কৃষকের ক্ষোভের আগুনে পুড়ল বিএনপি-জামাতের সার-ব্যবস্থাপনা, ভূরুঙ্গামারী জ্বলছে ক্ষোভে

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সারের জন্য কৃষকের রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ এই দখলদার অবৈধ সরকারের কৃষিখাতের ব্যর্থতারই জ্বলন্ত প্রমাণ। সোমবার সকালে বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের ব্রিজপাড় এলাকায় উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ডিলার পয়েন্টে সার বিতরণ শুরু হতেই হাজারো কৃষকের ভিড়ে হুড়োহুড়ি শুরু হয়।

চাহিদামতো সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ কৃষকেরা সড়ক অবরোধ করে আগুন ধরিয়ে দেন এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে আটকে রাখেন। খোলাবাজারে সার বিক্রির দাবিতে কৃষকদের এই ক্ষোভের বিস্ফোরণ যেন ২০০১-০৬ সালের সিন্ডিকেট-অপশাসনের ভূতকেই সামনে নিয়ে এসেছে।

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সার মেলে না। সার নিতে গেলে পুরো দিনের কাজ নষ্ট হয়, অথচ বর্তমানে একজন দিনমজুরের পারিশ্রমিক ৭০০ টাকা। এই লোকসান কে পুষিয়ে দেবে? তাঁরা প্রশ্ন তোলেন, যখন সার সংকট নেই বলে দাবি করা হয়, তখন ডিলার পয়েন্টে এই হাহাকার কেন? খোলাবাজারে বিক্রি করলে অন্তত হয়রানি ছাড়া সার পাওয়া যেত। কিন্তু সেই সুযোগ কে আটকে রেখেছে, তা নিয়ে কৃষকদের মনে তীব্র ক্ষোভ।

ঘটনার খবর পেয়ে ইউএনও অমৃত দেব নাথ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক এবং থানার ওসি আজিম উদ্দিন ঘটনাস্থলে যান। দীর্ঘক্ষণ ধরে কৃষকদের সঙ্গে দর কষাকষির পর খোলাবাজারে সার বিক্রির আশ্বাসে কোনো রকমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে উপস্থিত কৃষকদের মধ্যে ডিএপি ৩৩৫ বস্তা, টিএসপি ৯৫ বস্তা ও এমওপি ১৫৭ বস্তা বিতরণ করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, এই সাময়িক বিতরণ কি আসল সমস্যার সমাধান, নাকি শুধুই আগুন নেভানোর তৎপরতা?

ক্ষমতাসীন জোটের দায়িত্বশীলদের কাছে কৃষকের এই আর্তনাদ পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিয়ে সংশয় বাড়ছে। ২০০১-০৬ সালে সারের জন্য কৃষককে ঘুষ দিতে হতো, ডিলারের গুদাম থেকে চোরাইপথে সার চলে যেত খোলাবাজারে। সেই চিত্র কি আবার ফিরছে? এবার তাহলে দায় কার? কৃষি কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা কিন্তু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সারা দেশেই সারের হাহাকার, বীজের সংকট, আর দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা প্রান্তিক মানুষ।

ভূরুঙ্গামারীতে কৃষকের সড়ক অবরোধ সরকারের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা। কৃষকের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে পরিণতি যে আরও ভয়াবহ হতে পারে, তা বোঝার মতো সদিচ্ছা কি ক্ষমতার শীর্ষে বসা মানুষগুলোর আছে? নাকি আবারও সব সমস্যা চাপা দিয়ে কৃষককে ফের লাইনে দাঁড় করানো হবে?

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সারের জন্য কৃষকের রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ এই দখলদার অবৈধ সরকারের কৃষিখাতের ব্যর্থতারই জ্বলন্ত প্রমাণ। সোমবার সকালে বঙ্গসোনাহাট ইউনিয়নের ব্রিজপাড় এলাকায় উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। ডিলার পয়েন্টে সার বিতরণ শুরু হতেই হাজারো কৃষকের ভিড়ে হুড়োহুড়ি শুরু হয়।

চাহিদামতো সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ কৃষকেরা সড়ক অবরোধ করে আগুন ধরিয়ে দেন এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারকে আটকে রাখেন। খোলাবাজারে সার বিক্রির দাবিতে কৃষকদের এই ক্ষোভের বিস্ফোরণ যেন ২০০১-০৬ সালের সিন্ডিকেট-অপশাসনের ভূতকেই সামনে নিয়ে এসেছে।

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সার মেলে না। সার নিতে গেলে পুরো দিনের কাজ নষ্ট হয়, অথচ বর্তমানে একজন দিনমজুরের পারিশ্রমিক ৭০০ টাকা। এই লোকসান কে পুষিয়ে দেবে? তাঁরা প্রশ্ন তোলেন, যখন সার সংকট নেই বলে দাবি করা হয়, তখন ডিলার পয়েন্টে এই হাহাকার কেন? খোলাবাজারে বিক্রি করলে অন্তত হয়রানি ছাড়া সার পাওয়া যেত। কিন্তু সেই সুযোগ কে আটকে রেখেছে, তা নিয়ে কৃষকদের মনে তীব্র ক্ষোভ।

ঘটনার খবর পেয়ে ইউএনও অমৃত দেব নাথ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল হক তারেক এবং থানার ওসি আজিম উদ্দিন ঘটনাস্থলে যান। দীর্ঘক্ষণ ধরে কৃষকদের সঙ্গে দর কষাকষির পর খোলাবাজারে সার বিক্রির আশ্বাসে কোনো রকমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে উপস্থিত কৃষকদের মধ্যে ডিএপি ৩৩৫ বস্তা, টিএসপি ৯৫ বস্তা ও এমওপি ১৫৭ বস্তা বিতরণ করা হয়। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, এই সাময়িক বিতরণ কি আসল সমস্যার সমাধান, নাকি শুধুই আগুন নেভানোর তৎপরতা?

ক্ষমতাসীন জোটের দায়িত্বশীলদের কাছে কৃষকের এই আর্তনাদ পৌঁছাচ্ছে কি না, তা নিয়ে সংশয় বাড়ছে। ২০০১-০৬ সালে সারের জন্য কৃষককে ঘুষ দিতে হতো, ডিলারের গুদাম থেকে চোরাইপথে সার চলে যেত খোলাবাজারে। সেই চিত্র কি আবার ফিরছে? এবার তাহলে দায় কার? কৃষি কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করার ঘটনা কিন্তু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। সারা দেশেই সারের হাহাকার, বীজের সংকট, আর দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দিশেহারা প্রান্তিক মানুষ।

ভূরুঙ্গামারীতে কৃষকের সড়ক অবরোধ সরকারের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা। কৃষকের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে পরিণতি যে আরও ভয়াবহ হতে পারে, তা বোঝার মতো সদিচ্ছা কি ক্ষমতার শীর্ষে বসা মানুষগুলোর আছে? নাকি আবারও সব সমস্যা চাপা দিয়ে কৃষককে ফের লাইনে দাঁড় করানো হবে?

আরো পড়ুন

সর্বশেষ