৩০% কমিশন ও নতুন সিন্ডিকেট: তারেকের পরিকল্পনায় বাড়ছে গ্যাস-বিদ্যুতের দাম?

বাংলাদেশজুড়ে নিত্যপণ্যের আকাশচুম্বী দাম ও অর্থনৈতিক চাপে যখন সাধারণ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে, ঠিক তখনই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বেসরকারিকরণ এবং নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় তৈরি হয়েছে গভীর ক্ষোভ। দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রণ এবং নীতি নির্ধারণ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠলেও, সম্প্রতি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও সরকারের অদক্ষতা এবং দুর্নীতির বিষয়টি আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বিশেষ করে তারেক রহমান এবং বিগত বিএনপি আমলের ‘হাওয়া ভবন’-এর স্টাইলে গুলশানে নতুন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ও সিন্ডিকেট তৈরির অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ প্রকাশ পাচ্ছে যে, একসময় যেখানে নির্দিষ্ট হারে কমিশন বা ‘টেন পার্সেন্ট’ বাণিজ্যের চর্চা ছিল, তা এখন বেড়ে প্রায় ৩০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। অতিরিক্ত কমিশনের যোগসাজশে যেকোনো কিছুর দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তীব্র হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভুক্তভোগীদের মতে, তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে সেই পুরনো দুর্নীতির সিন্ডিকেট। সম্প্রতি জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট ও গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইনের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে কৃত্রিম উপায়ে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে আবাসিক খাতে গ্যাসের চুলা মিলছে না, সিএনজি ও গ্যাসের লাইনে শত শত গাড়ির দীর্ঘ যানজট প্রতিদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।

এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহের অবস্থা শোচনীয়। চরম লোডশেডিংয়ের মধ্যেও গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাচ্ছে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে চার গুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল। এই ভোগান্তির শেষ এখানেই নয়; অভিযোগ উঠেছে যে ৩০ শতাংশ কমিশনের লোভনীয় পরিকল্পনায় ভর করে বিএনপি নেতৃত্ব ও তাদের ঘনিষ্ঠ মহল থেকে পুনরায় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানোর বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, জ্বালানি ও বিদ্যুতের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবাগুলোকে অনিয়ন্ত্রিত মুনাফালোভীদের হাতে তুলে দেওয়া বা কমিশন বাণিজ্যের হাতিয়ার বানানোর ফল সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনবে। যেখানে এলপিজি গ্যাসে সরকারের নির্ধারিত দর বেসরকারি সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে, সেখানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল খাতগুলোকে দুর্নীতি ও কমিশনের আড্ডাস্থল বানালে পুরো ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকবে।

রাজনৈতিক অপশাসন ও দুর্নীতির এই চণ্ডাল রূপ সাধারণ জনজীবনকে চূড়ান্ত ধসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন দেশের ক্ষুব্ধ সচেতন নাগরিকরা।

বাংলাদেশজুড়ে নিত্যপণ্যের আকাশচুম্বী দাম ও অর্থনৈতিক চাপে যখন সাধারণ নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে, ঠিক তখনই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বেসরকারিকরণ এবং নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় তৈরি হয়েছে গভীর ক্ষোভ। দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রণ এবং নীতি নির্ধারণ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন উঠলেও, সম্প্রতি বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ও সরকারের অদক্ষতা এবং দুর্নীতির বিষয়টি আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

বিশেষ করে তারেক রহমান এবং বিগত বিএনপি আমলের ‘হাওয়া ভবন’-এর স্টাইলে গুলশানে নতুন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ও সিন্ডিকেট তৈরির অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ প্রকাশ পাচ্ছে যে, একসময় যেখানে নির্দিষ্ট হারে কমিশন বা ‘টেন পার্সেন্ট’ বাণিজ্যের চর্চা ছিল, তা এখন বেড়ে প্রায় ৩০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। অতিরিক্ত কমিশনের যোগসাজশে যেকোনো কিছুর দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তীব্র হচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ভুক্তভোগীদের মতে, তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে সেই পুরনো দুর্নীতির সিন্ডিকেট। সম্প্রতি জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট ও গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইনের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে কৃত্রিম উপায়ে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্তমানে আবাসিক খাতে গ্যাসের চুলা মিলছে না, সিএনজি ও গ্যাসের লাইনে শত শত গাড়ির দীর্ঘ যানজট প্রতিদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে।

এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ সরবরাহের অবস্থা শোচনীয়। চরম লোডশেডিংয়ের মধ্যেও গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাচ্ছে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে চার গুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল। এই ভোগান্তির শেষ এখানেই নয়; অভিযোগ উঠেছে যে ৩০ শতাংশ কমিশনের লোভনীয় পরিকল্পনায় ভর করে বিএনপি নেতৃত্ব ও তাদের ঘনিষ্ঠ মহল থেকে পুনরায় বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানোর বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, জ্বালানি ও বিদ্যুতের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবাগুলোকে অনিয়ন্ত্রিত মুনাফালোভীদের হাতে তুলে দেওয়া বা কমিশন বাণিজ্যের হাতিয়ার বানানোর ফল সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনবে। যেখানে এলপিজি গ্যাসে সরকারের নির্ধারিত দর বেসরকারি সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে, সেখানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল খাতগুলোকে দুর্নীতি ও কমিশনের আড্ডাস্থল বানালে পুরো ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা তলানিতে গিয়ে ঠেকবে।

রাজনৈতিক অপশাসন ও দুর্নীতির এই চণ্ডাল রূপ সাধারণ জনজীবনকে চূড়ান্ত ধসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন দেশের ক্ষুব্ধ সচেতন নাগরিকরা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ