জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে তারেক রহমান নিউইয়র্ক যাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু এই সফর যে তাকে দেশের জন্য লজ্জার চেয়েও বড় কিছু করে তুলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ২১ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যার সফর, এফবিআইয়ের অনুমোদন না পেয়ে তা গিয়ে ঠেকেছে মাত্র কয়েক দিনে। জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট কাজ ছাড়া আর কিছুই করতে পারবেন না তিনি। ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দিয়ে পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নথিতে যার বিরুদ্ধে অর্থপাচার আর জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে, সে-ই নাকি আজ বাংলাদেশের স্বঘোষিত প্রধানমন্ত্রী! আমেরিকা যাকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় রেখেছে, সন্দেহের তালিকায় রাখছে, সে-ই বাংলাদেশের শীর্ষ ক্ষমতায়। এই অপমান, এই বেইজ্জতি স্বয়ং দেশের প্রধানমন্ত্রীর আমেরিকার মাটিতে এবারই প্রথম।
সাধারণত যেসব ব্যক্তি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকেন, তাদের জাতিসংঘের কাজে ঢুকতে দেয়া হয় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য। ঠিক সেই নিয়মই প্রয়োগ হয়েছে তারেক রহমানের ক্ষেত্রে। সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার ইচ্ছা ছিল, এফবিআই ছাড়পত্র দেয়নি। ফলে সফর সংক্ষিপ্ত করতে বাধ্য হয়েছেন।
এটা এমনই এক সফর যেটা প্রমাণ যে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সন্দেহ কেবল রাজনৈতিক মিথ্যা নয়, বরং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার কাগজে লিপিবদ্ধ। সাধারণত যাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা থাকে, তাদের জাতিসংঘের কাজে ঢুকতে দেয়া হয় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য। সেই নিয়মই তারেকের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়েছে। ২০০১-০৬ সালের সেই বিএনপি অপশাসনের ছায়া এবার ২০২৬ সালে এসে আরও গভীর হয়েছে। স্বয়ং দেশের প্রধানমন্ত্রী আমেরিকার মাটিতে এমন বেইজ্জতির মুখোমুখি হচ্ছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে আগে কখনো ঘটেনি।

