১১ ঘণ্টার বিদ্যুৎ বন্ধ, ১৭ গ্রামের মানুষের ভাগ্যে শুধুই ‘আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ’!

শনিবার সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা, টানা ১১ ঘণ্টা নাটোরের বড়াইগ্রামের ১৭টা গ্রাম অচল হয়ে থাকবে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে খালাস, কিন্তু ১৭টা গ্রাহক-পুঞ্জিত এলাকায় পুরো দিনের বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার আগে কোনো বিকল্প ব্যবস্থার কথা বিজ্ঞপ্তিতে নেই। নেই মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট, নেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য আলাদা ফিডার, নেই সেচ পাম্পের জন্য আপৎকালীন ব্যবস্থা।

যে ১৭টা গ্রামের নাম বলা হয়েছে, তার মধ্যে কুমরুল, রামাগাড়ি, কামারদহ, আটঘরিয়া, বড়বড়িয়া এলাকাগুলো মূলত কৃষিনির্ভর। আগস্ট মাসে আমন মৌসুমের জমি তৈরি, বীজতলা পরিচর্যা আর শাকসবজির খেতে সেচ দেওয়ার সময়। বেলা ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা মানে রোদের পুরো সময়টুকুই সেচ পাম্প বন্ধ। প্রান্তিক চাষি যিনি দিনে ১০০-২০০ টাকা দিয়ে শ্যালো মেশিন চালান, তিনি শুধুই ক্ষতিগ্রস্ত হন। সেই ক্ষতির দায় কেউ নেবে না। পল্লী বিদ্যুতের ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী দায় শুধু “আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ” পর্যন্ত।

অথচ এই প্রতিষ্ঠানটির একেকটা সংযোগ দিতে গেলে গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া হয় মোটা অঙ্কের টাকা। সাবস্টেশন স্থাপন, লাইন সম্প্রসারণ, নতুন সংযোগ, কোনোটাই ফ্রি নয়। বিদ্যুৎ বিলে সরকারি ভর্তুকির টাকাও যায়। অথচ সেবার মানে এমন উদাসীনতা কোথায় থেকে আসে, সেটা কেউ খোলাসা করে বলে না। ১১ ঘণ্টা বন্ধ রাখার আগে কেন অন্তত সাত দিনের নোটিশ দেওয়া হলো না? কেন এলাকাভিত্তিক ভাগ করে কাজ করানো হলো না? কেন রাতের বেলা কাজ করা হলো না, যখন বিদ্যুতের চাহিদা কম? প্রশ্নগুলো সোজা, উত্তর নেই।

ব্যাপারটা আরও অস্বস্তিকর কারণ পল্লী বিদ্যুতের এই অঞ্চলগুলোতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবৈধ সংযোগ, ট্রান্সফরমার চুরি, মিটার বাইপাস আর হুক লাইনের অভিযোগ নিয়মিত। যারা নিয়মিত বিল দেয়, তাদের ওপর দিয়ে চলে কারেন্ট চোরদের বাড়তি চাপ। সেই চাপ সামলাতে না পেরে বারবার ট্রান্সফরমার পুড়ে যায়, লাইন নষ্ট হয়। মেরামতের নামে দীর্ঘ বিদ্যুৎ বন্ধ তখন ভুক্তভোগীদেরই ভোগ করতে হয়। চোরের দায় ঘুরেফিরে আসে সাধারণ গ্রাহকের ঘাড়ে।

২০০১-০৬ মেয়াদের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থা আবার তৈরি হয়েছে ২০২৬ সালে। তখনো হাওয়া ভবনের দাপটে বিদ্যুতের সিস্টেম ধুঁকেছে, আর এখন অব্যবস্থাপনা আর অবহেলায়। চালচিত্র আলাদা, ভোগান্তি একই। একটা জিনিস শুধু নিশ্চিত : বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ১৭ গ্রামের মানুষকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া যত সহজ, যৌক্তিক ও সত্য উত্তর দেয়া ততটাই কঠিন।

শনিবার সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা, টানা ১১ ঘণ্টা নাটোরের বড়াইগ্রামের ১৭টা গ্রাম অচল হয়ে থাকবে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে খালাস, কিন্তু ১৭টা গ্রাহক-পুঞ্জিত এলাকায় পুরো দিনের বিদ্যুৎ বন্ধ রাখার আগে কোনো বিকল্প ব্যবস্থার কথা বিজ্ঞপ্তিতে নেই। নেই মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট, নেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য আলাদা ফিডার, নেই সেচ পাম্পের জন্য আপৎকালীন ব্যবস্থা।

যে ১৭টা গ্রামের নাম বলা হয়েছে, তার মধ্যে কুমরুল, রামাগাড়ি, কামারদহ, আটঘরিয়া, বড়বড়িয়া এলাকাগুলো মূলত কৃষিনির্ভর। আগস্ট মাসে আমন মৌসুমের জমি তৈরি, বীজতলা পরিচর্যা আর শাকসবজির খেতে সেচ দেওয়ার সময়। বেলা ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা মানে রোদের পুরো সময়টুকুই সেচ পাম্প বন্ধ। প্রান্তিক চাষি যিনি দিনে ১০০-২০০ টাকা দিয়ে শ্যালো মেশিন চালান, তিনি শুধুই ক্ষতিগ্রস্ত হন। সেই ক্ষতির দায় কেউ নেবে না। পল্লী বিদ্যুতের ওই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী দায় শুধু “আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ” পর্যন্ত।

অথচ এই প্রতিষ্ঠানটির একেকটা সংযোগ দিতে গেলে গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া হয় মোটা অঙ্কের টাকা। সাবস্টেশন স্থাপন, লাইন সম্প্রসারণ, নতুন সংযোগ, কোনোটাই ফ্রি নয়। বিদ্যুৎ বিলে সরকারি ভর্তুকির টাকাও যায়। অথচ সেবার মানে এমন উদাসীনতা কোথায় থেকে আসে, সেটা কেউ খোলাসা করে বলে না। ১১ ঘণ্টা বন্ধ রাখার আগে কেন অন্তত সাত দিনের নোটিশ দেওয়া হলো না? কেন এলাকাভিত্তিক ভাগ করে কাজ করানো হলো না? কেন রাতের বেলা কাজ করা হলো না, যখন বিদ্যুতের চাহিদা কম? প্রশ্নগুলো সোজা, উত্তর নেই।

ব্যাপারটা আরও অস্বস্তিকর কারণ পল্লী বিদ্যুতের এই অঞ্চলগুলোতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অবৈধ সংযোগ, ট্রান্সফরমার চুরি, মিটার বাইপাস আর হুক লাইনের অভিযোগ নিয়মিত। যারা নিয়মিত বিল দেয়, তাদের ওপর দিয়ে চলে কারেন্ট চোরদের বাড়তি চাপ। সেই চাপ সামলাতে না পেরে বারবার ট্রান্সফরমার পুড়ে যায়, লাইন নষ্ট হয়। মেরামতের নামে দীর্ঘ বিদ্যুৎ বন্ধ তখন ভুক্তভোগীদেরই ভোগ করতে হয়। চোরের দায় ঘুরেফিরে আসে সাধারণ গ্রাহকের ঘাড়ে।

২০০১-০৬ মেয়াদের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থা আবার তৈরি হয়েছে ২০২৬ সালে। তখনো হাওয়া ভবনের দাপটে বিদ্যুতের সিস্টেম ধুঁকেছে, আর এখন অব্যবস্থাপনা আর অবহেলায়। চালচিত্র আলাদা, ভোগান্তি একই। একটা জিনিস শুধু নিশ্চিত : বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ১৭ গ্রামের মানুষকে অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া যত সহজ, যৌক্তিক ও সত্য উত্তর দেয়া ততটাই কঠিন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ