমান্য করেও অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হতো।

ডাকাত সর্দার প্রধান উপদেষ্টার কাছে ছিল সকল প্রমাণ: সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ইয়ংতাই এনার্জি’ রিফাতের সরাসরি ঘুষ/সমঝোতা চাওয়ার হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ ও কল রেকর্ডসহ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়। কিন্তু তৎকালীন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান কোনো ব্যবস্থাই নেননি! কারণ ফাওজুল কবির নিজেই এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা, কিন্তু মিডিয়ায় তাকে প্রচার করা হয়েছে ফেরেশতা হিসেবে। আর প্রধান উপদেষ্টা নিজে তো ডাকাত সর্দার, দেশে ছাড়ার আগে আরেকটি গ্রামীন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করার মত অর্থ আত্মসাৎ করেছে। তারা দুর্নীতির বিচার করবে এটা কল্পনা করাও দুষ্কর।

নিম্নমানের কয়লা, কোটি কোটি টাকার ক্ষতি: উচ্চ আদালতের রায় তোয়াক্কা না করে, জাতীয় নির্বাচনের ঠিক একদিন আগে আরএনপিএল (RNPL) কর্তৃপক্ষকে দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত ও প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত ‘পিটি সাম্বার গ্লোবাল এনার্জি’ (SGER) এর সাথে ১০ লাখ টন কয়লা ক্রয়ের চুক্তি করানো হয়। যার খেসারত দিচ্ছে দেশ—কোটি কোটি টাকা ক্ষতি করে আনা হচ্ছে নিম্নমানের কয়লা।

অভিজ্ঞতা ছাড়াই ক্ষমতা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাবেক নেতা ও ইউআইইউ-এর ফার্মেসি বিভাগের প্রভাষক রিফাত জ্বালানি খাতের ‘জ’ও জানে না। অথচ তাকে জামায়াত ও একটি বিশেষ বিদেশি শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে এই চেয়ারে বসানো হয়।

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, অনুসন্ধানে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এবং প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে জমা দেওয়া চিঠির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। অথচ আজ পর্যন্ত এই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি!

২০২৪ এর জুলাই মাসে এই রিফাতরা আওয়ামী লীগ সরকারের নামে দূর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ তুলেছিল কিন্তু দুই বছরেও বিএনপি-জামাত-ইউনুস-এনসিপি মিলে কোন প্রমাণ হাজির করতে পারে নি। তবে এই সময়ের মধ্যে তারা ঠিকই নিজেদের আখের গুছিয়েছে, দেশের মেরুদণ্ডও ভেঙ্গেছে। অবৈধ ইউনুস সরকারের সময়ে সম্পাদিত এই কয়লা আমদানির কালো চুক্তি করার দায়ে ‘ফাওজুল-ফারজানা-রিফাত’ সিন্ডিকেটের বিচার একদিন হবেই ইনশাআল্লাহ।

জুলাই আন্দোলনের পর ভেবেছিলেন সব সাধু-সন্তরা দেশ চালাচ্ছে ? ভুল ভাবছেন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে কোনো অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও রাতারাতি কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির (CPGCBL) স্বতন্ত্র পরিচালক বনে যায় সাবেক শিবির ক্যাডার ও বর্তমানে জামায়াতের বি-টিম এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব রাফে সালমান রিফাত। আর সেখানে বসেই সাবেক উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান এবং বিদ্যুৎ সচিব ফারজানা মমতাজকে সাথে নিয়ে সে গড়ে তোলে এক ভয়ংকর ‘টেন্ডার সিন্ডিকেট’।

সিন্ডিকেটের খেলা: রিফাত ও তার চক্রের সাথে ‘সমঝোতা’ না করলে যোগ্য প্রতিষ্ঠানও কাজ পেত না। আর সমঝোতা হলে আদালতের আদেশ অমান্য করেও অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেওয়া হতো।

ডাকাত সর্দার প্রধান উপদেষ্টার কাছে ছিল সকল প্রমাণ: সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ইয়ংতাই এনার্জি’ রিফাতের সরাসরি ঘুষ/সমঝোতা চাওয়ার হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ ও কল রেকর্ডসহ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেয়। কিন্তু তৎকালীন উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান কোনো ব্যবস্থাই নেননি! কারণ ফাওজুল কবির নিজেই এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা, কিন্তু মিডিয়ায় তাকে প্রচার করা হয়েছে ফেরেশতা হিসেবে। আর প্রধান উপদেষ্টা নিজে তো ডাকাত সর্দার, দেশে ছাড়ার আগে আরেকটি গ্রামীন কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করার মত অর্থ আত্মসাৎ করেছে। তারা দুর্নীতির বিচার করবে এটা কল্পনা করাও দুষ্কর।

নিম্নমানের কয়লা, কোটি কোটি টাকার ক্ষতি: উচ্চ আদালতের রায় তোয়াক্কা না করে, জাতীয় নির্বাচনের ঠিক একদিন আগে আরএনপিএল (RNPL) কর্তৃপক্ষকে দিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে বিতর্কিত ও প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত ‘পিটি সাম্বার গ্লোবাল এনার্জি’ (SGER) এর সাথে ১০ লাখ টন কয়লা ক্রয়ের চুক্তি করানো হয়। যার খেসারত দিচ্ছে দেশ—কোটি কোটি টাকা ক্ষতি করে আনা হচ্ছে নিম্নমানের কয়লা।

অভিজ্ঞতা ছাড়াই ক্ষমতা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সাবেক নেতা ও ইউআইইউ-এর ফার্মেসি বিভাগের প্রভাষক রিফাত জ্বালানি খাতের ‘জ’ও জানে না। অথচ তাকে জামায়াত ও একটি বিশেষ বিদেশি শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে এই চেয়ারে বসানো হয়।

সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, অনুসন্ধানে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এবং প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে জমা দেওয়া চিঠির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে। অথচ আজ পর্যন্ত এই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি!

২০২৪ এর জুলাই মাসে এই রিফাতরা আওয়ামী লীগ সরকারের নামে দূর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ তুলেছিল কিন্তু দুই বছরেও বিএনপি-জামাত-ইউনুস-এনসিপি মিলে কোন প্রমাণ হাজির করতে পারে নি। তবে এই সময়ের মধ্যে তারা ঠিকই নিজেদের আখের গুছিয়েছে, দেশের মেরুদণ্ডও ভেঙ্গেছে। অবৈধ ইউনুস সরকারের সময়ে সম্পাদিত এই কয়লা আমদানির কালো চুক্তি করার দায়ে ‘ফাওজুল-ফারজানা-রিফাত’ সিন্ডিকেটের বিচার একদিন হবেই ইনশাআল্লাহ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ