যে রাতে হাওয়া ভবনে জঙ্গিরা পেয়েছিল রাষ্ট্রযন্ত্রের ছাড়পত্র . . .

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার সাক্ষী মাওলানা আবদুর রশিদ আদালতে পরিষ্কার বলেছিলেন, বনানীর হাওয়া ভবনে নিজের চোখে দেখেছেন তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, মুজাহিদ, রেজ্জাকুল হায়দার আর আবদুর রহিমকে। ভেতরে আগে থেকেই বসা মুফতি হান্নান আর মাওলানা তাইজুদ্দিন। মাদ্রাসার গাড়ি চালিয়ে তিনি নিজে গিয়েছিলেন তাদের পৌঁছে দিতে। নিচে দাঁড়িয়ে দেখলেন জঙ্গি আর মন্ত্রী একই ছাদের নিচে ঢুকছে। অথচ আজ ২০২৬ সালে এসে সেই হাওয়া ভবনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারীরা রাষ্ট্রক্ষমতায়।

বিচার বিভাগীয় জবানবন্দীতে জঙ্গি শরীফ সাইদুল আলম বিপুল স্বীকার করেছে, ২০ আগস্ট রাতে তাকে ফোনে জানানো হয়েছিল পরদিন শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে গ্রেনেড হামলা হবে। সেই হামলায় ২৪ জন নিহত, পাঁচশতাধিক আহত। নিহতদের মাঝে আইভি রহমানও ছিলেন।

আরেক জঙ্গি আরিফ হাসান সুমন আদালতে বলেছে, গ্রেনেড সরবরাহকারী পিন্টুর ভাই তাইজুদ্দিনই ছিল হরকত-উল-জিহাদের ঢাকা প্রধান। এই তাইজুদ্দিনই ছিল হাওয়া ভবনের বৈঠকের অন্যতম মুখ। সব সাক্ষ্য এক বিন্দুতে মিলেছে, হাওয়া ভবনের বৈঠক থেকে হামলার ব্লু-প্রিন্ট অনুমোদন হয়েছিল।

আজ সেই হাওয়া ভবনের ছায়ায় বসে বিএনপি আর জামায়াত যখন রাষ্ট্র চালাচ্ছে, তখন সেই আদালতে জমা হওয়া ৫১১ সাক্ষীর জবানবন্দী আর ২২৫ জনের সরাসরি সাক্ষ্য মনে করিয়ে দেয় এক বিভীষিকাময় ইতিহাসের কথা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী যে যুক্তিতে হাওয়া ভবনের বৈঠকের প্রমাণ খাড়া করেছিলেন, রাজনৈতিক পালাবদলে তা ধামাচাপা পড়ে যেতে পারে, কিন্তু ইতিহাসের আঙিনায় রক্তের দাগ মোছে না। পঁচিশজন শহীদের আত্মা আর তিনশতাধিক পঙ্গুত্ববরণ করা মানুষের আর্তনাদ কোনোদিন তারেক রহমানের মনোজগতে ধাক্কা না খেয়ে থাকতে পারবে না বিচার পাওয়ার আগ পর্যান্ত।

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার সাক্ষী মাওলানা আবদুর রশিদ আদালতে পরিষ্কার বলেছিলেন, বনানীর হাওয়া ভবনে নিজের চোখে দেখেছেন তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, মুজাহিদ, রেজ্জাকুল হায়দার আর আবদুর রহিমকে। ভেতরে আগে থেকেই বসা মুফতি হান্নান আর মাওলানা তাইজুদ্দিন। মাদ্রাসার গাড়ি চালিয়ে তিনি নিজে গিয়েছিলেন তাদের পৌঁছে দিতে। নিচে দাঁড়িয়ে দেখলেন জঙ্গি আর মন্ত্রী একই ছাদের নিচে ঢুকছে। অথচ আজ ২০২৬ সালে এসে সেই হাওয়া ভবনের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারীরা রাষ্ট্রক্ষমতায়।

বিচার বিভাগীয় জবানবন্দীতে জঙ্গি শরীফ সাইদুল আলম বিপুল স্বীকার করেছে, ২০ আগস্ট রাতে তাকে ফোনে জানানো হয়েছিল পরদিন শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে গ্রেনেড হামলা হবে। সেই হামলায় ২৪ জন নিহত, পাঁচশতাধিক আহত। নিহতদের মাঝে আইভি রহমানও ছিলেন।

আরেক জঙ্গি আরিফ হাসান সুমন আদালতে বলেছে, গ্রেনেড সরবরাহকারী পিন্টুর ভাই তাইজুদ্দিনই ছিল হরকত-উল-জিহাদের ঢাকা প্রধান। এই তাইজুদ্দিনই ছিল হাওয়া ভবনের বৈঠকের অন্যতম মুখ। সব সাক্ষ্য এক বিন্দুতে মিলেছে, হাওয়া ভবনের বৈঠক থেকে হামলার ব্লু-প্রিন্ট অনুমোদন হয়েছিল।

আজ সেই হাওয়া ভবনের ছায়ায় বসে বিএনপি আর জামায়াত যখন রাষ্ট্র চালাচ্ছে, তখন সেই আদালতে জমা হওয়া ৫১১ সাক্ষীর জবানবন্দী আর ২২৫ জনের সরাসরি সাক্ষ্য মনে করিয়ে দেয় এক বিভীষিকাময় ইতিহাসের কথা। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী যে যুক্তিতে হাওয়া ভবনের বৈঠকের প্রমাণ খাড়া করেছিলেন, রাজনৈতিক পালাবদলে তা ধামাচাপা পড়ে যেতে পারে, কিন্তু ইতিহাসের আঙিনায় রক্তের দাগ মোছে না। পঁচিশজন শহীদের আত্মা আর তিনশতাধিক পঙ্গুত্ববরণ করা মানুষের আর্তনাদ কোনোদিন তারেক রহমানের মনোজগতে ধাক্কা না খেয়ে থাকতে পারবে না বিচার পাওয়ার আগ পর্যান্ত।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ