খালাসের পর ফের সক্রিয় নেটওয়ার্ক: ‘বোমারু’ মামুনের নতুন তৎপরতায় বাড়ছে উদ্বেগ

২০১৭ সালে রাজধানীর পান্থপথের হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালে জঙ্গি অভিযানের পর উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক ও আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত নব্য জেএমবির শুরা সদস্য নাজমুল হাসান মামুন ওরফে ‘বোমারু মামুন’— চলতি বছরের জানুয়ারিতে আইনি ফাঁকফোকর ও পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে আদালত থেকে খালাস পান। তবে বেকসুর খালাসের পর পুনরায় মামুনের দেশজুড়ে উগ্রবাদী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার তথ্য বেরিয়ে আসছে, যা দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সর্বশেষ তদন্তে জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকা, সাভার ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক এবং বোমার ঘটনার নেপথ্যে এই মামুনেরই প্রত্যক্ষ মদদ ও নেতৃত্ব রয়েছে। পুলিশ তাকে বর্তমানে উগ্রবাদী বিস্ফোরক চক্রের ‘নাটের গুরু’ হিসেবে চিহ্নিত করে অনুসন্ধানে নেমেছে।

সম্প্রতি মঙ্গলবার রাতে সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা থেকে বোমা ও বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক প্রস্তুত প্রণালীর সরঞ্জামসহ আটক করা হয় মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরান নামের এক জেএমবি সদস্যকে। সিটিটিসির অভিযানে আটক আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে আসে বিস্ফোরক তৈরির পেছনে মূল পরামর্শক ও প্রশিক্ষক হিসেবে নাজমুল হাসান মামুনের যুক্ত থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্য। এর ধারাবাহিকতায় সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে উদ্ধারকৃত প্রেসার কুকার বোমা ও কেমিক্যাল জাতীয় বিস্ফোরকের সঙ্গেও নব্য জেএমবির এই পুরোনো নেটওয়ার্কের সুনির্দিষ্ট লিংক খুঁজে পেয়েছে পুলিশ।

নিরাপত্তা ও অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, গুরুতর অপরাধের মামলায় খালাস বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামিন পাওয়ার পর কোনো পর্যবেক্ষণ ছাড়া সাবেক উগ্রবাদীদের মুক্ত ছেড়ে দেওয়া সমাজের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। তারা মনে করেন:

তদন্ত ও বিচারিক ব্যবস্থার ত্রুটি: সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর মামলাগুলোতে রাষ্ট্রপক্ষের সঠিক সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপনে ব্যর্থতার কারণে চিহ্নিত অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। রাজনৈতিক ঢাল বা বিচারিক জটিলতায় ছাড়া পেয়ে এরা পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

নজরদারির অভাব: আদালত থেকে খালাস পাওয়া বা মুক্ত হওয়া উগ্রবাদীদের সামাজিক পুর্নবাসন এবং নিয়মিত ইন্টেলিজেন্স সার্ভিল্যান্স বা নজরদারির আওতায় না রাখলে তারা খুব দ্রুত আন্ডারগ্রাউন্ড নেটওয়ার্ক পুনর্বাসিত করতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, মামুনের নতুন আস্তানা ও জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২০১৭ সালে রাজধানীর পান্থপথের হোটেল ওলিও ইন্টারন্যাশনালে জঙ্গি অভিযানের পর উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক ও আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত নব্য জেএমবির শুরা সদস্য নাজমুল হাসান মামুন ওরফে ‘বোমারু মামুন’— চলতি বছরের জানুয়ারিতে আইনি ফাঁকফোকর ও পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে আদালত থেকে খালাস পান। তবে বেকসুর খালাসের পর পুনরায় মামুনের দেশজুড়ে উগ্রবাদী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার তথ্য বেরিয়ে আসছে, যা দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সর্বশেষ তদন্তে জানা গেছে, সম্প্রতি ঢাকা, সাভার ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক এবং বোমার ঘটনার নেপথ্যে এই মামুনেরই প্রত্যক্ষ মদদ ও নেতৃত্ব রয়েছে। পুলিশ তাকে বর্তমানে উগ্রবাদী বিস্ফোরক চক্রের ‘নাটের গুরু’ হিসেবে চিহ্নিত করে অনুসন্ধানে নেমেছে।

সম্প্রতি মঙ্গলবার রাতে সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা থেকে বোমা ও বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক প্রস্তুত প্রণালীর সরঞ্জামসহ আটক করা হয় মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরান নামের এক জেএমবি সদস্যকে। সিটিটিসির অভিযানে আটক আরিফকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বেরিয়ে আসে বিস্ফোরক তৈরির পেছনে মূল পরামর্শক ও প্রশিক্ষক হিসেবে নাজমুল হাসান মামুনের যুক্ত থাকার চাঞ্চল্যকর তথ্য। এর ধারাবাহিকতায় সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে উদ্ধারকৃত প্রেসার কুকার বোমা ও কেমিক্যাল জাতীয় বিস্ফোরকের সঙ্গেও নব্য জেএমবির এই পুরোনো নেটওয়ার্কের সুনির্দিষ্ট লিংক খুঁজে পেয়েছে পুলিশ।

নিরাপত্তা ও অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, গুরুতর অপরাধের মামলায় খালাস বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামিন পাওয়ার পর কোনো পর্যবেক্ষণ ছাড়া সাবেক উগ্রবাদীদের মুক্ত ছেড়ে দেওয়া সমাজের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ। তারা মনে করেন:

তদন্ত ও বিচারিক ব্যবস্থার ত্রুটি: সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর মামলাগুলোতে রাষ্ট্রপক্ষের সঠিক সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপনে ব্যর্থতার কারণে চিহ্নিত অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। রাজনৈতিক ঢাল বা বিচারিক জটিলতায় ছাড়া পেয়ে এরা পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

নজরদারির অভাব: আদালত থেকে খালাস পাওয়া বা মুক্ত হওয়া উগ্রবাদীদের সামাজিক পুর্নবাসন এবং নিয়মিত ইন্টেলিজেন্স সার্ভিল্যান্স বা নজরদারির আওতায় না রাখলে তারা খুব দ্রুত আন্ডারগ্রাউন্ড নেটওয়ার্ক পুনর্বাসিত করতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, মামুনের নতুন আস্তানা ও জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ