লিখিত পরীক্ষায় পাশ নম্বর কমিয়ে ভাইভায় নম্বর চারগুণ বৃদ্ধি করা—এটা কোনো নিয়োগ ব্যবস্থার মানোন্নয়ন নয়, বরং স্বজনপ্রীতি ও দলীয়করণের মহাআয়োজন! বিএনপি সরকারের তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান স্পষ্ট করে বলে দিলেন, ভাইভায় নম্বর বাড়িয়ে তাদের ‘বেটার’ মনে হয়েছে। কিন্তু কার জন্য বেটার? দেশের সাধারণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য, নাকি বিএনপি-ছাত্রদলের অযোগ্য ক্যাডারদের সরকারি চাকরিতে বসানোর জন্য?
নিজেদের পছন্দমতো লোক নিয়োগ দিতেই আজ লিখিত পরীক্ষার গুরুত্ব কমিয়ে, ভাইভা পরীক্ষার ওপর একক প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় ফেল করা বা কম নম্বর পাওয়া দলীয় পদধারীদের ভাইভায় পূর্ণ নম্বর দিয়ে মেধা তালিকার শীর্ষে বসানোর নীল নকশা তৈরি করা হয়েছে।
উপদেষ্টা যখন বলেন—“রিটেনে ভালো না করলেও আমার মনে হয়েছে এদের নিয়ে নেওয়া উচিত”—তখনই স্পষ্ট হয়ে যায় এরা মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নয়, বরং ‘দালানকোঠা ও দলীয় ক্যাডারনির্ভর প্রশাসন’ তৈরি করতে চায়। মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন নিয়ে এই দলীয় ছিনিমিনি খেলা বন্ধ করুন!

