জামায়াতের কবরস্থান রাজনীতি: কুষ্টিয়ায় কবর দিতেও লাগছে দলীয় পরিচয়!

একটা লাশ কবরের অর্ধেক পর্যন্ত মাটির নিচে নামানো, ঠিক তখনই জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মী এসে হাজির, সমস্যা কী জানেন? এই দাফনে নাকি তাদের দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। একটা মানুষ মরে পড়ে আছে, তার মেয়েরা কিস্তিতে টাকা দিতেও রাজি, আর একটা রাজনৈতিক দলের স্থানীয় কর্মীদের মাথায় তখন ঘুরছে ইমেজের হিসাব। এটাই কুষ্টিয়ার মিরপুরে ঘটে যাওয়া ঘটনার সবচেয়ে জঘন্য দিক, আর এই তথ্যটা কোনো গুঞ্জন না, ইউপি সদস্য আশরাফুল হক আশা নিজে সাক্ষী হিসেবে বলেছেন এই কথা।

চিন্তা করেন যুক্তিটা কী দাঁড়াচ্ছে। এতদিন যে দল ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করে, মানুষকে শেখায় জানাজা-দাফন কতটা পবিত্র একটা কাজ, সেই দলেরই স্থানীয় নেতাকর্মীরা একটা দাফন প্রক্রিয়া থামিয়ে দিতে চাইলেন কারণ মৃত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে বিএনপির লোকজনের সম্পর্ক ভালো ছিল বলে গুঞ্জন। ধর্মের নামে ভোট চাওয়া আর মৃত মানুষের কবর নিয়ে রাজনীতি করা, এই দুইটা একসঙ্গে চলে কীভাবে?

গোরস্থান কমিটি বলছে নিয়ম শুধু সদস্যদের জন্য, চাঁদা বকেয়া থাকলে দাফন হবে না। কিন্তু নাসির উদ্দিনের বাবা নিজে নিয়মিত চাঁদা দিতেন, তার কবরও ওই গোরস্থানেই আছে। ছেলে মারা যাওয়ার পর পরিবার বলল যত টাকা লাগে দেবে, তাও রাজি হলো না কমিটি। টাকার অভাব ছিল না সমস্যা, সমস্যা ছিল অন্য কিছু, আর সেই অন্য কিছুটা সামনে চলে আসে ঠিক তখনই যখন কবর খোঁড়া অর্ধেক শেষ, জামায়াতের লোকজন এসে আপত্তি তোলে।

শেষমেশ একজন সাধারণ ইউপি সদস্য নিজের পারিবারিক গোরস্থান খুলে দেন, রাজনীতি না করে মানুষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অথচ যাদের কাছে মানুষ আশা করে সহানুভূতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ, সেই জায়গা থেকেই এলো বাধা। মানুষ মরে গেলেও তার রাজনৈতিক পরিচয় খোঁজা, এই মানসিকতা যদি ২০২৬ সালেও টিকে থাকে, তাহলে প্রশ্ন তোলা দরকার এই দল আসলে কার জন্য রাজনীতি করে।

একটা লাশ কবরের অর্ধেক পর্যন্ত মাটির নিচে নামানো, ঠিক তখনই জামায়াতের কয়েকজন নেতাকর্মী এসে হাজির, সমস্যা কী জানেন? এই দাফনে নাকি তাদের দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে। একটা মানুষ মরে পড়ে আছে, তার মেয়েরা কিস্তিতে টাকা দিতেও রাজি, আর একটা রাজনৈতিক দলের স্থানীয় কর্মীদের মাথায় তখন ঘুরছে ইমেজের হিসাব। এটাই কুষ্টিয়ার মিরপুরে ঘটে যাওয়া ঘটনার সবচেয়ে জঘন্য দিক, আর এই তথ্যটা কোনো গুঞ্জন না, ইউপি সদস্য আশরাফুল হক আশা নিজে সাক্ষী হিসেবে বলেছেন এই কথা।

চিন্তা করেন যুক্তিটা কী দাঁড়াচ্ছে। এতদিন যে দল ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করে, মানুষকে শেখায় জানাজা-দাফন কতটা পবিত্র একটা কাজ, সেই দলেরই স্থানীয় নেতাকর্মীরা একটা দাফন প্রক্রিয়া থামিয়ে দিতে চাইলেন কারণ মৃত ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে বিএনপির লোকজনের সম্পর্ক ভালো ছিল বলে গুঞ্জন। ধর্মের নামে ভোট চাওয়া আর মৃত মানুষের কবর নিয়ে রাজনীতি করা, এই দুইটা একসঙ্গে চলে কীভাবে?

গোরস্থান কমিটি বলছে নিয়ম শুধু সদস্যদের জন্য, চাঁদা বকেয়া থাকলে দাফন হবে না। কিন্তু নাসির উদ্দিনের বাবা নিজে নিয়মিত চাঁদা দিতেন, তার কবরও ওই গোরস্থানেই আছে। ছেলে মারা যাওয়ার পর পরিবার বলল যত টাকা লাগে দেবে, তাও রাজি হলো না কমিটি। টাকার অভাব ছিল না সমস্যা, সমস্যা ছিল অন্য কিছু, আর সেই অন্য কিছুটা সামনে চলে আসে ঠিক তখনই যখন কবর খোঁড়া অর্ধেক শেষ, জামায়াতের লোকজন এসে আপত্তি তোলে।

শেষমেশ একজন সাধারণ ইউপি সদস্য নিজের পারিবারিক গোরস্থান খুলে দেন, রাজনীতি না করে মানুষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। অথচ যাদের কাছে মানুষ আশা করে সহানুভূতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ, সেই জায়গা থেকেই এলো বাধা। মানুষ মরে গেলেও তার রাজনৈতিক পরিচয় খোঁজা, এই মানসিকতা যদি ২০২৬ সালেও টিকে থাকে, তাহলে প্রশ্ন তোলা দরকার এই দল আসলে কার জন্য রাজনীতি করে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ