শিশুহত্যাকারী ইউনূস সরকারের দেড় বছরের লুটতন্ত্র ও উপদেষ্টা মণ্ডলীর মুখোশ উন্মোচন

সাধারণ ছাত্রদের ভুল বুঝিয়ে মেটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে ইউনুসন ক্ষমতার মসনদে আসে, ইউনুসের সেই ২০০৮ সাল থেকে ক্ষমতায় বসার ইচ্ছা ছিল যেটা ২০২৪ সালে বাস্তবায়ন হয়, সেখানে সাধারণ ছাত্রদের সহ বাসা বাড়িতে থাকা শিশুদেরও হত্যা করে ইউনুসের সন্ত্রাসী জঙ্গি বাহিনী, দেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ ছাত্র সমাজ ভুল বুঝেছিল তখনকার আওয়ামী লীগ সরকার কে, কিন্তু তাকে কেউ না চিনলেও ঠিকই চিনেছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।

৮ আগস্ট ২০২৪ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেই ইউনুস।দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতি, করফাঁকি, শ্রম আইন মামলা সব গুলো একরকম প্রত্যাহার করিয়েছে, সকল মামলা আদালতের রায়ে খারিজ/খালাস হয়েছে।

এই দুর্নীতিবাজ, শিশুহত্যাকারী ইউনুস ক্ষমতা দখলের পরেই তার উপদেষ্টা মণ্ডলীতে আরও যোগদেই কিছু দুর্নীতিবাজ, ডলার খেঁকও লোকজন যাদের টার্গেটই ছিল দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করে দেশকে বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দেওয়া এবং দেশের টাকা পয়সা লুটপাট করা। ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন দেড় বছরের শাসনকাল দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের চরম অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সুশীল সমাজের আড়ালে থাকা এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা থেকে শুরু করে অধিকাংশ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার কোটি টাকার লুটপাট করেছে এক এক জন।

উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাদের দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্রে দুদকের তদন্ত: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া: ১৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। দুবাইয়ে ৪,৫০০ কোটি, সিঙ্গাপুরে ৩,০০০ কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ২,০০০ কোটি ও সুইজারল্যান্ডে ১,৫০০ কোটি টাকা সহ মোট ১১ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস: প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড ও নরওয়ে—এই চার দেশে অন্তত ৫,০০০ কোটি টাকার বেশি পাচারের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। নরওয়েতে তার নিজস্ব অ্যাকাউন্টে গ্রামীণফোনের মাধ্যমে ৩৭৪ কোটি টাকা জমা হওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য মিলেছে।

আসিফ নজরুল: বিচারক, সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে ১০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাত ও পাচারের এক ডজন অভিযোগ জমা হয়েছে। নিউইয়র্ক ও ফ্লোরিডায় বেনামে সম্পদ তৈরির তথ্য এসেছে।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান: স্বামী আবু বকর সিদ্দিকীর মাধ্যমে দুবাই ও লন্ডনে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা এবং টাকা পাচারসহ ৮,০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে।

নুরজাহান বেগম: উপদেষ্টা পদে থেকে নিকটাত্মীয়ের নামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে বিলাসবহুল বাড়ি কেনার তথ্য সামনে এসেছে।

এনজিওভিত্তিক তথাকথিত সুশীল সমাজের জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং নিজেদের আখের গোছানোর মানসিকতাই এই দেড় বছরের শাসনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ ২০২৪ সালের ৫৯ কোটি সুইস ফ্রাঁ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁতে দাঁড়িয়েছে—যা প্রায় ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা হওয়া প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার লিখিত অভিযোগ প্রমাণ করে, এই তথাকথিত সংস্কারবাদী সরকার ছিল বস্তুত জনবিচ্ছিন্ন এনজিও-সিন্ডিকেট ও মব-সন্ত্রাসের আসল পৃষ্ঠপোষক।সংস্কার, সুশাসন আর বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের মুখরোচক গল্প শুনিয়ে দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষকে চরম বোকা বানিয়েছে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। একদিকে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশের শিশুদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে—সময়মত টিকাদানের ব্যর্থতা আর চিকিৎসার চরম অবহেলায় নিভে গেছে বহু শিশুর প্রাণ। আর অন্যদিকে, দেশপ্রেমের ভণ্ড সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে এই চক্রটি তছনছ করে দিয়েছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড। দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ দেউলিয়া করে দিয়ে এই সরকারের উপদেষ্টা ও ঘনিষ্ঠ সিন্ডিকেট নিজেরা হাজার হাজার কোটি টাকা কামিয়ে নিয়েছে।

সংস্কারের নামে দেশের মানুষের সাথে এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় প্রতারণা করেছে এনজিওনির্ভর এই সুশীল সিন্ডিকেট। দেশের প্রতি যাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই, তারা ক্ষমতায় বসে শুধু নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে আর রাষ্ট্রকে ঠেলে দিয়েছে ঘোর অন্ধকারে।

কিন্তু দেশের সচেতন ও সাধারণ মানুষ আজ আর বোকা নয়। সংস্কারের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই ভণ্ডদের চিনে ফেলেছে পুরো জাতি। দেশ ধ্বংসকারী, অর্থনীতি লুটেরা এবং জনবিরোধী এই অপরাধীদের মুখোশ আজ পুরোপুরি উন্মোচিত। জনগণ আজ একসুরে এই ভণ্ড রাষ্ট্রঘাতী চক্রের প্রতিটি অপকর্ম ও লুটপাটের কড়া হিসাব চায়!

সাধারণ ছাত্রদের ভুল বুঝিয়ে মেটিকুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে ইউনুসন ক্ষমতার মসনদে আসে, ইউনুসের সেই ২০০৮ সাল থেকে ক্ষমতায় বসার ইচ্ছা ছিল যেটা ২০২৪ সালে বাস্তবায়ন হয়, সেখানে সাধারণ ছাত্রদের সহ বাসা বাড়িতে থাকা শিশুদেরও হত্যা করে ইউনুসের সন্ত্রাসী জঙ্গি বাহিনী, দেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সাধারণ ছাত্র সমাজ ভুল বুঝেছিল তখনকার আওয়ামী লীগ সরকার কে, কিন্তু তাকে কেউ না চিনলেও ঠিকই চিনেছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।

৮ আগস্ট ২০২৪ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেই ইউনুস।দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতি, করফাঁকি, শ্রম আইন মামলা সব গুলো একরকম প্রত্যাহার করিয়েছে, সকল মামলা আদালতের রায়ে খারিজ/খালাস হয়েছে।

এই দুর্নীতিবাজ, শিশুহত্যাকারী ইউনুস ক্ষমতা দখলের পরেই তার উপদেষ্টা মণ্ডলীতে আরও যোগদেই কিছু দুর্নীতিবাজ, ডলার খেঁকও লোকজন যাদের টার্গেটই ছিল দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ করে দেশকে বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দেওয়া এবং দেশের টাকা পয়সা লুটপাট করা। ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন দেড় বছরের শাসনকাল দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের চরম অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সুশীল সমাজের আড়ালে থাকা এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা থেকে শুরু করে অধিকাংশ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার কোটি টাকার লুটপাট করেছে এক এক জন।

উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাদের দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্রে দুদকের তদন্ত: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া: ১৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠে এসেছে। দুবাইয়ে ৪,৫০০ কোটি, সিঙ্গাপুরে ৩,০০০ কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ২,০০০ কোটি ও সুইজারল্যান্ডে ১,৫০০ কোটি টাকা সহ মোট ১১ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস: প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড ও নরওয়ে—এই চার দেশে অন্তত ৫,০০০ কোটি টাকার বেশি পাচারের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। নরওয়েতে তার নিজস্ব অ্যাকাউন্টে গ্রামীণফোনের মাধ্যমে ৩৭৪ কোটি টাকা জমা হওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য মিলেছে।

আসিফ নজরুল: বিচারক, সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে ১০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাত ও পাচারের এক ডজন অভিযোগ জমা হয়েছে। নিউইয়র্ক ও ফ্লোরিডায় বেনামে সম্পদ তৈরির তথ্য এসেছে।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান: স্বামী আবু বকর সিদ্দিকীর মাধ্যমে দুবাই ও লন্ডনে অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা এবং টাকা পাচারসহ ৮,০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে।

নুরজাহান বেগম: উপদেষ্টা পদে থেকে নিকটাত্মীয়ের নামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে বিলাসবহুল বাড়ি কেনার তথ্য সামনে এসেছে।

এনজিওভিত্তিক তথাকথিত সুশীল সমাজের জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা এবং নিজেদের আখের গোছানোর মানসিকতাই এই দেড় বছরের শাসনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থের পরিমাণ ২০২৪ সালের ৫৯ কোটি সুইস ফ্রাঁ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁতে দাঁড়িয়েছে—যা প্রায় ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা হওয়া প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার লিখিত অভিযোগ প্রমাণ করে, এই তথাকথিত সংস্কারবাদী সরকার ছিল বস্তুত জনবিচ্ছিন্ন এনজিও-সিন্ডিকেট ও মব-সন্ত্রাসের আসল পৃষ্ঠপোষক।সংস্কার, সুশাসন আর বৈষম্যহীন রাষ্ট্রের মুখরোচক গল্প শুনিয়ে দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষকে চরম বোকা বানিয়েছে ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। একদিকে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে দেশের শিশুদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে—সময়মত টিকাদানের ব্যর্থতা আর চিকিৎসার চরম অবহেলায় নিভে গেছে বহু শিশুর প্রাণ। আর অন্যদিকে, দেশপ্রেমের ভণ্ড সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে এই চক্রটি তছনছ করে দিয়েছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড। দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ দেউলিয়া করে দিয়ে এই সরকারের উপদেষ্টা ও ঘনিষ্ঠ সিন্ডিকেট নিজেরা হাজার হাজার কোটি টাকা কামিয়ে নিয়েছে।

সংস্কারের নামে দেশের মানুষের সাথে এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় প্রতারণা করেছে এনজিওনির্ভর এই সুশীল সিন্ডিকেট। দেশের প্রতি যাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই, তারা ক্ষমতায় বসে শুধু নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছে আর রাষ্ট্রকে ঠেলে দিয়েছে ঘোর অন্ধকারে।

কিন্তু দেশের সচেতন ও সাধারণ মানুষ আজ আর বোকা নয়। সংস্কারের আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই ভণ্ডদের চিনে ফেলেছে পুরো জাতি। দেশ ধ্বংসকারী, অর্থনীতি লুটেরা এবং জনবিরোধী এই অপরাধীদের মুখোশ আজ পুরোপুরি উন্মোচিত। জনগণ আজ একসুরে এই ভণ্ড রাষ্ট্রঘাতী চক্রের প্রতিটি অপকর্ম ও লুটপাটের কড়া হিসাব চায়!

আরো পড়ুন

সর্বশেষ