একুশটা ব্যাংক এখন কার্যত ধুঁকছে। মূলধন ঘাটতি প্রায় তিন লাখ কোটি টাকা, তিন মাসেই নিট ঘাটতি বেড়েছে বাইশ হাজার কোটি। প্রভিশন ঘাটতি সোয়া দুই লাখ কোটি ছাড়িয়ে জুনে দুই লাখ বাইশ হাজার কোটিতে ঠেকেছে। খেলাপি ঋণ মোট বিতরণের বত্রিশ শতাংশ।
সিআরএআর নেমে গেছে মাইনাসে, যেখানে ন্যূনতম সাড়ে বারো শতাংশ থাকার কথা। ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের একারই ঘাটতি ছেষট্টি হাজার কোটি টাকা।
সংখ্যাগুলো নতুন কিছু বলছে না। ২০০১-০৬ সালেও এভাবেই ব্যাংক লুট হয়েছিল, রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ গেছে হাওয়া ভবনের আশীর্বাদপুষ্ট গোষ্ঠীর পকেটে, তদারকি ছিল নামমাত্র। সেই সময়ের দল আবার ক্ষমতায়, আর তখনকার জোটসঙ্গী জামায়াত এবার সংসদে দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তি হয়ে ফিরেছে। মুখে সংস্কার আর জবাবদিহির বুলি, বাস্তবে ব্যাংক খাতের হিসাব বলছে পুরনো অভ্যাস এখনও অক্ষত।
আমানতকারীর টাকা এখন ঝুঁকিতে। প্রশ্ন একটাই, এই ইতিহাস আবার পুরোপুরি দেখতে আমদেরা আর কতদিন অপেক্ষা করা লাগতে পারে?

