বিএনপির সেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের ঐতিহ্য ফুটে উঠলো সেতু প্রকল্পেও, চলছে নজিরবিহীন লুটপাট

সারাদেশে তথাকথিত যোগাযোগের উন্নতির ধোকা দিয়ে শুরু হয়েছে কোটি কোটি টাকার লুটপাটের এক অবিশ্বাস্য মহাযজ্ঞ। জনগণের রক্তের ঘামে অর্জিত ট্যাক্সের টাকাকে গ্রামীণ সেতু নির্মাণের অজুহাতে যেভাবে হরিলুট করা হচ্ছে, তা কেবল অর্থনৈতিক অপরাধ নয়, বরং রাষ্ট্রের সাথে চরম প্রতারণার নামান্তর। দেশের বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ছত্রছায়ায় পরিচালিত এই ভয়াবহ লুটপাট আজ পুরো দেশের অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

প্রকল্পের বাজেট ফাইলের পাতা উল্টালেই বেরিয়ে আসছে চোখ কপালে ওঠার মতো সব কাল্পনিক ও অস্বাভাবিক খরচের খতিয়ান। সামান্য কয়েকটি গাড়ি আর অফিস দেখভালের নাম করেই মাসে ১৫ লাখ টাকার বেশি উড়িয়ে দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে কেবল মাত্র কয়েকটি গাড়ির জ্বালানি খরচই ধরা হয়েছে অবিশ্বাস্য ১২ লাখ টাকা! আর সেই যানবাহনগুলোর সুরক্ষার নামে মাসিক আরও সাড়ে ৩ লাখ টাকা পকেটে পুরার ফন্দি আঁকা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, ই-মেইল আর সাধারণ ওয়েব বিলিংয়ের মতো তুচ্ছ সফটওয়্যার কেনার অসার বাহানায় বাজেট ধরা হয়েছে বিস্ময়কর ৯ কোটি টাকা! এর সাথে কথিত পরামর্শক ফি বা কনসালটেন্সি ফি-র নামে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা।

আসলে বিএনপির কাছে দুর্নীতি কিংবা রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাট নতুন কোনো ঘটনা নয়। বিএনপি যে সব সময় দুর্নীতিবাজ—তার জলন্ত প্রমাণ ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দলটির শাসনআমল, যখন বাংলাদেশ পরপর টানা দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সেতু নির্মাণের নামে বর্তমানের এই বেপরোয়া লুটপাট মূলত বিএনপির সেই পুরোনো ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরই ধারাবাহিক রূপ।

যেখানে গ্রামীণ এলাকায় অতি স্বল্প ব্যয়ে টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব, সেখানে এ ধরনের মাত্রাতিরিক্ত বাজেটের আসল উদ্দেশ্যই হলো রাজনৈতিক যোগসাজশে আইনি উপায়ে রাষ্ট্রীয় তহবিল ফাঁকা করা। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও অবকাঠামো বিশ্লেষকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তুচ্ছ সফটওয়্যার কিংবা গুটি কয়েক গাড়ির পেছনে এত বিপুল বরাদ্দ কোনো স্বাভাবিক সরকারি কাজের অংশ হতে পারে না। এটি উন্নয়নের কোনো নীল নকশা নয়, বরং সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর পকেট ভরানোর প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি।

সারাদেশে তথাকথিত যোগাযোগের উন্নতির ধোকা দিয়ে শুরু হয়েছে কোটি কোটি টাকার লুটপাটের এক অবিশ্বাস্য মহাযজ্ঞ। জনগণের রক্তের ঘামে অর্জিত ট্যাক্সের টাকাকে গ্রামীণ সেতু নির্মাণের অজুহাতে যেভাবে হরিলুট করা হচ্ছে, তা কেবল অর্থনৈতিক অপরাধ নয়, বরং রাষ্ট্রের সাথে চরম প্রতারণার নামান্তর। দেশের বর্তমান বিএনপি সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ছত্রছায়ায় পরিচালিত এই ভয়াবহ লুটপাট আজ পুরো দেশের অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

প্রকল্পের বাজেট ফাইলের পাতা উল্টালেই বেরিয়ে আসছে চোখ কপালে ওঠার মতো সব কাল্পনিক ও অস্বাভাবিক খরচের খতিয়ান। সামান্য কয়েকটি গাড়ি আর অফিস দেখভালের নাম করেই মাসে ১৫ লাখ টাকার বেশি উড়িয়ে দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে কেবল মাত্র কয়েকটি গাড়ির জ্বালানি খরচই ধরা হয়েছে অবিশ্বাস্য ১২ লাখ টাকা! আর সেই যানবাহনগুলোর সুরক্ষার নামে মাসিক আরও সাড়ে ৩ লাখ টাকা পকেটে পুরার ফন্দি আঁকা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়, ই-মেইল আর সাধারণ ওয়েব বিলিংয়ের মতো তুচ্ছ সফটওয়্যার কেনার অসার বাহানায় বাজেট ধরা হয়েছে বিস্ময়কর ৯ কোটি টাকা! এর সাথে কথিত পরামর্শক ফি বা কনসালটেন্সি ফি-র নামে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা।

আসলে বিএনপির কাছে দুর্নীতি কিংবা রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাট নতুন কোনো ঘটনা নয়। বিএনপি যে সব সময় দুর্নীতিবাজ—তার জলন্ত প্রমাণ ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দলটির শাসনআমল, যখন বাংলাদেশ পরপর টানা দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সেতু নির্মাণের নামে বর্তমানের এই বেপরোয়া লুটপাট মূলত বিএনপির সেই পুরোনো ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরই ধারাবাহিক রূপ।

যেখানে গ্রামীণ এলাকায় অতি স্বল্প ব্যয়ে টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব, সেখানে এ ধরনের মাত্রাতিরিক্ত বাজেটের আসল উদ্দেশ্যই হলো রাজনৈতিক যোগসাজশে আইনি উপায়ে রাষ্ট্রীয় তহবিল ফাঁকা করা। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও অবকাঠামো বিশ্লেষকরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, তুচ্ছ সফটওয়্যার কিংবা গুটি কয়েক গাড়ির পেছনে এত বিপুল বরাদ্দ কোনো স্বাভাবিক সরকারি কাজের অংশ হতে পারে না। এটি উন্নয়নের কোনো নীল নকশা নয়, বরং সাধারণ মানুষের পকেট কেটে সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর পকেট ভরানোর প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ