আওয়ামী লীগ সরকারের যুগান্তকারী মেগা প্রকল্পগুলোর সুফল ভোগ করে দেশের উন্নয়নকে থমকে দিতে দিনরাত বিষোদ্গার চালিয়েছিল যে পরজীবী গোষ্ঠী, তাদের অন্যতম প্রতিভূ জুনায়েদ সাকি। দেশপ্রেমের ভণ্ড পোশাক পরে, দাঁত কামড়ে কাল্পনিক ও বানোয়াট তথ্যের উস্কানি দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করাই ছিল এই তথাকথিত রাজনীতিকের মূল পেশা। কিন্তু সত্যকে কখনো অপপ্রচার দিয়ে ঢাকা যায় না—আজ সাকি নিজেই নিজের অতীত মিথ্যাচারের সবচেয়ে বড় প্রামাণ্য দলিল!
একনেক সভায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটির হরিলুট ও নীরবতা: যে মেট্রোরেলের খরচ নিয়ে সাকিরা গলা ফাটিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়েছিল, আজ একই প্রকল্পে নিঃশব্দে নজিরবিহীন বাজেট বৃদ্ধি করা হয়েছে:
➤ এমআরটি লাইন-৫ (নর্দান রুট): খরচ বাড়িয়ে একলাফে করা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি টাকা।
➤ এমআরটি লাইন-১: চরম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়ে বাজেট ঠেকানো হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি টাকায।
দুই প্রকল্পে এক রাতেই ১ লাখ ১০ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ দেওয়া সত্ত্বেও সাকির মতো নীতিবাগীশ ভণ্ডদের মুখ থেকে একটি শব্দও বের হচ্ছে না কেন?
আওয়ামী লীগের আমলে জনগণের সুবিধার জন্য গৃহীত প্রকল্পে কানাকড়ি বাড়তি খরচ দেখা না গেলেও যারা ‘দুর্নীতি দুর্নীতি’ বলে মাতম করত, আজ ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত বরাদ্দের পর তাদের এই রহস্যজনক নীরবতা প্রমাণ করে— মিথ্যাচারের নাটক বন্ধ রাখার বিনিময়ে সাকিরা কি পেছনের দরজা দিয়ে নিজেদের নির্দিষ্ট ভাগ বুঝে পেয়েছে।
উন্নয়নের বিরোধিতা করে মেকি রূপকথা শোনানো এই রাজনৈতিক পরজীবীদের মূল উদ্দেশ্য ছিল কেবল দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করা এবং নিজেদের রাজনৈতিক আখের গোছানো। আজ ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার বাড়তি বাজেটের সামনে সাকির নির্লজ্জ নীরবতা প্রমাণ করে, এদের কোনো নীতি নেই, কোনো আদর্শ নেই—এদের একমাত্র নীতি সুবিধাবাদ ও পকেট ভারী করা।

